চিলমারীতে গরু-মহিষের অজ্ঞাত রোগ, আতঙ্কে খামারিরা

10
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দুর্গম চরাঞ্চল অষ্টমীরচর এলাকায় অজ্ঞাত রোগে গত দুই সপ্তাহে আটটি মহিষ ও একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। আরও অনেক পশু আক্রান্ত হচ্ছে এ রোগে। অজ্ঞাত এ রোগের কারণে আতঙ্কে রয়েছেন খামারিরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের সালিপাড়া (মানুষ মারার চর) এলাকায় গরু-মহিষের মধ্যে এই রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগে প্রথমে মুখ ঘামতে থাকে। পরে গলা ও পেট ফুলে যায়। শেষপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে পশু মারা যায়। এসব উপসর্গ নিয়ে গত দুই সপ্তাহে ওই এলাকার নায়েব আলী নামে এক ব্যক্তির একদিনে দুটিসহ মোট ছয়টি মহিষ এবং একই এলাকার ফাজু মিয়ার দুটি মহিষ ও সুমার মুন্সির একটি গরু মারা যায়। এ ছাড়া নুরুজ্জামান মিয়ার দুটি মহিষ, কামরুজ্জামান মিয়ার একটি, ফাজু মিয়ার একটি ও সুমার মুন্সির একটি মহিষ আক্রান্ত হওয়ায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে সালিপাড়া এলাকার নুরুজ্জামান মিয়া তার একটি অসুস্থ মহিষ নিয়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এসে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। এ সময় তিনি জানান, চরাঞ্চল থেকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে মহিষ আনতে তিন হাজার টাকা নৌকা ভাড়া দিয়েছেন তিনি। সালিপাড়া এলাকার সুখ চাদ আলী ও মান্নান বেপারি জানান, তাদের ওই গ্রামে অন্তত ২০০ মহিষ রয়েছে। তারা জানান, অসুস্থ গরু-মহিষ নিয়ে উপজেলায় আসার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে চিকিৎসক পাঠিয়ে গরু-মহিষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি জানান তারা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশিদুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মহিষগুলো মারা গেছে। তবে গরু-মহিষ আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোহাম্মদ রাশিদুল হক আরও বলেন, সালিপাড়া এলাকাটি রৌমারীসংলগ্ন হওয়ায় তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। ওই এলাকার মহিষের বিষয়ে এখন থেকে খোঁজ রাখা হবে।

নিউজ ডেস্ক: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দুর্গম চরাঞ্চল অষ্টমীরচর এলাকায় অজ্ঞাত রোগে গত দুই সপ্তাহে আটটি মহিষ ও একটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। আরও অনেক পশু আক্রান্ত হচ্ছে এ রোগে। অজ্ঞাত এ রোগের কারণে আতঙ্কে রয়েছেন খামারিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের সালিপাড়া (মানুষ মারার চর) এলাকায় গরু-মহিষের মধ্যে এই রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগে প্রথমে মুখ ঘামতে থাকে। পরে গলা ও পেট ফুলে যায়। শেষপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে পশু মারা যায়।

এসব উপসর্গ নিয়ে গত দুই সপ্তাহে ওই এলাকার নায়েব আলী নামে এক ব্যক্তির একদিনে দুটিসহ মোট ছয়টি মহিষ এবং একই এলাকার ফাজু মিয়ার দুটি মহিষ ও সুমার মুন্সির একটি গরু মারা যায়।

এ ছাড়া নুরুজ্জামান মিয়ার দুটি মহিষ, কামরুজ্জামান মিয়ার একটি, ফাজু মিয়ার একটি ও সুমার মুন্সির একটি মহিষ আক্রান্ত হওয়ায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার সকালে সালিপাড়া এলাকার নুরুজ্জামান মিয়া তার একটি অসুস্থ মহিষ নিয়ে প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এসে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। এ সময় তিনি জানান, চরাঞ্চল থেকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে মহিষ আনতে তিন হাজার টাকা নৌকা ভাড়া দিয়েছেন তিনি।

সালিপাড়া এলাকার সুখ চাদ আলী ও মান্নান বেপারি জানান, তাদের ওই গ্রামে অন্তত ২০০ মহিষ রয়েছে। তারা জানান, অসুস্থ গরু-মহিষ নিয়ে উপজেলায় আসার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে চিকিৎসক পাঠিয়ে গরু-মহিষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি জানান তারা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশিদুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মহিষগুলো মারা গেছে। তবে গরু-মহিষ আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদ রাশিদুল হক আরও বলেন, সালিপাড়া এলাকাটি রৌমারীসংলগ্ন হওয়ায় তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। ওই এলাকার মহিষের বিষয়ে এখন থেকে খোঁজ রাখা হবে।

সূত্র: যুগান্তর