ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে এরদোগান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন: পুতিন

3
ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে এরদোগান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরদোগানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এরদোগান সর্বদা জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যদিও জেলেনস্কি এ সময় সমরকন্দে তা করেননি। এভাবেই তুরস্কের নেতা সংঘাত থামাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। শুক্রবার উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রশংসা করেন পুতিন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের সঙ্গে শস্য সংক্রান্ত চুক্তিকে সুবিধাজনক করায় তুর্কি প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান পুতিন। খবর ডেইলি সাবাহ। ধন্যবাদের কারণ হিসেবে পুতিন বলেন, যুদ্ধের ওই সময়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত ছিলেন না। এরদোগান তাকে উদ্যোগী করেছেন। খবরে বলা হয়, সাংহাই কো-অপরাশেন সামিট চলার সময় তুরস্কের সঙ্গে রাশিয়ার পার্শ্ব রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। সেখানে তুর্কি প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন পুতিন। এদিকে ক্রেমলিনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পুতিন আশা করছেন ইউক্রেনের খাদ্যশস্য দরিদ্র দেশগুলোতে পাঠানো হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্কের বন্দর দিয়ে রাশিয়ার খাদ্যশস্যের চালান পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে এরদোগান বলেছেন, তুরস্ক চায় রাশিয়ার পণ্য রপ্কানির প্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে। একইভাবে ইউক্রেনের রপ্তানি চুক্তিও প্রক্রিয়াধীন। তার আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর চাপ প্রয়োগ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রাশিয়ার সার রপ্তানির ওপর থেকে অবরোধ উঠানোর জন্য পুতিন জাতিসংঘকে আহ্বান জানান। পুতিন বলেন, বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনামূল্যে রাশিয়া তিন লাখ টন সার দিতে প্রস্তুত রাশিয়া।

নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে এরদোগান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এরদোগানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এরদোগান সর্বদা জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যদিও জেলেনস্কি এ সময় সমরকন্দে তা করেননি। এভাবেই তুরস্কের নেতা সংঘাত থামাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

শুক্রবার উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রশংসা করেন পুতিন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের সঙ্গে শস্য সংক্রান্ত চুক্তিকে সুবিধাজনক করায় তুর্কি প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান পুতিন। খবর ডেইলি সাবাহ।

ধন্যবাদের কারণ হিসেবে পুতিন বলেন, যুদ্ধের ওই সময়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত ছিলেন না। এরদোগান তাকে উদ্যোগী করেছেন।

খবরে বলা হয়, সাংহাই কো-অপরাশেন সামিট চলার সময় তুরস্কের সঙ্গে রাশিয়ার পার্শ্ব রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। সেখানে তুর্কি প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন পুতিন।

এদিকে ক্রেমলিনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পুতিন আশা করছেন ইউক্রেনের খাদ্যশস্য দরিদ্র দেশগুলোতে পাঠানো হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্কের বন্দর দিয়ে রাশিয়ার খাদ্যশস্যের চালান পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে এরদোগান বলেছেন, তুরস্ক চায় রাশিয়ার পণ্য রপ্কানির প্রক্রিয়া আবার শুরু হচ্ছে। একইভাবে ইউক্রেনের রপ্তানি চুক্তিও প্রক্রিয়াধীন।

তার আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর চাপ প্রয়োগ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে রাশিয়ার সার রপ্তানির ওপর থেকে অবরোধ উঠানোর জন্য পুতিন জাতিসংঘকে আহ্বান জানান। পুতিন বলেন, বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিনামূল্যে রাশিয়া তিন লাখ টন সার দিতে প্রস্তুত রাশিয়া।

সূত্র: যুগান্তর