নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকেও ইউক্রেনের পাশে চান জেলেনস্কি

2
রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মতো দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসকেও পাশে চান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলোনস্কি। সোমবার এক ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে তিনি বলেন, রাশিয়াকে পরাস্ত করতে কিয়েভের পাশে ব্রিটেনের নতুন কনজারভেটিভ নেত্রী লিজ ট্রাসও থাকবেন বলে আশা করি। খবর এএফপির। জেলেনস্কির অন্যতম সমর্থক বরিস জনসনের কাছ থেকে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন লিজ ট্রাস। সোমবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাককে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন লিজ ট্রাস। জেলেনস্কি সোমাবার তার প্রতিদিনের নিয়মিত ভাষণে বলেছেন, ট্রাসের সঙ্গে সহযোগিতা শুরু করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমি বিশ্বাস করি, একসঙ্গে আমরা আমাদের জনগণকে রক্ষা করতে এবং রাশিয়ার সব ধ্বংসাত্মক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে সক্ষম হব। জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনীয়রা তাকে ভালোভাবেই জানি। তিনি ইউরোপের রাজনীতির উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। এখন মূল বিষয় হচ্ছে আমাদের ঐক্য ধরে রাখা। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের পাশে কঠোরভাবে অবস্থান নিয়েছে ব্রিটেন। ইতোমধ্যে যুদ্ধসহায়তা হিসেবে কিয়েভের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধ সরঞ্জাম, তহবিল ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করেছে ব্রিটিশ সরকার।

নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মতো দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসকেও পাশে চান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলোনস্কি।

সোমবার এক ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে তিনি বলেন, রাশিয়াকে পরাস্ত করতে কিয়েভের পাশে ব্রিটেনের নতুন কনজারভেটিভ নেত্রী লিজ ট্রাসও থাকবেন বলে আশা করি। খবর এএফপির।

জেলেনস্কির অন্যতম সমর্থক বরিস জনসনের কাছ থেকে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন লিজ ট্রাস।

সোমবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাককে বিপুল ব্যবধানে হারিয়ে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন লিজ ট্রাস।

জেলেনস্কি সোমাবার তার প্রতিদিনের নিয়মিত ভাষণে বলেছেন, ট্রাসের সঙ্গে সহযোগিতা শুরু করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমি বিশ্বাস করি, একসঙ্গে আমরা আমাদের জনগণকে রক্ষা করতে এবং রাশিয়ার সব ধ্বংসাত্মক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে সক্ষম হব।

জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনীয়রা তাকে ভালোভাবেই জানি। তিনি ইউরোপের রাজনীতির উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। এখন মূল বিষয় হচ্ছে আমাদের ঐক্য ধরে রাখা।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর থেকে ইউক্রেনের পাশে কঠোরভাবে অবস্থান নিয়েছে ব্রিটেন।

ইতোমধ্যে যুদ্ধসহায়তা হিসেবে কিয়েভের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধ সরঞ্জাম, তহবিল ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করেছে ব্রিটিশ সরকার।

সূত্র: যুগান্তর