বদ লোকদের কাছে ব্রাজিলিয়ানদের নাচ পছন্দ হবে না: তিতে

17
কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে সেলেকাওদের সেই নাচ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। তবে তা পাত্তা দিচ্ছেন না ব্রাজলিয়য়ান কোচ তিতে। তার দাবি, বদ লোকদের কাছে ব্রাজিলিয়ানদের নাচ পছন্দ হবে না। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে গোলের পর ব্রাজিল ফুটবলার ও কোচের নাচ। শেষবারের মতো সাম্বার সাক্ষী হয়েছিল স্টেডিয়াম নাইন সেভেন ফোর। কনটেইনার দিয়ে তৈরি স্টেডিয়ামটির এটিই ছিল শেষ ম্যাচ। কোটি সমর্থকের চোখ জুড়িয়েছে সেলেকাওদের ছন্দময় ফুটবল। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ভিনিসিয়াস-নেইমার-রিচার্লিসন-পাকেতাদের কোমর দুলানো ভালো চোখে দেখেননি সাবেক আয়ারল্যান্ড ও ম্যানইউ মিডফিল্ডার রয় কিন। বিশেষ করে ফুটবলারদের সঙ্গে নেচে-গেয়ে কোচ তিতের গোল উদযাপন। সাবেক আয়ারল্যান্ড ও ম্যানইউ মিডফিল্ডার রয় কিন বলেন, ব্রাজিল সুন্দর ফুটবল খেলেছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তাই বলে প্রতিপক্ষ যখন কয়েক গোলে পিছিয়ে, তখন তাদের সামনে এভাবে নাচা অসম্মানজনক। আর তিতের নাচ তো ছিল দৃষ্টিকটু। রয় কিনের এই মন্তব্য তিতের কানে যেতেও সময় লাগেনি। আত্মপক্ষ সমর্থনের পাশাপাশি নাচ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের একহাত নিতেও ছাড়েননি সেলেকাও প্রফেসর। ব্রাজিল কোচ তিতে বলেন, দলটা তরুণ, তাই তাদের মতো করেই আমাকে ভাবতে হয়। ফুটবলারদের খুশি রাখাটাও জরুরি। আর আমার মনে হয়, মন্দ লোকদের কাছে আমাদের নাচ ভালো লাগবে না। নাচের পক্ষেও মিলছে যুক্তি। সিবিএসের বিশ্লেষক সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার ক্রেইগ ফস্টারের কাছে ফুটবলারদের নাচ, প্রতিপক্ষের প্রতি অসম্মান নয়; বরং তা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলেরই অংশ। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফুটবলার ক্রেইগ ফ্রস্ট বলেন, ফুটবলে ব্রাজিলের নাচ তাদের ফুটবলেরই অংশ। এটি সুন্দর, শুধু দেখার চোখ থাকতে হবে। এটি নিয়ে অকারণে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। চলতি আলোচনার মাঝেই প্রকাশ্যে এসেছে রোনাল্ডো নাজারিওর সঙ্গে রিচার্লিসনের কবুতর নাচ। নতুন প্রজন্মের এই ড্যান্স মুভের সঙ্গে শরীর দোলাতে দেখা গেছে সেলেকাও কিংবদন্তিকেও। অবশ্য নাচ নিয়ে সমালোচকদের তোপের মুখে পড়া নতুন কিছু নয় ব্রাজিলিয়ানদের জন্য। এই তো কয়েক মাস আগেই লা লিগায় নেচে গোল উদযাপন করে বর্ণবাদের শিকার হতে হয়েছিল ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। যদিও শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়ে পার পেয়েছিলেন সমালোচক স্প্যানিশ ফুটবলার এজেন্টের প্রধান, ব্রাভো। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে আলোচিত হয়েছিল ব্রাজিলিয়ান বেবেতোর বেবি সুইং উদযাপন। পরে যা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ফুটবল দুনিয়ায়। রোনালদিনহোর ড্যান্স নিশ্চয়ই ভুলে যাওয়ার কথা নয় ফুটবলবিশ্বের।

নিউজ ডেস্ক: কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে সেলেকাওদের সেই নাচ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। তবে তা পাত্তা দিচ্ছেন না ব্রাজলিয়য়ান কোচ তিতে। তার দাবি, বদ লোকদের কাছে ব্রাজিলিয়ানদের নাচ পছন্দ হবে না।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে গোলের পর ব্রাজিল ফুটবলার ও কোচের নাচ। শেষবারের মতো সাম্বার সাক্ষী হয়েছিল স্টেডিয়াম নাইন সেভেন ফোর। কনটেইনার দিয়ে তৈরি স্টেডিয়ামটির এটিই ছিল শেষ ম্যাচ। কোটি সমর্থকের চোখ জুড়িয়েছে সেলেকাওদের ছন্দময় ফুটবল।

তবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ভিনিসিয়াস-নেইমার-রিচার্লিসন-পাকেতাদের কোমর দুলানো ভালো চোখে দেখেননি সাবেক আয়ারল্যান্ড ও ম্যানইউ মিডফিল্ডার রয় কিন। বিশেষ করে ফুটবলারদের সঙ্গে নেচে-গেয়ে কোচ তিতের গোল উদযাপন।

সাবেক আয়ারল্যান্ড ও ম্যানইউ মিডফিল্ডার রয় কিন বলেন, ব্রাজিল সুন্দর ফুটবল খেলেছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তাই বলে প্রতিপক্ষ যখন কয়েক গোলে পিছিয়ে, তখন তাদের সামনে এভাবে নাচা অসম্মানজনক। আর তিতের নাচ তো ছিল দৃষ্টিকটু।

রয় কিনের এই মন্তব্য তিতের কানে যেতেও সময় লাগেনি। আত্মপক্ষ সমর্থনের পাশাপাশি নাচ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের একহাত নিতেও ছাড়েননি সেলেকাও প্রফেসর।

ব্রাজিল কোচ তিতে বলেন, দলটা তরুণ, তাই তাদের মতো করেই আমাকে ভাবতে হয়। ফুটবলারদের খুশি রাখাটাও জরুরি। আর আমার মনে হয়, মন্দ লোকদের কাছে আমাদের নাচ ভালো লাগবে না।

নাচের পক্ষেও মিলছে যুক্তি। সিবিএসের বিশ্লেষক সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার ক্রেইগ ফস্টারের কাছে ফুটবলারদের নাচ, প্রতিপক্ষের প্রতি অসম্মান নয়; বরং তা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলেরই অংশ।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ফুটবলার ক্রেইগ ফ্রস্ট বলেন, ফুটবলে ব্রাজিলের নাচ তাদের ফুটবলেরই অংশ। এটি সুন্দর, শুধু দেখার চোখ থাকতে হবে। এটি নিয়ে অকারণে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।

চলতি আলোচনার মাঝেই প্রকাশ্যে এসেছে রোনাল্ডো নাজারিওর সঙ্গে রিচার্লিসনের কবুতর নাচ। নতুন প্রজন্মের এই ড্যান্স মুভের সঙ্গে শরীর দোলাতে দেখা গেছে সেলেকাও কিংবদন্তিকেও।

অবশ্য নাচ নিয়ে সমালোচকদের তোপের মুখে পড়া নতুন কিছু নয় ব্রাজিলিয়ানদের জন্য। এই তো কয়েক মাস আগেই লা লিগায় নেচে গোল উদযাপন করে বর্ণবাদের শিকার হতে হয়েছিল ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। যদিও শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়ে পার পেয়েছিলেন সমালোচক স্প্যানিশ ফুটবলার এজেন্টের প্রধান, ব্রাভো।

১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে আলোচিত হয়েছিল ব্রাজিলিয়ান বেবেতোর বেবি সুইং উদযাপন। পরে যা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ফুটবল দুনিয়ায়। রোনালদিনহোর ড্যান্স নিশ্চয়ই ভুলে যাওয়ার কথা নয় ফুটবলবিশ্বের।

সূত্র: যুগান্তর