ছাদখোলা বাস নিয়ে সানজিদার সেই ইচ্ছে পূরণ হচ্ছে

4
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমবার শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। বাংলাদেশ নারী ফুটবলে ঐতিহাসিক সাফ জয়ের উচ্ছ্বাসে সারা দেশ। মেয়েদের এই অনন্য অর্জনের জন্য তাদের শুভকামনা জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার সাফ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ সামনে রেখে সোমবার ভক্তদের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন লেখা পোস্ট দেন। ওই পোস্টে লেখেন, ‘ছাদখোলা চ্যাম্পিয়ন বাসে ট্রফি নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে, সমাজের টিপ্পনীকে একপাশে রেখে যে মানুষগুলো আমাদের সবুজ ঘাস ছোঁয়াতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য এটি জিততে চাই।’ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট নিয়েই বুধবার ঘরে ফিরবেন চ্যাম্পিয়নরা। তাদের সেই ‘ইচ্ছে’ পূরণের জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দেশে। প্রস্তুত করা হচ্ছে সেই ছাদখোলা বাস। সোমবার ম্যাচ শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সাবিনাদের আক্ষেপ দেখে আমাদের অন্তরে ব্যথা লেগেছে। আমাদের দেশে যদিও ছাদখোলা কোনো বাস নেই ঢাকায়; তারপরও আমরা তাদের জন্য একটা ব্যবস্থা করেছি। তাদের ছাদখোলা বাসে বিমানবন্দর থেকেই সংবর্ধনা আমরা দেব। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাফুফে ভবন পর্যন্ত তাদের আমরা নিয়ে যাব। তাদের মনের আশা পূরণ করব। মঙ্গলবার তারই প্রতিফলন দেখা গেলো বিআরটিসির মতিঝিল বাস ডিপোতে। সকাল থেকে একটি দ্বিতল বাসের ছাদ কাটা শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে বাসটিকে নতুন করে রাঙিয়ে তুলতে কাজ করছেন বেশ কয়েকজন কর্মী। তাদের বিভিন্ন বিষয় নির্দেশনা দিচ্ছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। আজকের মধ্যেই বাসটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে জানান মতিঝিল ডিপোর কর্মকর্তারা। বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বলেন, মেয়েরা জাতিকে একটা বড় উপহার দিয়েছে। জাতি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা তাদের এই উদযাপনে সঙ্গী হতে পেরে গর্বিত।

নিউজ ডেস্ক: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমবার শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। বাংলাদেশ নারী ফুটবলে ঐতিহাসিক সাফ জয়ের উচ্ছ্বাসে সারা দেশ। মেয়েদের এই অনন্য অর্জনের জন্য তাদের শুভকামনা জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ।

নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার সাফ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ সামনে রেখে সোমবার ভক্তদের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন লেখা পোস্ট দেন।

ওই পোস্টে লেখেন, ‘ছাদখোলা চ্যাম্পিয়ন বাসে ট্রফি নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে, সমাজের টিপ্পনীকে একপাশে রেখে যে মানুষগুলো আমাদের সবুজ ঘাস ছোঁয়াতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য এটি জিততে চাই।’

শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট নিয়েই বুধবার ঘরে ফিরবেন চ্যাম্পিয়নরা। তাদের সেই ‘ইচ্ছে’ পূরণের জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দেশে। প্রস্তুত করা হচ্ছে সেই ছাদখোলা বাস।

সোমবার ম্যাচ শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সাবিনাদের আক্ষেপ দেখে আমাদের অন্তরে ব্যথা লেগেছে। আমাদের দেশে যদিও ছাদখোলা কোনো বাস নেই ঢাকায়; তারপরও আমরা তাদের জন্য একটা ব্যবস্থা করেছি। তাদের ছাদখোলা বাসে বিমানবন্দর থেকেই সংবর্ধনা আমরা দেব। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাফুফে ভবন পর্যন্ত তাদের আমরা নিয়ে যাব। তাদের মনের আশা পূরণ করব।

মঙ্গলবার তারই প্রতিফলন দেখা গেলো বিআরটিসির মতিঝিল বাস ডিপোতে। সকাল থেকে একটি দ্বিতল বাসের ছাদ কাটা শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে বাসটিকে নতুন করে রাঙিয়ে তুলতে কাজ করছেন বেশ কয়েকজন কর্মী। তাদের বিভিন্ন বিষয় নির্দেশনা দিচ্ছেন কয়েকজন কর্মকর্তা।

আজকের মধ্যেই বাসটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে জানান মতিঝিল ডিপোর কর্মকর্তারা।

বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বলেন, মেয়েরা জাতিকে একটা বড় উপহার দিয়েছে। জাতি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা তাদের এই উদযাপনে সঙ্গী হতে পেরে গর্বিত।

সূত্র: যুগান্তর