হঠাৎ ঘাড় ও কোমরে ব্যথা, কী করবেন?

7
ঘাড় ও কোমরে হঠাৎ ব্যথা দেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বিষয়টিকে অনেকে গুরুত্ব দিতে চান না। সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা নিলে সুফল পাওয়া যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক এবং হাসনা হেনা পেইন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও চিফ কনসালট্যান্ট ডা. মোহাম্মদ আলী। ঘাড় ও কোমরে ব্যথার ধরন বোঝাতে আমরা দুটি কেস স্টাডি দেখব। আমিনুল সাহেব। বয়স চল্লিশ ছুঁইছুঁই। অফিসে যাবেন বলে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেছেন। গোসল করতে গিয়ে হঠাৎ তীব্র ঘাড় ব্যথায় আক্রান্ত হলেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই সামান্য ঘাড় ব্যথা অনুভব করছিলেন। সকালে উঠে ঘাড়ে ঠান্ডা পানি ঢালতেই ঘাড়ের পেশিতে টান ধরে ব্যথা সৃষ্টি হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়েই আমরা ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করে থাকি। কিন্তু শুধু ব্যথানাশক দিয়ে চিকিৎসা করলে তীব্র স্বল্পমেয়াদি (Acute) ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি (Chronic) ব্যথায় রূপান্তরিত হতে পারে। কিন্তু ঠিক কোন পেশিতে টান লেগেছে তা নির্ণয় করে হাসপাতালে ভর্তি থেকে ম্যানিপুলেটিভ ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করলে স্বল্প সময়েই ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি ব্যর্থ হলে তিন থেকে চার সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হবে। * কেস স্টাডি-২ পলাশ পাল, তাড়াহুড়া করে সামনে ঝুঁকে পায়ের মোজা পরতে গিয়ে কোমরে খিঁচুনি দিয়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়েছে। তিনি কোমর সোজাই করতে পারছেন না। ইতিহাস নিয়ে জানা গেল, তিনি দিনে কমপক্ষে ১২/১৩ ঘণ্টা চেয়ারে বসে কাজ করেন। দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে কাজ করার ফলে এবং শারীরিক পরিশ্রম না করায় তার কোমরের পেশিগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই ত্রিশ বছর বয়সেই তিনি কোমরব্যথায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমআরআই করে দেখা গেল, পলাশ সাহেবের Lumber 4-5 vertebrae-এর মধ্যবর্তী ডিস্ক পেছনের দিকে সরে গিয়ে নার্ভের গোড়ায় চাপ প্রয়োগ করেছে। এক্ষেত্রে রোগীর জন্য ৩ দিনের পূর্ণ বিশ্রামসহ ম্যানিপুলেটিভ ও ইলেকট্রোথেরাপির সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন।

নিউজ ডেস্ক: ঘাড় ও কোমরে হঠাৎ ব্যথা দেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বিষয়টিকে অনেকে গুরুত্ব দিতে চান না। সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা নিলে সুফল পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক এবং হাসনা হেনা পেইন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও চিফ কনসালট্যান্ট ডা. মোহাম্মদ আলী।

ঘাড় ও কোমরে ব্যথার ধরন বোঝাতে আমরা দুটি কেস স্টাডি দেখব।

আমিনুল সাহেব। বয়স চল্লিশ ছুঁইছুঁই। অফিসে যাবেন বলে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেছেন। গোসল করতে গিয়ে হঠাৎ তীব্র ঘাড় ব্যথায় আক্রান্ত হলেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই সামান্য ঘাড় ব্যথা অনুভব করছিলেন। সকালে উঠে ঘাড়ে ঠান্ডা পানি ঢালতেই ঘাড়ের পেশিতে টান ধরে ব্যথা সৃষ্টি হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়েই আমরা ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করে থাকি। কিন্তু শুধু ব্যথানাশক দিয়ে চিকিৎসা করলে তীব্র স্বল্পমেয়াদি (Acute) ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি (Chronic) ব্যথায় রূপান্তরিত হতে পারে। কিন্তু ঠিক কোন পেশিতে টান লেগেছে তা নির্ণয় করে হাসপাতালে ভর্তি থেকে ম্যানিপুলেটিভ ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করলে স্বল্প সময়েই ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি ব্যর্থ হলে তিন থেকে চার সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হবে।

* কেস স্টাডি-২

পলাশ পাল, তাড়াহুড়া করে সামনে ঝুঁকে পায়ের মোজা পরতে গিয়ে কোমরে খিঁচুনি দিয়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়েছে। তিনি কোমর সোজাই করতে পারছেন না। ইতিহাস নিয়ে জানা গেল, তিনি দিনে কমপক্ষে ১২/১৩ ঘণ্টা চেয়ারে বসে কাজ করেন। দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে কাজ করার ফলে এবং শারীরিক পরিশ্রম না করায় তার কোমরের পেশিগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই ত্রিশ বছর বয়সেই তিনি কোমরব্যথায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমআরআই করে দেখা গেল, পলাশ সাহেবের Lumber 4-5 vertebrae-এর মধ্যবর্তী ডিস্ক পেছনের দিকে সরে গিয়ে নার্ভের গোড়ায় চাপ প্রয়োগ করেছে। এক্ষেত্রে রোগীর জন্য ৩ দিনের পূর্ণ বিশ্রামসহ ম্যানিপুলেটিভ ও ইলেকট্রোথেরাপির সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন।

সূত্র: যুগান্তর