ক্রিমিয়ায় হামলার দায় স্বীকার করল ইউক্রেন

2
ক্রিমিয়ায় হামলার দায় স্বীকার করেছে ইউক্রেন। আগস্টে একের পর এক বিস্ফোরণে কেপে ওঠে ক্রিমিয়া। কয়েক দিন ব্যবধানে রাশিয়ার দুটি ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। স্যাকি বিমানঘাঁটিতে থাকা রাশিয়ার অন্তত আটটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায় এতে। সেই সময় এর দায় অস্বীকার করলেও এতদিন বাদে বুধবার দেশটি জানাল, তারাই আছে ক্রিমিয়ার ওই হামলাগুলোর পেছনে। খবর বিবিসি। রাশিয়ার পক্ষ থেকেও যদিও কারও দিকে আঙুল তোলা হয়নি। তার পরও ইউক্রেন নিজে থেকেই সেই সময় দাবি করেছিল, এসব হামলার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। উল্টো রুশ সেনাদের সিগারেট থেকেই এমন বিস্ফোরণ হতে পারে বলেও উপহাস করেছিল ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তবে এবার দেশটি এসব হামলার দায় নিল। ইউক্রেনের নিজস্ব সংবাদ সংস্থা ইউক্রিনফর্মে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান দেশটির শীর্ষ কমান্ডার ভ্যালেরি জালুঝিনি। তিনি বলেন, ইউক্রেনের ছোড়া রকেট ক্রাইমিয়ার বহু সামরিকঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে। যার অন্যতম স্যাকি বিমানঘাঁটি। তার দাবি, ৯ আগস্টের ওই হামলায় রাশিয়ার অন্তত ১০টি বিমান অকেজো হয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে রুশ সেনাবহরের সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে ইউক্রেন। কিন্তু বিমানঘাঁটির বিস্ফোরণ নিয়ে এতদিন চলছিল লুকোছাপা। ২০১৪ সালে এক গণভোটের মাধ্যমে ক্রাইমিয়াকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করে রাশিয়া। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ওই গণভোটকে স্বীকৃতি দেয় না। ইউক্রেনও প্রায়ই ক্রাইমিয়া পুনরায় দখলের কথা বলে। যদিও এর আগে ক্রাইমিয়ায় কখনো হামলা চালায়নি ইউক্রেন। পশ্চিমাদের থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর এ ধরনের চেষ্টা দেখা যাচ্ছে ইউক্রেনের থেকে। তারা ক্রাইমিয়া সেতু উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। বুধবার এক টুইটবার্তায় ক্রিমিয়াতে আরও হামলার ইঙ্গিত দেয় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

নিউজ ডেস্ক: ক্রিমিয়ায় হামলার দায় স্বীকার করেছে ইউক্রেন। আগস্টে একের পর এক বিস্ফোরণে কেপে ওঠে ক্রিমিয়া। কয়েক দিন ব্যবধানে রাশিয়ার দুটি ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। স্যাকি বিমানঘাঁটিতে থাকা রাশিয়ার অন্তত আটটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায় এতে।

সেই সময় এর দায় অস্বীকার করলেও এতদিন বাদে বুধবার দেশটি জানাল, তারাই আছে ক্রিমিয়ার ওই হামলাগুলোর পেছনে। খবর বিবিসি।

রাশিয়ার পক্ষ থেকেও যদিও কারও দিকে আঙুল তোলা হয়নি। তার পরও ইউক্রেন নিজে থেকেই সেই সময় দাবি করেছিল, এসব হামলার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। উল্টো রুশ সেনাদের সিগারেট থেকেই এমন বিস্ফোরণ হতে পারে বলেও উপহাস করেছিল ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তবে এবার দেশটি এসব হামলার দায় নিল।

ইউক্রেনের নিজস্ব সংবাদ সংস্থা ইউক্রিনফর্মে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান দেশটির শীর্ষ কমান্ডার ভ্যালেরি জালুঝিনি। তিনি বলেন, ইউক্রেনের ছোড়া রকেট ক্রাইমিয়ার বহু সামরিকঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

যার অন্যতম স্যাকি বিমানঘাঁটি। তার দাবি, ৯ আগস্টের ওই হামলায় রাশিয়ার অন্তত ১০টি বিমান অকেজো হয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে রুশ সেনাবহরের সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে ইউক্রেন। কিন্তু বিমানঘাঁটির বিস্ফোরণ নিয়ে এতদিন চলছিল লুকোছাপা।

২০১৪ সালে এক গণভোটের মাধ্যমে ক্রাইমিয়াকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করে রাশিয়া। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ওই গণভোটকে স্বীকৃতি দেয় না। ইউক্রেনও প্রায়ই ক্রাইমিয়া পুনরায় দখলের কথা বলে। যদিও এর আগে ক্রাইমিয়ায় কখনো হামলা চালায়নি ইউক্রেন। পশ্চিমাদের থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর এ ধরনের চেষ্টা দেখা যাচ্ছে ইউক্রেনের থেকে। তারা ক্রাইমিয়া সেতু উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। বুধবার এক টুইটবার্তায় ক্রিমিয়াতে আরও হামলার ইঙ্গিত দেয় ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী।

সূত্র: যুগান্তর