চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের ৭৩তম জন্মদিন আজ

3
প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদের ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৫০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় তার জন্ম। প্যারিস প্রবাসী এই শিল্পীর খ্যাতি বাংলাদেশসহ ইউরোপজুড়ে। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার আলগী গ্রামে। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা তায়েবউদ্দীন আহমেদ তার বাবা। মা সাইফুন নেসা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। গেরিলা বাহিনীর ১৭নং প্লাটুনের কমান্ডার ছিলেন। সম্মুখযুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বিএফএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই সময় তিনি ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি ছিলেন। পরে বৃত্তি লাভ করে ফ্রান্সের ইকোল দে বোজার্ট চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে চারুকলা বিষয়ে পড়াশোনা করেন ১৯৭৪-১৯৮১ সাল পর্যন্ত। তখন থেকে প্যারিসেই বসবাস করছেন। শিল্পী শাহাবুদ্দিনের ছবির বৈশিষ্ট্য হলো গতি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বারবার তার ক্যানভাসে ফিরে আসে। দেশ-বিদেশের অনেক গ্যালারিতে বহুবার তার একক চিত্রপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। ১৯৯২ সালে মাস্টার পেইন্টার্স অব কনটেম্পোরারি আর্টসের পঞ্চাশজনের একজন হিসাবে বার্সেলোনায় অলিম্পিয়াড অব আর্ট পদকে ভূষিত হন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়া ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন ২০১৪ সালে।

নিউজ ডেস্ক: প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদের ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৫০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় তার জন্ম। প্যারিস প্রবাসী এই শিল্পীর খ্যাতি বাংলাদেশসহ ইউরোপজুড়ে। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার আলগী গ্রামে। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা তায়েবউদ্দীন আহমেদ তার বাবা। মা সাইফুন নেসা।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। গেরিলা বাহিনীর ১৭নং প্লাটুনের কমান্ডার ছিলেন। সম্মুখযুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেছেন।

১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বিএফএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই সময় তিনি ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি ছিলেন। পরে বৃত্তি লাভ করে ফ্রান্সের ইকোল দে বোজার্ট চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে চারুকলা বিষয়ে পড়াশোনা করেন ১৯৭৪-১৯৮১ সাল পর্যন্ত। তখন থেকে প্যারিসেই বসবাস করছেন। শিল্পী শাহাবুদ্দিনের ছবির বৈশিষ্ট্য হলো গতি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বারবার তার ক্যানভাসে ফিরে আসে। দেশ-বিদেশের অনেক গ্যালারিতে বহুবার তার একক চিত্রপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। ১৯৯২ সালে মাস্টার পেইন্টার্স অব কনটেম্পোরারি আর্টসের পঞ্চাশজনের একজন হিসাবে বার্সেলোনায় অলিম্পিয়াড অব আর্ট পদকে ভূষিত হন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়া ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন ২০১৪ সালে।

সূত্র: যুগান্তর