রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান ইইউর

7
ইউক্রেনের রুশ অধিকৃত শহর ইজিয়ামের বাইরে একটি গণকবর খুঁজে পাওয়ার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইউ)। শনিবার এক টুইটবার্তায় এ আহ্বান জানান, ইইউর প্রেসিডেন্ট ও চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেন লিপাভস্কি। খবর গার্ডিয়ান ও আলজাজিরার। ইইউর প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার বর্বরতা বন্ধ করতে দ্রুত আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার শুরু করতে হবে। ইজিয়ামের গণকবরে পাওয়া প্রায় সব মৃতদেহেই নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় পশ্চিমা নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের পুনর্দখল করা একটি পাইন বনে এই গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। কবরগুলো দ্রুত খনন করে কর্মকর্তারা ৪৫০ জনের মৃত্যু সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। এসব কবরের কোনো কোনোটিতে কাঠের ক্রস দিয়ে চিহ্নিত পাওয়া গেছে। খারকিভ আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ওলেগ সিনেগুবভ সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, এখানে যেসব মৃতদেহ উত্তোলন করা হয়েছে, এদের ৯৯ শতাংশের মধ্যে সহিংসভাবে হত্যার আলামত দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, বেশ কয়েকটি মৃতদেহের পিঠের পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং একজনকে গলায় দড়ি দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া শুধু হত্যা, নির্যাতন ও দুর্ভোগের চিহ্ন রেখে গেছে। তিনি আরও বলেন, কিছু দেহাবশেষ তোলা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে শিশু এবং অনেক লোককে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, প্রায় সাত মাসের দীর্ঘ যুদ্ধে রুশদের রেখে যাওয়া নতুন একটি গণকবর আবিষ্কারে আমরা ‘গভীরভাবে মর্মাহত’। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং জেনেভা কনভেনশনকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে রুশ বাহিনীর এই অমানবিক আচরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, কবরগুলো আরও প্রমাণ দিয়েছে যে রাশিয়া তার পশ্চিমপন্থি প্রতিবেশী দেশটিতে যুদ্ধাপরাধ করছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইজিউমে যা ঘটেছে তা নৃশংসতা। জাতিসংঘ রাশিয়ার বিরোধিতাকে উপেক্ষা করে জেলেনস্কিকে ভিডিওর মাধ্যমে আগামী সপ্তাহের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার অনুমতির পক্ষে ভোট দেয়। ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১০১ টি দেশ সাধারণ পরিষদে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হয়ে জেলেনস্কিকে একটি রেকর্ড করা বিবৃতি উপস্থাপন করার অনুমতি দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে। রাশিয়াসহ সাতটি সদস্য দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন এবং ১৯ দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের রুশ অধিকৃত শহর ইজিয়ামের বাইরে একটি গণকবর খুঁজে পাওয়ার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইউ)।

শনিবার এক টুইটবার্তায় এ আহ্বান জানান, ইইউর প্রেসিডেন্ট ও চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেন লিপাভস্কি। খবর গার্ডিয়ান ও আলজাজিরার।

ইইউর প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার বর্বরতা বন্ধ করতে দ্রুত আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার শুরু করতে হবে।

ইজিয়ামের গণকবরে পাওয়া প্রায় সব মৃতদেহেই নির্যাতনের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় পশ্চিমা নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের পুনর্দখল করা একটি পাইন বনে এই গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। কবরগুলো দ্রুত খনন করে কর্মকর্তারা ৪৫০ জনের মৃত্যু সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। এসব কবরের কোনো কোনোটিতে কাঠের ক্রস দিয়ে চিহ্নিত পাওয়া গেছে।

খারকিভ আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান ওলেগ সিনেগুবভ সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, এখানে যেসব মৃতদেহ উত্তোলন করা হয়েছে, এদের ৯৯ শতাংশের মধ্যে সহিংসভাবে হত্যার আলামত দেখা গেছে।

তিনি আরও বলেন, বেশ কয়েকটি মৃতদেহের পিঠের পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং একজনকে গলায় দড়ি দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া শুধু হত্যা, নির্যাতন ও দুর্ভোগের চিহ্ন রেখে গেছে।

তিনি আরও বলেন,  কিছু দেহাবশেষ তোলা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে শিশু এবং অনেক লোককে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, প্রায় সাত মাসের দীর্ঘ যুদ্ধে রুশদের রেখে যাওয়া নতুন একটি গণকবর আবিষ্কারে আমরা ‘গভীরভাবে মর্মাহত’।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং জেনেভা কনভেনশনকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে রুশ বাহিনীর এই অমানবিক আচরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, কবরগুলো আরও প্রমাণ দিয়েছে যে রাশিয়া তার পশ্চিমপন্থি প্রতিবেশী দেশটিতে যুদ্ধাপরাধ করছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইজিউমে যা ঘটেছে তা নৃশংসতা।

জাতিসংঘ রাশিয়ার বিরোধিতাকে উপেক্ষা করে জেলেনস্কিকে ভিডিওর মাধ্যমে আগামী সপ্তাহের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার অনুমতির পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১০১ টি দেশ সাধারণ পরিষদে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হয়ে জেলেনস্কিকে একটি রেকর্ড করা বিবৃতি উপস্থাপন করার অনুমতি দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে।

রাশিয়াসহ সাতটি সদস্য দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন এবং ১৯ দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

সূত্র: যুগান্তর