ইউরোপকে গ্যাস দিতে পুতিন যে শর্ত দিলেন

2
রুশ গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপে জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম সাধারণ ভোক্তাদের যেমন ভোগাচ্ছে, তেমনি অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকেও উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে। ইউরোপের জ্বালানি সংকটে রাশিয়ার করার কিছু নেই মন্তব্য করে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন যদি রাশিয়ার কাছ থেকে আরও গ্যাস চায়, সে ক্ষেত্রে তাদের নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন চালুর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ানো নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। খবর রয়টার্সের। উজবেকিস্তানে সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পুতিন ইউরোপের জ্বালানি সংকটের জন্য তাদের ‘গ্রিন এজেন্ডাকে’ দায়ী করেন। ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে পুতন বলেন, আপনাদের যদি তাগাদা থাকে, যদি আপনাদের খুব কষ্ট হয়, তা হলে নর্ড স্ট্রিম-২ এর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিন, যা দিয়ে প্রতি বছর ৫ হাজার ৫০০ কোটি কিউবিক মিটার গ্যাস সরবরাহ করা যাবে। কেবল বাটন চাপ দিন, সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। বাল্টিক সাগরের তলদেশে নর্ড স্ট্রিম-১ এর সমান্তরালে থাকা নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইনটি এক বছর আগেই নির্মিত হয়েছিল। রাশিয়া ইউক্রেইনে সেনা পাঠানোর কিছু দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে জার্মানি ওই পাইপলাইনটি নিয়ে অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। রুশ গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় চলতি বছরের শুরুর তুলনায় ইউরোপের দেশগুলোতে এখন গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। বাড়তি এই দাম সাধারণ ইউরোপীয় ভোক্তাদের যেমন ভোগাচ্ছে, তেমনি অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে। রুবলে গ্যাসের দাম পরিশোধে অস্বীকৃতি জানানোয় মস্কো এরই মধ্যে বুলগেরিয়া, পোল্যান্ডসহ একাধিক দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে রুশ গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রম বলেছিল, একটি কম্প্রেসার স্টেশনের একটি টারবাইন থেকে ইঞ্জিনের তেল লিক হওয়ায় তারা ইউরোপে গ্যাস সরবরাহের প্রধান পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম ১ বন্ধ রাখছে। তাদের ওই সিদ্ধান্তের পর থেকে ইউরোপের প্রায় সব দেশেই গ্যাসের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

নিউজ ডেস্ক: রুশ গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপে জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম সাধারণ ভোক্তাদের যেমন ভোগাচ্ছে, তেমনি অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানকেও উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

ইউরোপের জ্বালানি সংকটে রাশিয়ার করার কিছু নেই মন্তব্য করে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন যদি রাশিয়ার কাছ থেকে আরও গ্যাস চায়, সে ক্ষেত্রে তাদের নর্ড স্ট্রিম ২ পাইপলাইন চালুর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ানো নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। খবর রয়টার্সের।

উজবেকিস্তানে সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পুতিন ইউরোপের জ্বালানি সংকটের জন্য তাদের ‘গ্রিন এজেন্ডাকে’ দায়ী করেন।

ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে পুতন বলেন, আপনাদের যদি তাগাদা থাকে, যদি আপনাদের খুব কষ্ট হয়, তা হলে নর্ড স্ট্রিম-২ এর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিন, যা দিয়ে প্রতি বছর ৫ হাজার ৫০০ কোটি কিউবিক মিটার গ্যাস সরবরাহ করা যাবে। কেবল বাটন চাপ দিন, সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে।

বাল্টিক সাগরের তলদেশে নর্ড স্ট্রিম-১ এর সমান্তরালে থাকা নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইনটি এক বছর আগেই নির্মিত হয়েছিল।

রাশিয়া ইউক্রেইনে সেনা পাঠানোর কিছু দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে জার্মানি ওই পাইপলাইনটি নিয়ে অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

রুশ গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় চলতি বছরের শুরুর তুলনায় ইউরোপের দেশগুলোতে এখন গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। বাড়তি এই দাম সাধারণ ইউরোপীয় ভোক্তাদের যেমন ভোগাচ্ছে, তেমনি অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

রুবলে গ্যাসের দাম পরিশোধে অস্বীকৃতি জানানোয় মস্কো এরই মধ্যে বুলগেরিয়া, পোল্যান্ডসহ একাধিক দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে রুশ গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রম বলেছিল, একটি কম্প্রেসার স্টেশনের একটি টারবাইন থেকে ইঞ্জিনের তেল লিক হওয়ায় তারা ইউরোপে গ্যাস সরবরাহের প্রধান পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম ১ বন্ধ রাখছে।

তাদের ওই সিদ্ধান্তের পর থেকে ইউরোপের প্রায় সব দেশেই গ্যাসের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

সূত্র: যুগান্তর