তাইওয়ানকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

3
বেইজিংয়ের সঙ্গে তাইওয়ানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট থেকে প্রথমবারের মতো তাইপেকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুধবার মার্কিন সিনেট এই বিল পাশ করে। খবর এএফপির। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক দশক ধরে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করেছে। কিন্তু নতুন আইনটি চার বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ৪.৫ বিলিয়ন ডলার নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে। এছাড়া বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করার একটি পদক্ষেপ বলে ধারনা করা হচ্ছে। চীন যদি দ্বীপটি দখলের চেষ্টা করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করে তবে এই পদক্ষেপের কারণে চীন সেটা পারবে না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষের সমর্থনে, সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটি তাইওয়ান নীতি আইন অনুমোদন করেছে, যা ১৯৭৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাইপেই থেকে বেইজিংয়ের স্বীকৃতি পরিবর্তন করার পর থেকে সম্পর্কের নতুন পথে এগিয়ে গেল। রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পরে এবং হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইপে সফরের পরে তাইওয়ানের জন্য উদ্বেগের কারণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই আইন পাশ করল। সিনেটর বাইডেনের ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য বব মেনেনডেজ এই কমিটির নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেইজিংয়ের সঙ্গে যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে চীনের প্রতি স্বচ্ছ দৃষ্টি থাকা দরকার। মেনেনডেজ বলেন, আমরা সতর্কতার সঙ্গে এবং কৌশলগতভাবে তাইওয়ানের অস্তিত্বের হুমকিগুলোকে কমিয়ে দিচ্ছি। এ দিকে চাইনিজ মিলিটারি অ্যান্ড সিকিউরিটিজ পলিসি ও এশিয়া-প্যাসিফিক সিকিউরিটিজ ইস্যুজ নিয়ে গবেষণা করা স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির, ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর ওরিয়ানা স্কাইলার মাস্ট্রোর মতানুসারে, তাইওয়ান নিয়ে যুদ্ধে যদি চীন বিজয়ী হয়, তাহলে এশিয়া মহাদেশের কৌশলগত মানচিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে। তাইওয়ান নিয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান যদি বেশি বাড়াবাড়ি না করে, তাহলে বিরাজমান উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। চীনও হয়তো এ মুহূর্তে বড় কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না। যুক্তরাষ্ট্র যদি তার এশিয়ান মিত্রদের নিয়ে দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারে তাইওয়ান ইস্যুকে ব্যবহার করার চেষ্টা করে, তাহলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে বলা যাচ্ছে না। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা লাভ-ক্ষতির হিসাব করেই পা বাড়াবে বলে আশা করা যায়।

নিউজ ডেস্ক: বেইজিংয়ের সঙ্গে তাইওয়ানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট থেকে প্রথমবারের মতো তাইপেকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার মার্কিন সিনেট এই বিল পাশ করে। খবর এএফপির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক দশক ধরে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করেছে। কিন্তু নতুন আইনটি চার বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ৪.৫ বিলিয়ন ডলার নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে। এছাড়া বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করার একটি পদক্ষেপ বলে ধারনা করা হচ্ছে। চীন যদি দ্বীপটি দখলের চেষ্টা করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করে তবে এই পদক্ষেপের কারণে চীন সেটা পারবে না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষের সমর্থনে, সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটি তাইওয়ান নীতি আইন অনুমোদন করেছে, যা ১৯৭৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাইপেই থেকে বেইজিংয়ের স্বীকৃতি পরিবর্তন করার পর থেকে সম্পর্কের নতুন পথে এগিয়ে গেল।

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পরে এবং হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইপে সফরের পরে তাইওয়ানের জন্য উদ্বেগের কারণ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই আইন পাশ করল।

সিনেটর বাইডেনের ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য বব মেনেনডেজ এই কমিটির নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেইজিংয়ের সঙ্গে যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে চীনের প্রতি স্বচ্ছ দৃষ্টি থাকা দরকার।

মেনেনডেজ বলেন, আমরা সতর্কতার সঙ্গে এবং কৌশলগতভাবে তাইওয়ানের অস্তিত্বের হুমকিগুলোকে কমিয়ে দিচ্ছি।

এ দিকে চাইনিজ মিলিটারি অ্যান্ড সিকিউরিটিজ পলিসি ও এশিয়া-প্যাসিফিক সিকিউরিটিজ ইস্যুজ নিয়ে গবেষণা করা স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির, ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর ওরিয়ানা স্কাইলার মাস্ট্রোর মতানুসারে, তাইওয়ান নিয়ে যুদ্ধে যদি চীন বিজয়ী হয়, তাহলে এশিয়া মহাদেশের কৌশলগত মানচিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে। তাইওয়ান নিয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান যদি বেশি বাড়াবাড়ি না করে, তাহলে বিরাজমান উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। চীনও হয়তো এ মুহূর্তে বড় কোনো যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না।

যুক্তরাষ্ট্র যদি তার এশিয়ান মিত্রদের নিয়ে দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারে তাইওয়ান ইস্যুকে ব্যবহার করার চেষ্টা করে, তাহলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে বলা যাচ্ছে না। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা লাভ-ক্ষতির হিসাব করেই পা বাড়াবে বলে আশা করা যায়।

সূত্র: যুগান্তর