চলচ্চিত্র জগতে জোয়ার আসছে আরও সিনেমা

1
দেশীয় চলচ্চিত্রজগতে নতুন জোয়ার এসেছে। দর্শক ফিরেছে সিনেপ্লেক্স ও হলগুলোয়। ‘শান, ‘গলুই’, ‘হাওয়া’, ‘পরাণ’ চলচ্চিত্রগুলোর বিশাল সফলতা নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে। গত কয়েক বছরে যেখানে ঈদের সময়ও চলচ্চিত্র মুক্তি দিতে দ্বিধা দেখা গেছে, সেখানে এখন এই জোয়ারে নতুন নতুন চলচ্চিত্র মুক্তি দিতে প্রস্তুত সবাই। চলতি মাস ও এর কাছাকাছি সময়ের মধ্যে মুক্তির অপেক্ষার রয়েছে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমা। দেশীয় চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা সব মিলিয়ে নতুন দিনের আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন। চলতি মাসের শেষের দিকেই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ইতোমধ্যেই বহুল আলোচিত দুটি সিনেমার। এর মধ্যে মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ অন্যতম। দেশীয় সার্কাস শিল্পের সঙ্গে জড়িত এক নারীর জীবনের নানা বাঁকের গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমা। ইতোমধ্যে এই সিনেমার টিজার প্রশংসিত হয়েছে। এতে প্রধান চরিত্রে আছেন জয়া আহসান, ফেরদৌস আহমেদ, তৌকীর আহমেদের মতো গুণী অভিনেতা-অভিনেত্রী। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি.। মুক্তি পেতে যাচ্ছে দীপঙ্কর দীপন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘অপারেশন সুন্দরবন’। সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব)। এ বিষয়ে র‌্যাবের নানা অভিযান নিয়েই সেই সিনেমা। ‘অপারেশন সুন্দরবন’ প্রযোজনা করেছে র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড। এতে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, রিয়াজ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, তাসকিন রহমান, শতাব্দী ওয়াদুদ, রওনক হাসান, মনোজ প্রামাণিক, আরমান পারভেজ মুরাদসহ অনেকে। সংখ্যালঘু মানুষের জীবনের নানা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে রফিক শিকদার পরিচালিত ‘বসন্ত বিকেল’ চলচ্চিত্রটি। এতে জুটিবদ্ধ হয়েছেন শিপন মিত্র ও নবাগতা শাহ হুমায়রা সুবাহ। অভিনয় করেছেন ওমর সানী, শাহনূর, সুচরিতা, তানভীর তনু, শিবা সানুসহ অনেকে। ঐতিহাসিক চরিত্র বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম স্বাধীন জমিদার ঈশা খাঁর জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে চলচ্চিত্র ‘ঈশা খাঁ’। এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ডায়েল রহমান। সেপ্টেম্বরের শেষদিকে এই দুটি চলচ্চিত্রও মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’। এতে অভিনয় করেছেন নিশাত নাওয়ার সালওয়া, আদর আজাদ চৌধুরী, মৌসুমী মিথিলা, আলী রাজ, মারুফ আকিব প্রমুখ। মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সাইদুল ইসলাম রানা পরিচালিত ‘বীরত্ব’। এতে নিশাত নাওয়ার সালওয়ার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মামনুন ইমন। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন, নিপুণ আক্তার, ইন্তেখাব দিনার, আহসান হাবিব নাসিম, রওনক হাসান, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। শিগগিরই মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে রবিকুল আলম রকিব পরিচালিত ‘ভাইয়ারে’, শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত ‘লাইভ’ এবং আবুল কালাম আজাদ পরিচালিত ‘ও মাই লাভ’। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি শোয়েব রশিদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা সব সময় বলেছি, শুধু ঈদকে ঘিরে নয়, সারা বছরই ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ হতে হবে। তাতে দর্শক কখনোই আর হলবিমুখ হবে না। এতে আমাদের চলচ্চিত্রের সুদিন সত্যিকার অর্থেই ফিরে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের চলচ্চিত্রগুলোর সাফল্যে আবার প্রমাণিত হয় যে চলচ্চিত্রই দেশের মানুষের কাছে এখনো বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। দর্শকদের এই হলমুখী মনোভাব চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবাইকে উজ্জীবিত করেছে। আশা করছি, নতুন নতুন আরও ভালো সিনেমা আমরা পাব। তিনি মফস্বলের দর্শকদের বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন, ঢাকার দর্শক পাওয়া গেলেও মফস্বলের দর্শকরা এখনো সেভাবে অংশ নেননি। আর এজন্যই সেখানে আরও বেশি বেশি করে উন্নতমানের সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করতে হবে।

নিউজ ডেস্ক: দেশীয় চলচ্চিত্রজগতে নতুন জোয়ার এসেছে। দর্শক ফিরেছে সিনেপ্লেক্স ও হলগুলোয়। ‘শান, ‘গলুই’, ‘হাওয়া’, ‘পরাণ’ চলচ্চিত্রগুলোর বিশাল সফলতা নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে। গত কয়েক বছরে যেখানে ঈদের সময়ও চলচ্চিত্র মুক্তি দিতে দ্বিধা দেখা গেছে, সেখানে এখন এই জোয়ারে নতুন নতুন চলচ্চিত্র মুক্তি দিতে প্রস্তুত সবাই। চলতি মাস ও এর কাছাকাছি সময়ের মধ্যে মুক্তির অপেক্ষার রয়েছে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমা। দেশীয় চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা সব মিলিয়ে নতুন দিনের আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন।

চলতি মাসের শেষের দিকেই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ইতোমধ্যেই বহুল আলোচিত দুটি সিনেমার। এর মধ্যে মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ অন্যতম। দেশীয় সার্কাস শিল্পের সঙ্গে জড়িত এক নারীর জীবনের নানা বাঁকের গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমা। ইতোমধ্যে এই সিনেমার টিজার প্রশংসিত হয়েছে। এতে প্রধান চরিত্রে আছেন জয়া আহসান, ফেরদৌস আহমেদ, তৌকীর আহমেদের মতো গুণী অভিনেতা-অভিনেত্রী। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি.। মুক্তি পেতে যাচ্ছে দীপঙ্কর দীপন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘অপারেশন সুন্দরবন’। সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব)। এ বিষয়ে র‌্যাবের নানা অভিযান নিয়েই সেই সিনেমা। ‘অপারেশন সুন্দরবন’ প্রযোজনা করেছে র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড। এতে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, রিয়াজ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, তাসকিন রহমান, শতাব্দী ওয়াদুদ, রওনক হাসান, মনোজ প্রামাণিক, আরমান পারভেজ মুরাদসহ অনেকে।

সংখ্যালঘু মানুষের জীবনের নানা গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে রফিক শিকদার পরিচালিত ‘বসন্ত বিকেল’ চলচ্চিত্রটি। এতে জুটিবদ্ধ হয়েছেন শিপন মিত্র ও নবাগতা শাহ হুমায়রা সুবাহ। অভিনয় করেছেন ওমর সানী, শাহনূর, সুচরিতা, তানভীর তনু, শিবা সানুসহ অনেকে। ঐতিহাসিক চরিত্র বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম স্বাধীন জমিদার ঈশা খাঁর জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে চলচ্চিত্র ‘ঈশা খাঁ’। এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ডায়েল রহমান। সেপ্টেম্বরের শেষদিকে এই দুটি চলচ্চিত্রও মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি মাসের মাঝামাঝি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’। এতে অভিনয় করেছেন নিশাত নাওয়ার সালওয়া, আদর আজাদ চৌধুরী, মৌসুমী মিথিলা, আলী রাজ, মারুফ আকিব প্রমুখ। মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সাইদুল ইসলাম রানা পরিচালিত ‘বীরত্ব’। এতে নিশাত নাওয়ার সালওয়ার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মামনুন ইমন। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন, নিপুণ আক্তার, ইন্তেখাব দিনার, আহসান হাবিব নাসিম, রওনক হাসান, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ।

শিগগিরই মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে রবিকুল আলম রকিব পরিচালিত ‘ভাইয়ারে’, শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত ‘লাইভ’ এবং আবুল কালাম আজাদ পরিচালিত ‘ও মাই লাভ’।

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি শোয়েব রশিদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা সব সময় বলেছি, শুধু ঈদকে ঘিরে নয়, সারা বছরই ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ হতে হবে। তাতে দর্শক কখনোই আর হলবিমুখ হবে না। এতে আমাদের চলচ্চিত্রের সুদিন সত্যিকার অর্থেই ফিরে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের চলচ্চিত্রগুলোর সাফল্যে আবার প্রমাণিত হয় যে চলচ্চিত্রই দেশের মানুষের কাছে এখনো বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। দর্শকদের এই হলমুখী মনোভাব চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবাইকে উজ্জীবিত করেছে। আশা করছি, নতুন নতুন আরও ভালো সিনেমা আমরা পাব। তিনি মফস্বলের দর্শকদের বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন, ঢাকার দর্শক পাওয়া গেলেও মফস্বলের দর্শকরা এখনো সেভাবে অংশ নেননি। আর এজন্যই সেখানে আরও বেশি বেশি করে উন্নতমানের সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করতে হবে।

সূত্র: যুগান্তর