আগের নাম ফিরে পাচ্ছে কাজাখস্তানের রাজধানী

3
আগের নামে ফিরে যাচ্ছে কাজাখস্তানের রাজধানী। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে দেশটির রাজধানীর নতুন নামকরণ হচ্ছে। ‘নুরসুলতান’ সামনে আস্তানা নামেই বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিতি পাবে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের সমর্থন জানিয়েছেন কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভ। খবর ডেইলি সাবাহর। খবরে বলা হয়, ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের পদত্যাগের পর তার প্রতি সম্মান রেখে প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভের বেশ কিছু কার্যক্রমের মধ্যে একটি ছিল কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানার পরিবর্তে নুরসুলতান করা। এ বিষয়ে তোকায়েভের মুখপাত্র রুসলান ঝেলিভান বলেন, একদল সংসদ সদস্যের উদ্যোগে রাজধানীর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট সম্মতি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত নাজারবায়েভ সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীন এবং ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিন দশক ধরে কাজাখস্তানের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৯৯৭ সালে দেশটির রাজধানী আলমাতি থেকে আস্তানায় স্থানান্তর করেন। তার এই পদক্ষেপ মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। কারণ হলো— উত্তরাঞ্চলের শুকনো ও জঙ্গলময় রাজধানীটি ছিল একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল। এ ছাড়া এখানকার হিমশীতল তাপমাত্রার জন্য জায়গাটি পরিচিত ছিল। এখানকার তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে তিনি শহরটিকে জমকালো স্থাপত্যের একটি নিদর্শনে পরিণত করেছিলেন। সেখানে একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার রয়েছে, যার মাধ্যমে দর্শকরা নাজারবায়েভের অমর কীর্তির স্বাক্ষর দেখতে পারবেন। তবে পদত্যাগের পরও দেশটির ক্ষমতাসীন দলের প্রধান এবং নিরাপত্তা পরিষদের ওপর নাজারাবায়েভের প্রবল কর্তৃত্ব ছিল। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে মারাত্মক অস্থিরতার পরে তোকায়েভ তাকে সেই পদগুলো থেকে সরিয়ে দেন। কারণ এসব নিয়ে জনমনে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।

নিউজ ডেস্ক: আগের নামে ফিরে যাচ্ছে কাজাখস্তানের রাজধানী। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে দেশটির রাজধানীর নতুন নামকরণ হচ্ছে। ‘নুরসুলতান’ সামনে আস্তানা নামেই বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিতি পাবে।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের সমর্থন জানিয়েছেন কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভ। খবর ডেইলি সাবাহর।

খবরে বলা হয়, ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের পদত্যাগের পর তার প্রতি সম্মান রেখে প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভের বেশ কিছু কার্যক্রমের মধ্যে একটি ছিল কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানার পরিবর্তে নুরসুলতান করা।

এ বিষয়ে তোকায়েভের মুখপাত্র রুসলান ঝেলিভান বলেন, একদল সংসদ সদস্যের উদ্যোগে রাজধানীর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট সম্মতি দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত নাজারবায়েভ সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীন এবং ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিন দশক ধরে কাজাখস্তানের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৯৯৭ সালে দেশটির রাজধানী আলমাতি থেকে আস্তানায় স্থানান্তর করেন। তার এই পদক্ষেপ মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। কারণ হলো—  উত্তরাঞ্চলের শুকনো ও জঙ্গলময় রাজধানীটি ছিল একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল। এ ছাড়া এখানকার হিমশীতল তাপমাত্রার জন্য জায়গাটি পরিচিত ছিল। এখানকার তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে তিনি শহরটিকে জমকালো স্থাপত্যের একটি নিদর্শনে পরিণত করেছিলেন। সেখানে একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার রয়েছে, যার মাধ্যমে দর্শকরা নাজারবায়েভের অমর কীর্তির স্বাক্ষর দেখতে পারবেন।

তবে পদত্যাগের পরও দেশটির ক্ষমতাসীন দলের প্রধান এবং নিরাপত্তা পরিষদের ওপর নাজারাবায়েভের প্রবল কর্তৃত্ব ছিল। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে মারাত্মক অস্থিরতার পরে তোকায়েভ তাকে সেই পদগুলো থেকে সরিয়ে দেন। কারণ এসব নিয়ে জনমনে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল।

সূত্র: যুগান্তর