ব্যাংকে ঋণ অবলোপন ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল

10
কাগজে-কলমে খেলাপি ঋণ কমাতে অবলোপনের পথে হাঁটছে ব্যাংকগুলো। গত ২০ বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ অবলোপন করেছে সব ব্যাংক। এর মধ্যে কিছু টাকা আদায় হলেও বিপুল অঙ্কের টাকার কোনো খবর নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণ অবলোপনের যে সামান্য আদায় তাও ছোট ঋণগ্রহীতারা দিয়েছেন। বড় এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা ঋণ অবলোপনের অর্থ ফেরত দিতে চাইছেন না। সে কারণে অবলোপনের অঙ্ক বাড়লেও আদায়ের অঙ্ক খুবই কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৩ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাতে ঋণ অবলোপনের পুঞ্জীভূত স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। এর বিপরীতে একই সময়ে সুদসহ আদায় হয়েছে ১৭ হাজার ৪১ কোটি টাকা। এ অঙ্ক বাদ দিলে জুন শেষে ব্যাংক খাতে অবলোপন করা ঋণের প্রকৃত অঙ্ক ৪৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। আর অবলোপন ঋণসহ জুন শেষে ব্যাংক খাতে প্রকৃত খেলাপি ঋণের অঙ্ক ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের অঙ্ক ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। এ সময় নতুন করে খেলাপি ঋণ বেড়েছে আরও প্রায় ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ঋণ অবলোপন হয়েছিল ৫২৯ কোটি টাকা। সে সময় অবলোপনের মোট স্থিতি ছিল ৫৯ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। একই সময়ে আদায় হয়েছিল ১৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। এরপর এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসে ঋণ অবলোপন বেড়েছে ৫৪৪ কোটি টাকারও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ঋণ অবলোপন বেড়েছে আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এর আগের মার্চ প্রান্তিকে ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করে ৫২৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে জুন প্রান্তিকে ঋণ অবলোপন হয়েছে ৫৪৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। গেল দুই বছর বিশ্বব্যাপী আঘাত হানা মহামারি করোনার কারণে ঋণ আদায়ে বিভিন্নভাবে ছাড় দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সেসব ছাড় কোনো কাজে আসেনি বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বিভিন্ন ছাড় দিয়েও যখন খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাচ্ছে না, তখন পুরোনো কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে ব্যাংকগুলো। ঋণ অবলোপন করে খেলাপি কম দেখানোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা যায়। আর দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ কৌশলটির নাম ঋণ অবলোপন। সম্প্রতি সময়ে খেলাপি ঋণ অবলোপন বাড়িয়েছে অনেক ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর তুলনায় বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপনের প্রতিযোগিতায় অনেক এগিয়ে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন-এ তিন মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করেছে ৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অপরদিকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর ঋণ অবলোপনের অঙ্ক ৪৫৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো এ সময়ে ঋণ অবলোপন করেছে ১০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। দেশে কার্যরত বিদেশি ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপনের অঙ্ক ৫৩ লাখ টাকা। জুন প্রান্তিকের হিসাবসহ ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ অবলোপনের স্থিতি ছিল ৬০ হাজার ৪০২ কোটি ৪২ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকগুলো বিভিন্নভাবে ১৭ হাজার ৪১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আদায় করতে পেরেছে। ফলে খেলাপি ঋণ অবলোপনের নিট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। অবলোপনের কারণে উল্লিখিত অঙ্ক ঋণ আর ব্যাংকের মূল হিসাবে দেখাতে হচ্ছে না। এটা বিবেচনায় নিলে ব্যাংকের প্রকৃত খেলাপি ঋণ এখন ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মতে, ব্যাংকের মন্দমানের খেলাপি ঋণ দীর্ঘদিন আদায় না হলে তা ব্যাংকের মূল ব্যালান্স শিট থেকে আলাদা করে অন্য একটি লেজার বুকে সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাংকিং পরিভাষায় যা ঋণ অবলোপন বা রাইট অফ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার আওতায় ২০০৩ সাল থেকে ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করে আসছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ঋণ আদায় না করে যদি ‘রাইট অফ’ কৌশল বেছে নেওয়া হয় তাহলে এক সময় ব্যাংকের মূলধনও শেষ হয়ে যায়। তাই এটাকে ভালোভাবে নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, যদি এমন হতো ব্যাংকগুলো ‘রাইট অফ’ করে জোর দিয়ে ঋণ আদায় করছে, তাহলে এ উদ্যোগ ইতিবাচক হিসাবে দেখতাম। কিন্তু তারা শুধু ব্যালেন্স শিট ঠিক রাখতেই ‘রাইট অফ’ করছে। ফলে বাইরে থেকে লোকজন মনে করছে তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো। আসলে কিন্তু তা নয়। ‘খেলাপি ঋণ কমাতে অবশ্যই ঋণ আদায়ে জোর দিতে হবে’ এমন পরামর্শ দিয়ে সাবেক এ গভর্নর আরও বলেন, ব্যাংকগুলোকে ঋণ আদায়ের টার্গেট দিতে হবে। টার্গেট পূরণ করতে না পারলে ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে হবে। তাদের বলতে হবে, যতটুকু ঋণ আদায় করতে পারবে ততটুকু ঋণ দিতে পারবে। তা না হলে খেলাপি ঋণ কমানো সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘অবলোপন করা ঋণ থেকে আদায়ে খুব বেশি অগ্রগতি নেই। ছোটরা কিছু টাকা দিলেও বড়রা টাকা দিচ্ছে না, এটা সত্য। কিন্তু এসব প্রভাবশালীদের থেকে টাকা আদায়ে আইনি কাঠামোতেও বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। আর যা হয়েছে তাও কার্যকর নেই।’

নিউজ ডেস্ক: কাগজে-কলমে খেলাপি ঋণ কমাতে অবলোপনের পথে হাঁটছে ব্যাংকগুলো। গত ২০ বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ অবলোপন করেছে সব ব্যাংক। এর মধ্যে কিছু টাকা আদায় হলেও বিপুল অঙ্কের টাকার কোনো খবর নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণ অবলোপনের যে সামান্য আদায় তাও ছোট ঋণগ্রহীতারা দিয়েছেন। বড় এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা ঋণ অবলোপনের অর্থ ফেরত দিতে চাইছেন না। সে কারণে অবলোপনের অঙ্ক বাড়লেও আদায়ের অঙ্ক খুবই কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৩ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাতে ঋণ অবলোপনের পুঞ্জীভূত স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। এর বিপরীতে একই সময়ে সুদসহ আদায় হয়েছে ১৭ হাজার ৪১ কোটি টাকা। এ অঙ্ক বাদ দিলে জুন শেষে ব্যাংক খাতে অবলোপন করা ঋণের প্রকৃত অঙ্ক ৪৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। আর অবলোপন ঋণসহ জুন শেষে ব্যাংক খাতে প্রকৃত খেলাপি ঋণের অঙ্ক ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের অঙ্ক ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। এ সময় নতুন করে খেলাপি ঋণ বেড়েছে আরও প্রায় ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ঋণ অবলোপন হয়েছিল ৫২৯ কোটি টাকা। সে সময় অবলোপনের মোট স্থিতি ছিল ৫৯ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। একই সময়ে আদায় হয়েছিল ১৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। এরপর এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসে ঋণ অবলোপন বেড়েছে ৫৪৪ কোটি টাকারও বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ঋণ অবলোপন বেড়েছে আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এর আগের মার্চ প্রান্তিকে ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করে ৫২৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে জুন প্রান্তিকে ঋণ অবলোপন হয়েছে ৫৪৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

গেল দুই বছর বিশ্বব্যাপী আঘাত হানা মহামারি করোনার কারণে ঋণ আদায়ে বিভিন্নভাবে ছাড় দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সেসব ছাড় কোনো কাজে আসেনি বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বিভিন্ন ছাড় দিয়েও যখন খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাচ্ছে না, তখন পুরোনো কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে ব্যাংকগুলো। ঋণ অবলোপন করে খেলাপি কম দেখানোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা যায়। আর দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ কৌশলটির নাম ঋণ অবলোপন। সম্প্রতি সময়ে খেলাপি ঋণ অবলোপন বাড়িয়েছে অনেক ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর তুলনায় বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপনের প্রতিযোগিতায় অনেক এগিয়ে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন-এ তিন মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করেছে ৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অপরদিকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর ঋণ অবলোপনের অঙ্ক ৪৫৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো এ সময়ে ঋণ অবলোপন করেছে ১০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। দেশে কার্যরত বিদেশি ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপনের অঙ্ক ৫৩ লাখ টাকা।

জুন প্রান্তিকের হিসাবসহ ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ অবলোপনের স্থিতি ছিল ৬০ হাজার ৪০২ কোটি ৪২ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকগুলো বিভিন্নভাবে ১৭ হাজার ৪১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আদায় করতে পেরেছে। ফলে খেলাপি ঋণ অবলোপনের নিট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। অবলোপনের কারণে উল্লিখিত অঙ্ক ঋণ আর ব্যাংকের মূল হিসাবে দেখাতে হচ্ছে না। এটা বিবেচনায় নিলে ব্যাংকের প্রকৃত খেলাপি ঋণ এখন ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মতে, ব্যাংকের মন্দমানের খেলাপি ঋণ দীর্ঘদিন আদায় না হলে তা ব্যাংকের মূল ব্যালান্স শিট থেকে আলাদা করে অন্য একটি লেজার বুকে সংরক্ষণ করা হয়। ব্যাংকিং পরিভাষায় যা ঋণ অবলোপন বা রাইট অফ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার আওতায় ২০০৩ সাল থেকে ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করে আসছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ঋণ আদায় না করে যদি ‘রাইট অফ’ কৌশল বেছে নেওয়া হয় তাহলে এক সময় ব্যাংকের মূলধনও শেষ হয়ে যায়। তাই এটাকে ভালোভাবে নেওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, যদি এমন হতো ব্যাংকগুলো ‘রাইট অফ’ করে জোর দিয়ে ঋণ আদায় করছে, তাহলে এ উদ্যোগ ইতিবাচক হিসাবে দেখতাম। কিন্তু তারা শুধু ব্যালেন্স শিট ঠিক রাখতেই ‘রাইট অফ’ করছে। ফলে বাইরে থেকে লোকজন মনে করছে তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো। আসলে কিন্তু তা নয়। ‘খেলাপি ঋণ কমাতে অবশ্যই ঋণ আদায়ে জোর দিতে হবে’ এমন পরামর্শ দিয়ে সাবেক এ গভর্নর আরও বলেন, ব্যাংকগুলোকে ঋণ আদায়ের টার্গেট দিতে হবে। টার্গেট পূরণ করতে না পারলে ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে হবে। তাদের বলতে হবে, যতটুকু ঋণ আদায় করতে পারবে ততটুকু ঋণ দিতে পারবে। তা না হলে খেলাপি ঋণ কমানো সম্ভব নয়।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘অবলোপন করা ঋণ থেকে আদায়ে খুব বেশি অগ্রগতি নেই। ছোটরা কিছু টাকা দিলেও বড়রা টাকা দিচ্ছে না, এটা সত্য। কিন্তু এসব প্রভাবশালীদের থেকে টাকা আদায়ে আইনি কাঠামোতেও বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। আর যা হয়েছে তাও কার্যকর নেই।’

সূত্র: যুগান্তর