পর্নোকাণ্ডে পুলিশের জালে ফেঁসে যাচ্ছেন শিল্পার স্বামী

6
পর্নোকাণ্ডে জড়িয়ে মান সম্মান সব গেছে। জেল-আদালত-পুলিশ সব জটিলতা উৎরে এখন স্বাভাবিক জীবনে থিতু হতে চান। এ কারণে পর্নোগ্রাফি মামলা থেকে রেহাই চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। তবে বিধি বাম। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। তারা বলছে, শিল্পা শেঠির স্বামীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক যা যা অভিযোগ উঠেছে, তার যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ আছে তাদের কাছে। গত বছর জুলাইয়ে রাজের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে পর্নো তৈরি এবং অ্যাপের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় গ্রেফতার হয়ে দু'মাস কারাগারে থেকে জামিন পান তিনি। গত ২০ অগস্ট এই মামলা থেকে রাজের রেহাই চেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে একটি আবেদন জমা করেন তার আইনজীবী প্রশান্ত পাটিল। সেই আবেদনে বলা হয়, হটশটস নামক অ্যাপ্লিকশনে থাকা পর্নোগ্রাফি ছবি বা ভিডিও থেকে রাজ কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা পান নি। পুলিশের দাবি, রাজকে নির্দোষ প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। তাই তাকে অভিযোগ থেকে রেহাই দেওয়া উচিত হবে না। রাজের আরও দুই সঙ্গী এই কাণ্ডে জড়িত। পুলিশের দাবি, সৌরভ কুশওয়া বলে এক ব্যক্তির সঙ্গে 'আর্মস প্রাইম মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড' বলে একটি সংস্থা চালাতেন রাজ। হটশটসে ছবি-ভিডিও আপলোড করাই ছিল সেই সংস্থার প্রধান কাজ। সৌরভ এবং রায়ান থর্প বলে এক সহকারীকে এই দিকটি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজ। শুধু তাই নয়। আবেদনে বলা হয়, রাজের সহকারী কামাতকে দেশ-বিদেশ থেকে নানা যৌন উত্তেজক ভিডিও পাঠানো হত। ইমেলের মাধ্যমে সেগুলি কেনরিল লিমিটেড নামক এক কোম্পানিকে পাঠাতেন তিনি। রাজকে জানিয়েই এই ভিডিও পাঠানো হতো। তবে রাজ এসব অস্বীকার করেছেন।

নিউজ ডেস্ক: পর্নোকাণ্ডে জড়িয়ে মান সম্মান সব গেছে। জেল-আদালত-পুলিশ সব জটিলতা উৎরে এখন স্বাভাবিক জীবনে থিতু হতে চান। এ কারণে পর্নোগ্রাফি মামলা থেকে রেহাই চেয়ে আদালতে আবেদন করেছেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা।

তবে বিধি বাম। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। তারা বলছে, শিল্পা শেঠির স্বামীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক যা যা অভিযোগ উঠেছে, তার যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ আছে তাদের কাছে।

গত বছর জুলাইয়ে রাজের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে পর্নো তৈরি এবং অ্যাপের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় গ্রেফতার হয়ে দু’মাস কারাগারে থেকে জামিন পান তিনি।

গত ২০ অগস্ট এই মামলা থেকে রাজের রেহাই চেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে একটি আবেদন জমা করেন তার আইনজীবী প্রশান্ত পাটিল। সেই আবেদনে বলা হয়, হটশটস নামক অ্যাপ্লিকশনে থাকা পর্নোগ্রাফি ছবি বা ভিডিও থেকে রাজ কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা পান নি।

পুলিশের দাবি, রাজকে নির্দোষ প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। তাই তাকে অভিযোগ থেকে রেহাই দেওয়া উচিত হবে না।

রাজের আরও দুই সঙ্গী এই কাণ্ডে জড়িত। পুলিশের দাবি, সৌরভ কুশওয়া বলে এক ব্যক্তির সঙ্গে ‘আর্মস প্রাইম মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’ বলে একটি সংস্থা চালাতেন রাজ। হটশটসে ছবি-ভিডিও আপলোড করাই ছিল সেই সংস্থার প্রধান কাজ। সৌরভ এবং রায়ান থর্প বলে এক সহকারীকে এই দিকটি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজ।

শুধু তাই নয়। আবেদনে বলা হয়, রাজের সহকারী কামাতকে দেশ-বিদেশ থেকে নানা যৌন উত্তেজক ভিডিও পাঠানো হত। ইমেলের মাধ্যমে সেগুলি কেনরিল লিমিটেড নামক এক কোম্পানিকে পাঠাতেন তিনি। রাজকে জানিয়েই এই ভিডিও পাঠানো হতো। তবে রাজ এসব অস্বীকার করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর