যেসব লক্ষণে বুঝবেন পাকস্থলীর ক্যান্সার, চিকিৎসা

10
মানবদেহের জটিল ক্যান্সারগুলোর মধ্যে পাকস্থলীর ক্যান্সার অন্যতম। এই ক্যানসারের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। সঠিক চিকিৎসার অভাবে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। পাকস্থলীর ক্যান্সারের লক্ষণ ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাঅধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক। আমাদের দেশে বেশিভাগ ক্ষেত্রেই পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় হয় না। পেটের অনেক ধরনের অসুখকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ভেবে রোগী দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করেন। কিন্তু পেটের এই সমস্যা পাকস্থলীর ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে। বলা বাহুল্য গ্যাষ্ট্রিকের ওষুধ যেমন- পিপিআই দীর্ঘদিন খেলেও এ অঙ্গে ক্যান্সার হতে পারে। এ ওষুধ থেকে রক্তে ক্যালশিয়ামের পরিমাণ কমে গিয়ে হাড়ে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। নিচের উপসর্গগুলো পাকস্থলীর ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে- * অল্প খেলেই তৃপ্তি চলে আসে * পেট ফেঁপে থাকে * পেট ফুলে যায় * বমি হয় * রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয় * রক্ত পায়খানা হতে পারে * রোগীর শরীরের ওজন কমে যায়। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। যেমন- এন্ডোসকপি, কলোনোসকপি, পেটের আলট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে ও রক্তের কিছু সাধারণ পরীক্ষা। অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত স্থান ফেলে দিয়ে কেমোথেরাপি ও রেডিও থেরাপি দিলে রোগী সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

নিউজ ডেস্ক: মানবদেহের জটিল ক্যান্সারগুলোর মধ্যে পাকস্থলীর ক্যান্সার অন্যতম। এই ক্যানসারের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। সঠিক চিকিৎসার অভাবে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

পাকস্থলীর ক্যান্সারের লক্ষণ ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাঅধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক।

আমাদের দেশে বেশিভাগ ক্ষেত্রেই পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় হয় না। পেটের অনেক ধরনের অসুখকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ভেবে রোগী দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করেন। কিন্তু পেটের এই সমস্যা পাকস্থলীর ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে। বলা বাহুল্য গ্যাষ্ট্রিকের ওষুধ যেমন- পিপিআই দীর্ঘদিন খেলেও এ অঙ্গে ক্যান্সার হতে পারে। এ ওষুধ থেকে রক্তে ক্যালশিয়ামের পরিমাণ কমে গিয়ে হাড়ে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। নিচের উপসর্গগুলো পাকস্থলীর ক্যান্সারের কারণেও হতে পারে-

* অল্প খেলেই তৃপ্তি চলে আসে * পেট ফেঁপে থাকে * পেট ফুলে যায় * বমি হয় * রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয় * রক্ত পায়খানা হতে পারে

* রোগীর শরীরের ওজন কমে যায়।

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। যেমন- এন্ডোসকপি, কলোনোসকপি, পেটের আলট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে ও রক্তের কিছু সাধারণ পরীক্ষা। অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত স্থান ফেলে দিয়ে কেমোথেরাপি ও রেডিও থেরাপি দিলে রোগী সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

সূত্র: যুগান্তর