বিদেশি ঋণের প্রকল্পে পরামর্শকের বোঝা

2
বৈদেশিক ঋণের প্রকল্পে পরামর্শকের লাগাম টানা যাচ্ছে না। ২ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকার এক প্রকল্পে পরামর্শক খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৩ কোটি টাকা। যার যৌক্তিকতা ও বাস্তবতা নিয়ে ঘোর আপত্তি তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। স্থানীয় সরকার বিভাগের এ প্রকল্পটি ফেরত দিয়ে এত বেশি ব্যয়ের ব্যাখা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রকল্পটির বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমাতে গঠন করা হয়েছে কমিটি। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, ‘উন্নয়ন সহযোগীরা চাইলেই পরামর্শক নেওয়া উচিত নয়। দক্ষতা যাচাই ছাড়া পরামর্শক নেওয়া যাবে না।’ বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘পরামর্শকের ক্ষেত্রে নিজস্ব দক্ষতা তৈরি করতে হবে। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। তবুও স্বাধীনতার এত বছরে বিভিন্ন খাতে দক্ষ পরামর্শক তৈরি হওয়া উচিত ছিল।’ তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত প্রকল্পে কেন পরামর্শক লাগবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। কেননা এলজিইডির অভ্যন্তরীণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মধ্যেই এগুলো করা উচিত ছিল। সূত্র জানায়, ‘উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহিঞ্চু প্রকল্পে’ এমন ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারি তহবিলের ৫১৬ কোটি টাকা, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ ২ হাজার ১১৫ কোটি টাকা এবং অনুদান ৩৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। এ প্রকল্পে পরামর্শক খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ১৪৩ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ২৯টি পিকআপ কেনার প্রস্তাবও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যে এলাকায় কখনও সাইক্লোন হয়নি, সেখানেই দুটি শেল্টার নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে আছে নানা অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ও। ২৫ আগস্ট নতুন প্রস্তাবটি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা। ওই সভায় এসব বিষয়ে আপত্তি দেওয়া হয়। পিইসি সভার সভাপতি পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) সত্যজিত কর্মকার সভায় বলেন, ‘সদ্যসমাপ্ত প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত প্রকল্পের ৩০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ কার্যক্রমও প্রায় একই প্রকৃতির। এরপরও এই প্রকল্পে ১৪৩ কোটি টাকা পরামর্শক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। তাই একই প্রকৃতির বিষয়ভিত্তিক পরামর্শকের সংখ্যা ও জনমাস (কতজন, কত মাস কাজ করবে) কমিয়ে এ খাতের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমাতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফার্ম (প্রতিষ্ঠান) পরামর্শকের পরিবর্তে ব্যক্তি পরামর্শক নিয়োগ করা হলে প্রকল্পের কাজ অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।’ এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ দেওয়া হয়। পরিকল্পনা কমিশনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, এই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে পরামর্শক খাতে ব্যয় কমিয়ে ১২৮-১৩০ কোটি টাকার মধ্যে নামিয়ে আনা হতে পারে। বৈদেশিক ঋণের প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগের বাধ্যবাধকতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম রোববার যুগান্তরকে বলেন, ‘এটা ঠিক নয়। ঋণ বা অনুদান দিলেই যে তাদের কথামতো পরামর্শক নিতে হবে এমনটা হতে পারে না। তবে টেকনিক্যাল কারণে অনেক সময় পরামর্শক প্রয়োজন হতে পারে। সেটি নেওয়ার ক্ষেত্রেও দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করে দেখা উচিত।’ উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ডেল্টা প্ল্যান তৈরি করি তখন নেদারল্যান্ডস থেকে যে পরামর্শক দেওয়া হয়েছিল দক্ষতা কম থাকায় তাদের নেইনি।’ কথা হয় ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সাবেক সদস্য ও বর্তমান পরিকল্পনা সচিব মামুন-আল-রশীদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পরামর্শক নিয়োগ কোনো চুক্তির শর্ত নয়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই যারা ঋণ বা অনুদান দেয় তাদের পক্ষ থেকে পরামর্শকের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাদের আলোচনার মধ্যেও পরামর্শকের বিষয়টি থাকে। তবে আমাদের দেখতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সত্যিই এত পরামর্শকের প্রয়োজন আছে কিনা।’ সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় দুটি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এ পৌরসভা দুটিকে কখনও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস হয় না। এখানে সাইক্লোন শেল্টারের পরিবর্তে দৃশ্যমান ও প্রয়োজনীয় ভৌত নির্মাণ কাজ করার সুপারিশ দেওয়া হয় পিইসি সভায়। ফলে এই সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া অর্থ বিভাগের প্রকল্পটির জন্য ২৫২ জন পরার্শকের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এর বিপরীতে অর্থ বিভাগ ৬৫ জন জনবল অনুমোদন করেছে। প্রকল্পের আওতায় ২৯টি পিকআপ ভ্যান ও ৭টি জিপ কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু অর্থবিভাগ মাত্র ৩ জন ড্রাইভারের অনুমোদন দিয়েছে। এ কারণে ৩টি জিপ কেনার সুপারিশ করেছে পিইসি। এতে জনবল ও যানবাহন খাতে অর্থ সাশ্রয় হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের জনবল, গাড়ি, পরামর্শক ব্যয় ছাড়াও জ্বালানি, মেরামত, স্থানীয় ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, কম্পিউটার, সেমিনার এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ব্যয় কমানোর সুযোগ আছে। এজন্য দ্রুত ব্যয় কমাতে তিন সদস্যের একটি ব্যয় যুক্তিযুক্তকরণ কমিটি গঠন করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব আবু মো. মহিউদ্দিন কাদেরী যুগান্তরকে বলেন, ‘যে কোনো বিদেশি ঋণ নিতে গেলে উন্নয়ন সহযোগীদের পরামর্শকের ব্যাপারে কিছু বক্তব্য থাকে। এটা ইআরডির সঙ্গে যখন ঋণ নিয়ে আলোচনা হয় তখনই তারা বলে কোন কোন খাতে পরামর্শক নিতে হবে। এ প্রকল্পে এডিবির পক্ষ থেকে মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৭ শতাংশ পরামর্শক ব্যয়ের প্রস্তাব করা ছিল। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার পর সেটি কমিয়ে ৫ শতাংশের নিচে নিয়ে আসা হয়েছে।’

নিউজ ডেস্ক: বৈদেশিক ঋণের প্রকল্পে পরামর্শকের লাগাম টানা যাচ্ছে না। ২ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকার এক প্রকল্পে পরামর্শক খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৩ কোটি টাকা। যার যৌক্তিকতা ও বাস্তবতা নিয়ে ঘোর আপত্তি তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন। স্থানীয় সরকার বিভাগের এ প্রকল্পটি ফেরত দিয়ে এত বেশি ব্যয়ের ব্যাখা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রকল্পটির বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমাতে গঠন করা হয়েছে কমিটি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, ‘উন্নয়ন সহযোগীরা চাইলেই পরামর্শক নেওয়া উচিত নয়। দক্ষতা যাচাই ছাড়া পরামর্শক নেওয়া যাবে না।’

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘পরামর্শকের ক্ষেত্রে নিজস্ব দক্ষতা তৈরি করতে হবে। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। তবুও স্বাধীনতার এত বছরে বিভিন্ন খাতে দক্ষ পরামর্শক তৈরি হওয়া উচিত ছিল।’ তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত প্রকল্পে কেন পরামর্শক লাগবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। কেননা এলজিইডির অভ্যন্তরীণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মধ্যেই এগুলো করা উচিত ছিল।

সূত্র জানায়, ‘উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহিঞ্চু প্রকল্পে’ এমন ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারি তহবিলের ৫১৬ কোটি টাকা, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ ২ হাজার ১১৫ কোটি টাকা এবং অনুদান ৩৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

এ প্রকল্পে পরামর্শক খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ১৪৩ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ২৯টি পিকআপ কেনার প্রস্তাবও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যে এলাকায় কখনও সাইক্লোন হয়নি, সেখানেই দুটি শেল্টার নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে আছে নানা অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ও। ২৫ আগস্ট নতুন প্রস্তাবটি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা। ওই সভায় এসব বিষয়ে আপত্তি দেওয়া হয়।

পিইসি সভার সভাপতি পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) সত্যজিত কর্মকার সভায় বলেন, ‘সদ্যসমাপ্ত প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত প্রকল্পের ৩০ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ কার্যক্রমও প্রায় একই প্রকৃতির। এরপরও এই প্রকল্পে ১৪৩ কোটি টাকা পরামর্শক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে। তাই একই প্রকৃতির বিষয়ভিত্তিক পরামর্শকের সংখ্যা ও জনমাস (কতজন, কত মাস কাজ করবে) কমিয়ে এ খাতের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে কমাতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফার্ম (প্রতিষ্ঠান) পরামর্শকের পরিবর্তে ব্যক্তি পরামর্শক নিয়োগ করা হলে প্রকল্পের কাজ অধিক ফলপ্রসূ হতে পারে।’ এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ দেওয়া হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, এই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে পরামর্শক খাতে ব্যয় কমিয়ে ১২৮-১৩০ কোটি টাকার মধ্যে নামিয়ে আনা হতে পারে।

বৈদেশিক ঋণের প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগের বাধ্যবাধকতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম রোববার যুগান্তরকে বলেন, ‘এটা ঠিক নয়। ঋণ বা অনুদান দিলেই যে তাদের কথামতো পরামর্শক নিতে হবে এমনটা হতে পারে না। তবে টেকনিক্যাল কারণে অনেক সময় পরামর্শক প্রয়োজন হতে পারে। সেটি নেওয়ার ক্ষেত্রেও দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করে দেখা উচিত।’ উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ডেল্টা প্ল্যান তৈরি করি তখন নেদারল্যান্ডস থেকে যে পরামর্শক দেওয়া হয়েছিল দক্ষতা কম থাকায় তাদের নেইনি।’

কথা হয় ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সাবেক সদস্য ও বর্তমান পরিকল্পনা সচিব মামুন-আল-রশীদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পরামর্শক নিয়োগ কোনো চুক্তির শর্ত নয়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই যারা ঋণ বা অনুদান দেয় তাদের পক্ষ থেকে পরামর্শকের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাদের আলোচনার মধ্যেও পরামর্শকের বিষয়টি থাকে। তবে আমাদের দেখতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সত্যিই এত পরামর্শকের প্রয়োজন আছে কিনা।’

সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় দুটি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এ পৌরসভা দুটিকে কখনও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস হয় না। এখানে সাইক্লোন শেল্টারের পরিবর্তে দৃশ্যমান ও প্রয়োজনীয় ভৌত নির্মাণ কাজ করার সুপারিশ দেওয়া হয় পিইসি সভায়। ফলে এই সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া অর্থ বিভাগের প্রকল্পটির জন্য ২৫২ জন পরার্শকের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এর বিপরীতে অর্থ বিভাগ ৬৫ জন জনবল অনুমোদন করেছে। প্রকল্পের আওতায় ২৯টি পিকআপ ভ্যান ও ৭টি জিপ কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু অর্থবিভাগ মাত্র ৩ জন ড্রাইভারের অনুমোদন দিয়েছে। এ কারণে ৩টি জিপ কেনার সুপারিশ করেছে পিইসি। এতে জনবল ও যানবাহন খাতে অর্থ সাশ্রয় হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের জনবল, গাড়ি, পরামর্শক ব্যয় ছাড়াও জ্বালানি, মেরামত, স্থানীয় ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, কম্পিউটার, সেমিনার এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ব্যয় কমানোর সুযোগ আছে। এজন্য দ্রুত ব্যয় কমাতে তিন সদস্যের একটি ব্যয় যুক্তিযুক্তকরণ কমিটি গঠন করা হয়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব আবু মো. মহিউদ্দিন কাদেরী যুগান্তরকে বলেন, ‘যে কোনো বিদেশি ঋণ নিতে গেলে উন্নয়ন সহযোগীদের পরামর্শকের ব্যাপারে কিছু বক্তব্য থাকে। এটা ইআরডির সঙ্গে যখন ঋণ নিয়ে আলোচনা হয় তখনই তারা বলে কোন কোন খাতে পরামর্শক নিতে হবে। এ প্রকল্পে এডিবির পক্ষ থেকে মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৭ শতাংশ পরামর্শক ব্যয়ের প্রস্তাব করা ছিল। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার পর সেটি কমিয়ে ৫ শতাংশের নিচে নিয়ে আসা হয়েছে।’

সূত্র: যুগান্তর