শ্বাসরূদ্ধকর শেষ ওভার নিয়ে যা বললেন জয়ের নায়ক নাসিম শাহ

0
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে চলমান এবারের এশিয়া কাপ শুরু থেকেই জমে ক্ষীর। এ পর্যন্ত হওয়া প্রতিটি ম্যাচই ছিল টানটান উত্তেজনার আর শ্বাসরূদ্ধকর। তবে বুধবার শারজাহে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ম্যাচটি পাক-ভারত দ্বৈরথের উত্তেজনাকেও হার মানিয়েছে নিশ্চিত। পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয় জয় এনে দিয়েছেন নাসিম শাহ। যিনি একজন ফাস্ট বোলার। ১১৮ রানে নয় উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন খাদের কিনারায়, শেষ জুটি তখন নাসিম ও হাসনাইন। পাকিস্তানের সাজঘরে তখন পিনপতন নিরবতা। বিষণ্ন রিজওয়ান। বিমর্ষ বাবর। তখনই নাসিমের ম্যাজিক। মাত্র চার বলে হার না-মানা ১৪। শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার পড়ে ১১ রান। ফজলহক ফারুকিকে পরপর দুটি ছয় মেরে ঘুমিয়ে পড়া শারজাকে জাগিয়ে তুললেন এক লহমায়। চার বল বাকি থাকতে এক উইকেটের মহানাটকীয় জয়ে পাকিস্তান চলে গেল এশিয়া কাপের ফাইনালে। ম্যাচ শেষে জয়ের নায়ক নাসিম জানালেন, ব্যাট করতে নামার সময় বিশ্বাস ছিল ৬ মারতে পারবেন। নাসিম বলেন. ‘আমি যখন ব্যাট করতে নামি তখন বিশ্বাস ছিল আমি ৬ মারতে পারব। আমি ছয় মারার অনুশীলন করেছি। আমি জানতাম, ওরা ইয়র্কার বল করবে। কারণ ওরা ফিল্ডকে উপরের দিকে তুলে রেখেছিল। সেই সময় বিশ্বাস থাকাটা জরুরি ছিল। নেটে আমরা পরপর অনুশীলন করি এই বিষয়টাই। আমি নিজের ব্যাটিং স্টাইটটাও পরিবর্তন করি। ওটাই কাজে আসলো।’ ম্যাচকে জিতিয়ে আনার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন বলে জানালেন নাসিম। এ তরুণ পেসার বলেন, ‘আমি যখন ব্যাট করতে নামি তখন আসিফ ছিল উইকেটে। আমার কাজটা ছিল ওকে স্ট্রাইকটা দেওয়া। ও আউট হয়ে যাওয়ার পরে দায়িত্বটা আমার কাঁধে এসে পড়ে। ৯ নম্বর উইকেট পড়ে যাওয়ার পরেও আমার নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল। ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ আমরা জানতাম, আজকে আমাদের ম্যাচটা জিততেই হবে। ম্যাচটা জিতলেই আমরা ফাইনালে যাব।’

নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে চলমান এবারের এশিয়া কাপ শুরু থেকেই জমে ক্ষীর। এ পর্যন্ত হওয়া প্রতিটি ম্যাচই ছিল টানটান উত্তেজনার আর শ্বাসরূদ্ধকর।

তবে বুধবার শারজাহে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ম্যাচটি পাক-ভারত দ্বৈরথের উত্তেজনাকেও হার মানিয়েছে নিশ্চিত।

পাকিস্তানের অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয় জয় এনে দিয়েছেন নাসিম শাহ। যিনি একজন ফাস্ট বোলার। ১১৮ রানে নয় উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন খাদের কিনারায়, শেষ জুটি তখন নাসিম ও হাসনাইন। পাকিস্তানের সাজঘরে তখন পিনপতন নিরবতা। বিষণ্ন রিজওয়ান। বিমর্ষ বাবর।

তখনই নাসিমের ম্যাজিক। মাত্র চার বলে হার না-মানা ১৪।  শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার পড়ে ১১ রান।  ফজলহক ফারুকিকে পরপর দুটি ছয় মেরে ঘুমিয়ে পড়া শারজাকে জাগিয়ে তুললেন এক লহমায়।

চার বল বাকি থাকতে এক উইকেটের মহানাটকীয় জয়ে পাকিস্তান চলে গেল এশিয়া কাপের ফাইনালে।

ম্যাচ শেষে জয়ের নায়ক নাসিম জানালেন, ব্যাট করতে নামার সময় বিশ্বাস ছিল ৬ মারতে পারবেন।

নাসিম বলেন. ‘আমি যখন ব্যাট করতে নামি তখন বিশ্বাস ছিল আমি ৬ মারতে পারব। আমি ছয় মারার অনুশীলন করেছি। আমি জানতাম, ওরা ইয়র্কার বল করবে। কারণ ওরা ফিল্ডকে উপরের দিকে তুলে রেখেছিল। সেই সময় বিশ্বাস থাকাটা জরুরি ছিল। নেটে আমরা পরপর অনুশীলন করি এই বিষয়টাই। আমি নিজের ব্যাটিং স্টাইটটাও পরিবর্তন করি। ওটাই কাজে আসলো।’

ম্যাচকে জিতিয়ে আনার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন বলে জানালেন নাসিম।

এ তরুণ পেসার বলেন, ‘আমি যখন ব্যাট করতে নামি তখন আসিফ ছিল উইকেটে। আমার কাজটা ছিল ওকে স্ট্রাইকটা দেওয়া। ও আউট হয়ে যাওয়ার পরে দায়িত্বটা আমার কাঁধে এসে পড়ে। ৯ নম্বর উইকেট পড়ে যাওয়ার পরেও আমার নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল। ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ আমরা জানতাম, আজকে আমাদের ম্যাচটা জিততেই হবে। ম্যাচটা জিতলেই আমরা ফাইনালে যাব।’

সূত্র: যুগান্তর