মেয়েদের কৃতিত্ব দিলেন কোচ

1
আগের দিন অনুশীলনে চোট পেয়েছিলেন সানজিদা আক্তার। পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে অনুশীলন করেন আঁখি খাতুন। সেমিফাইনালে তার কোনো প্রভাবই পড়েনি। ফরোয়ার্ড সিরাত জাহান ইনজুরির দরুন মাঠ ছাড়লেও খেলার গতি এতটুকুও কমেনি। এতেই বোঝা যায়, কাল কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে মেয়েদের সাফে ভুটানের বিপক্ষে ৮-০ গোলের বড় জয়ে কতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সাবিনারা। ম্যাচ শেষে কোচ গোলাম রব্বানীর কথা, ‘আমি এমন জয়ের কৃতিত্ব দিতে চাই মেয়েদের। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে মেয়েরা। ভুটানও ভালো খেলেছে।’ কোচ বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল ফাইনাল। মেয়েরা সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে। এখন শিরোপা জেতার লক্ষ্য। চ্যাম্পিয়ন হলে উৎসব করবে মেয়েরা।’ সিরাত জাহানের ইনজুরি নিয়ে চিন্তিত নন তিনি, ‘সিরাতের কাফ মাসলে ইনজুরি। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে।’ গোলাম রব্বানী বলেন, ‘ম্যাচে কত গোল হবে তা ভাবিনি। জেতাটা আমাদের জন্য জরুরি ছিল। আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম ফাইনালে যাব। কোচের কথা, ‘আজ রিজার্ভ বেঞ্চে থাকা অনেককেই পরখ করা হয়েছে। আশা করি পরে যে যখন মাঠে নামবে সেরাটাই দেবে।’ কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলে ফাইনালে উঠতে পেরে খুশি সাবিনা খাতুন, ‘স্যার (গোলাম রব্বানী) সব সময় আমাদের সঙ্গে থাকেন। পরিশ্রমী, অবশ্যই ফল পাবে। আমাদের এই সফলতার সবটুকু স্যারের কৃতিত্ব। স্যারের মতো একজন শিক্ষক পেয়েছি বলেই আমরা এত উজ্জীবিত।’ কোথায় থামতে চান? এমন প্রশ্নের জবাবে সাবিনা, ‘নিজের সর্বোচ্চটা সব সময় দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’ দেশের ফুটবলের উন্নতি হয়েছে মন্তব্য করে সাবিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবল যে উন্নতি করেছে তার চিত্র আপনারা দেখছেন।’

নিউজ ডেস্ক: আগের দিন অনুশীলনে চোট পেয়েছিলেন সানজিদা আক্তার। পায়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে অনুশীলন করেন আঁখি খাতুন। সেমিফাইনালে তার কোনো প্রভাবই পড়েনি।

ফরোয়ার্ড সিরাত জাহান ইনজুরির দরুন মাঠ ছাড়লেও খেলার গতি এতটুকুও কমেনি। এতেই বোঝা যায়, কাল কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে মেয়েদের সাফে ভুটানের বিপক্ষে ৮-০ গোলের বড় জয়ে কতটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সাবিনারা।

ম্যাচ শেষে কোচ গোলাম রব্বানীর কথা, ‘আমি এমন জয়ের কৃতিত্ব দিতে চাই মেয়েদের। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে মেয়েরা। ভুটানও ভালো খেলেছে।’ কোচ বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল ফাইনাল। মেয়েরা সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে। এখন শিরোপা জেতার লক্ষ্য। চ্যাম্পিয়ন হলে উৎসব করবে মেয়েরা।’ সিরাত জাহানের ইনজুরি নিয়ে চিন্তিত নন তিনি, ‘সিরাতের কাফ মাসলে ইনজুরি। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে।’

গোলাম রব্বানী বলেন, ‘ম্যাচে কত গোল হবে তা ভাবিনি। জেতাটা আমাদের জন্য জরুরি ছিল। আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম ফাইনালে যাব। কোচের কথা, ‘আজ রিজার্ভ বেঞ্চে থাকা অনেককেই পরখ করা হয়েছে। আশা করি পরে যে যখন মাঠে নামবে সেরাটাই দেবে।’

কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলে ফাইনালে উঠতে পেরে খুশি সাবিনা খাতুন, ‘স্যার (গোলাম রব্বানী) সব সময় আমাদের সঙ্গে থাকেন। পরিশ্রমী, অবশ্যই ফল পাবে। আমাদের এই সফলতার সবটুকু স্যারের কৃতিত্ব। স্যারের মতো একজন শিক্ষক পেয়েছি বলেই আমরা এত উজ্জীবিত।’ কোথায় থামতে চান? এমন প্রশ্নের জবাবে সাবিনা, ‘নিজের সর্বোচ্চটা সব সময় দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’ দেশের ফুটবলের উন্নতি হয়েছে মন্তব্য করে সাবিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবল যে উন্নতি করেছে তার চিত্র আপনারা দেখছেন।’

সূত্র: যুগান্তর