জলবায়ু সম্মেলনে তরুণ প্রতিনিধিত্ব জরুরি

1
জলবায়ু পরিবর্তন এ প্রজন্ম ও তরুণদের মানবাধিকারের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এর ফলে তরুণ প্রজন্মের জীবন, জীবিকা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক অর্থনৈতিক দিকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ সংকট নিরসনে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার সঙ্গে জলবায়ু আলোচনায় তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ জরুরি। শনি ও রোববার দুই দিনব্যাপী একশনএইড বাংলাদেশ ও ব্রাইটারস সোসাইটি অব বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইউথ কপ-২০২২’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তরা এসব কথা বলেন। একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির এর সমন্বয়ে ওয়েবানিরে প্রথম দিন প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর তিন আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, শেষদিন প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। ওয়েবনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন আন্তর্জাতিক শিশুশান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও জলবায়ু আন্দোলনে তরুণদের আইকন গ্রেটা থুনবার্গ ও জাতিসংঘের রেসিডেন্ট কোঅর্ডিনেটর জিয়ান লুইস ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর (আইসিসিসিএডি) পরিচালক ও বাংলাদেশি জলবায়ু বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সালিমুল হক প্রমুখ। এছাড়া বাংলাদেশ, এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও ইউরোপসহ মোট ২০টি দেশের সরকারি-বেসরকারি এজেন্সি, সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন, শিক্ষাবিদ, জলবায়ু বিশেষজ্ঞসহ তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। ওয়েবিনারে বক্তারা বলেন, জলবায়ু আলোচনায় তরুণদের অংশগ্রহণ ও মতামত জরুরি। যথাযথ পলিসি ও অ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ, মতামত প্রদান টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও সমস্যা সমাধানে অবদান রাখবে। ফলে আসন্ন জলবায় সম্মেলনে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। বাংলাদেশে জলবায়ু নিয়ে কাজ করা তরুণরা মনে করেন- জলবায়ু সংকট নিরসনে যারা বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডেলে তরুণদের অংশগ্রহণ উপেক্ষিত হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে হবে। যাতে তরুণরা তাদের সিদ্ধান্ত ও উদ্বেগের কথা বিশ্বব্যাপী চলমান জলবায়ু সংকট নিরসন আলোচনায় নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে পারেন। ওয়েবিনারের প্রথম দিন প্রধান অতিথির বক্তেব্য শরীয়তপুর তিন আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু বিষয়ে আইনগত কাঠামো রয়েছে। আমাদের এটা মানতে হবে জলবায়ু পরিবর্তন একটি মানবসৃষ্ট পরিস্থিতি। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন ঝুঁকির মুখে যার জন্য দায়ী আমরাই। প্যারিস চুক্তি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। নীতিনির্ধারনের ক্ষেত্রে তরুণদের কণ্ঠ অবশ্যই শুনতে হবে। যাতে তাদের চিন্তাগুলো আন্তর্জাতিক ফোরামে পৌঁছে দেয়া যায়। ওয়েবিনারের শেষদিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা ৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু সমস্যা সমাধানে অ্যাডভোকেসির চেয়ে বেশি জরুরি সরাসরি কাজ করা ও উদ্যোগী হওয়া। কপ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা না থাকা জলবায়ু সংকট নিরসনে তেমন প্রভাব ফেলবে না। আপনার এলাকার একটি সমস্যা বেছে নিন এবং মানুষদের ঐক্যবদ্ধ করুণ, সমস্যার সমাধানে আজ থেকেই কাজ শুরু করেন। প্রথমে স্থানীয়ভাবে শুরু করে পরে জাতীয়ভাবে এমনকি বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম শুরু করা উচিত। এসময় তিনি তরুণদের জলবায়ু বিষয়ে সচেতন হওয়ার ও সবাইকে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান। একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, জলবায়ু সম্মেলনের মাধমে বিশ্বব্যাপী তরুণরা তাদের সমস্যা ও চিন্তার কথা বিশ্বনেতাদের কাছে তুলে ধরতে চায়। কিন্তু অনেকে এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জলবায়ু নিয়ে মসত প্রকাশে তাদের অংশগ্রহণ দরকার। কারণ জলবায়ু সম্মেলণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের জলবায়ুকর্মী, যুবকর্মী এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে এক প্লাটফর্মের অধীনে নিয়ে আসে। জলবায়ু পরিবর্তন ও সংকট, এ সংক্রান্ত কারনে বর্তমান বাস্তবতা, পলিসি নির্ধারণ, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থারগুলোর সমন্বয় সর্বোপরি তরুণদের অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

নিউজ ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তন এ প্রজন্ম ও তরুণদের মানবাধিকারের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। এর ফলে তরুণ প্রজন্মের জীবন, জীবিকা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য সামাজিক অর্থনৈতিক দিকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ সংকট নিরসনে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার সঙ্গে জলবায়ু আলোচনায় তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ জরুরি।

শনি ও রোববার দুই দিনব্যাপী একশনএইড বাংলাদেশ ও ব্রাইটারস সোসাইটি অব বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইউথ কপ-২০২২’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তরা এসব কথা বলেন।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির এর সমন্বয়ে ওয়েবানিরে প্রথম দিন প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর তিন আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, শেষদিন প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। ওয়েবনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন আন্তর্জাতিক শিশুশান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও জলবায়ু আন্দোলনে তরুণদের আইকন গ্রেটা থুনবার্গ ও জাতিসংঘের রেসিডেন্ট কোঅর্ডিনেটর জিয়ান লুইস ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর (আইসিসিসিএডি) পরিচালক ও বাংলাদেশি জলবায়ু বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সালিমুল হক প্রমুখ।

এছাড়া বাংলাদেশ, এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও ইউরোপসহ মোট ২০টি দেশের সরকারি-বেসরকারি এজেন্সি, সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন, শিক্ষাবিদ, জলবায়ু বিশেষজ্ঞসহ তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

ওয়েবিনারে বক্তারা বলেন, জলবায়ু আলোচনায় তরুণদের অংশগ্রহণ ও মতামত জরুরি। যথাযথ পলিসি ও অ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ, মতামত প্রদান টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও সমস্যা সমাধানে অবদান রাখবে। ফলে আসন্ন জলবায় সম্মেলনে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি।

বাংলাদেশে জলবায়ু নিয়ে কাজ করা তরুণরা মনে করেন- জলবায়ু সংকট নিরসনে যারা বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডেলে তরুণদের অংশগ্রহণ উপেক্ষিত হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে হবে। যাতে তরুণরা তাদের সিদ্ধান্ত ও উদ্বেগের কথা বিশ্বব্যাপী চলমান জলবায়ু সংকট নিরসন আলোচনায় নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে পারেন।

ওয়েবিনারের প্রথম দিন প্রধান অতিথির বক্তেব্য শরীয়তপুর তিন আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু বিষয়ে আইনগত কাঠামো রয়েছে। আমাদের এটা মানতে হবে জলবায়ু পরিবর্তন একটি মানবসৃষ্ট পরিস্থিতি। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন ঝুঁকির মুখে যার জন্য দায়ী আমরাই। প্যারিস চুক্তি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। নীতিনির্ধারনের ক্ষেত্রে তরুণদের কণ্ঠ অবশ্যই শুনতে হবে। যাতে তাদের চিন্তাগুলো আন্তর্জাতিক ফোরামে পৌঁছে দেয়া যায়।

ওয়েবিনারের শেষদিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা ৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু সমস্যা সমাধানে অ্যাডভোকেসির চেয়ে বেশি জরুরি সরাসরি কাজ করা ও উদ্যোগী হওয়া। কপ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা না থাকা জলবায়ু সংকট নিরসনে তেমন প্রভাব ফেলবে না। আপনার এলাকার একটি সমস্যা বেছে নিন এবং মানুষদের ঐক্যবদ্ধ করুণ, সমস্যার সমাধানে আজ থেকেই কাজ শুরু করেন। প্রথমে স্থানীয়ভাবে শুরু করে পরে জাতীয়ভাবে এমনকি বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম শুরু করা উচিত। এসময় তিনি তরুণদের জলবায়ু বিষয়ে সচেতন হওয়ার ও সবাইকে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, জলবায়ু সম্মেলনের মাধমে বিশ্বব্যাপী তরুণরা তাদের সমস্যা ও চিন্তার কথা বিশ্বনেতাদের কাছে তুলে ধরতে চায়। কিন্তু অনেকে এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জলবায়ু নিয়ে মসত প্রকাশে তাদের অংশগ্রহণ দরকার। কারণ জলবায়ু সম্মেলণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের জলবায়ুকর্মী, যুবকর্মী এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে এক প্লাটফর্মের অধীনে নিয়ে আসে। জলবায়ু পরিবর্তন ও সংকট, এ সংক্রান্ত কারনে বর্তমান বাস্তবতা, পলিসি নির্ধারণ, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থারগুলোর সমন্বয় সর্বোপরি তরুণদের অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর