বিদেশি বিনিয়োগে বড় বাধা হয়রানি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

4
দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধা হচ্ছে হয়রানি-এমনটাই দাবি করেছেন পরাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বিশ্বের মধ্যে ১৬৮তম স্থানে অবস্থান করছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এটাও বড় ধরনের আরেকটি প্রতিবন্ধকতা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, কমিটির ওই বৈঠকে দেশে বিনিয়োগের বাধা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক কনেক কষ্ট করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা বলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আনা হলেও তারা বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং অন্যদেরকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে নিরুৎসাহিত করছেন। এছাড়া অনেক প্রবাসী বাঙালি দেশে বিনিয়োগ করতে চাইলেও তাদের জমি দখল, বাড়ি দখল থেকে শুরু করে নানাভাবে হয়রানি করা হয়। ফলে তারাও দেশে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে না পারলে দেশে কোনো বিনিয়োগ হবে না। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক খান এতে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. হাবিবে মিল্লাত, নাহিম রাজ্জাক, নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কমিটির সদস্য, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বৈঠকে বলেন, একজন তরুণ উদ্যোক্তা কোথাও বিনিয়োগ করতে চাইলে তাকে বিভিন্ন সেক্টরে গিয়ে ধরনা দিতে হয়। এমন কি জনপ্রতিনিধি হিসাবে সুপারিশ করার পরেও বিনিয়োগকারীরা সঠিকভাবে দেশে বিনিয়োগ করতে পারছেন না। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশই এখানে বিনিয়োগে না করে বাধ্য হয়ে তাদের দেশে ফিরে যাচ্ছেন। তিনি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতাগুলো চিহ্নিত করে তা নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান। বৈঠকে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা, চাল, গম, ভোজ্যতেলের পাশাপাশি সার, গ্যাস, কয়লা আমদানি নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে গম কিনে তৃতীয় কোনো দেশে তা বিক্রি করে দেওয়ায় তারা বাংলাদেশে গম রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলো গম বিক্রির ক্ষেত্রে ভারতের কোনো আপত্তি নেই। কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক ইন্দোনেশিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও কয়লা আমদানি করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য বলেন বৈঠকে। কমিটির সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক খান খাদ্যশস্য কাছাকাছি কোনো দেশ থেকে আমদানির পরামর্শ দিয়ে বলেন, এতে করে পরিবহণ খরচ কম হবে। বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ থেমে গেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে জানান, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করলে বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। সেই সময় রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন সরকার একটি সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তন হলে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আর যোগাযোগ করা হয়নি। এমনকি সেই সিদ্ধান্তের কপি কোথাও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। ওই সময় পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন শফি সামি এবং আমেরিকায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন তারিক করিম। কমিটির পক্ষ থেকে প্রয়োজনে তাদের দুজনের কাছ থেকে মতামত নেওয়ার প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

নিউজ ডেস্ক: দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় বাধা হচ্ছে হয়রানি-এমনটাই দাবি করেছেন পরাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বিশ্বের মধ্যে ১৬৮তম স্থানে অবস্থান করছে।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এটাও বড় ধরনের আরেকটি প্রতিবন্ধকতা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, কমিটির ওই বৈঠকে দেশে বিনিয়োগের বাধা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক কনেক কষ্ট করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা বলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আনা হলেও তারা বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং অন্যদেরকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে নিরুৎসাহিত করছেন।

এছাড়া অনেক প্রবাসী বাঙালি দেশে বিনিয়োগ করতে চাইলেও তাদের জমি দখল, বাড়ি দখল থেকে শুরু করে নানাভাবে হয়রানি করা হয়। ফলে তারাও দেশে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে না পারলে দেশে কোনো বিনিয়োগ হবে না।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক খান এতে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. হাবিবে মিল্লাত, নাহিম রাজ্জাক, নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কমিটির সদস্য, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বৈঠকে বলেন, একজন তরুণ উদ্যোক্তা কোথাও বিনিয়োগ করতে চাইলে তাকে বিভিন্ন সেক্টরে গিয়ে ধরনা দিতে হয়।

এমন কি জনপ্রতিনিধি হিসাবে সুপারিশ করার পরেও বিনিয়োগকারীরা সঠিকভাবে দেশে বিনিয়োগ করতে পারছেন না। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশই এখানে বিনিয়োগে না করে বাধ্য হয়ে তাদের দেশে ফিরে যাচ্ছেন।

তিনি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতাগুলো চিহ্নিত করে তা নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান।

বৈঠকে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা, চাল, গম, ভোজ্যতেলের পাশাপাশি সার, গ্যাস, কয়লা আমদানি নিয়েও আলোচনা হয়।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে গম কিনে তৃতীয় কোনো দেশে তা বিক্রি করে দেওয়ায় তারা বাংলাদেশে গম রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলো গম বিক্রির ক্ষেত্রে ভারতের কোনো আপত্তি নেই।

কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক ইন্দোনেশিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও কয়লা আমদানি করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য বলেন বৈঠকে। কমিটির সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক খান খাদ্যশস্য কাছাকাছি কোনো দেশ থেকে আমদানির পরামর্শ দিয়ে বলেন, এতে করে পরিবহণ খরচ কম হবে।

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ থেমে গেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে জানান, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করলে বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়।

সেই সময় রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন সরকার একটি সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তন হলে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আর যোগাযোগ করা হয়নি।

এমনকি সেই সিদ্ধান্তের কপি কোথাও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। ওই সময় পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন শফি সামি এবং আমেরিকায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন তারিক করিম। কমিটির পক্ষ থেকে প্রয়োজনে তাদের দুজনের কাছ থেকে মতামত নেওয়ার প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সূত্র: যুগান্তর