ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

3
ভারত সফরের প্রথম দিন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিল্লিতে বাংলাদেশ সরকারের দূতাবাস কার্যালয়ে হচ্ছে এ বৈঠক। ভারতের সংবাদমাধ্যম এএনআই এক টুইটবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চারদিনের সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১২টায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় ছয় থেকে সাত সদস্যের একটি সাংস্কৃতিক দল নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে স্বাগত জানান। সফরসূচি অনুযায়ী, বৈঠক শেষে দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ জিয়ারত করতে যাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, সেখান থেকে ফেরার পর বৈঠক করবেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানির সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীর চারদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, অভিন্ন নদ-নদীর পানি বণ্টন ও রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে সহযোগিতা আলোচ্যসূচিতে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সফরের এজেন্ডার শীর্ষে উভয় দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও উন্নত করা, আঞ্চলিক সংযোগের উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করার বিষয়টিও রয়েছে বলে জানিয়েছে এএনআই।

নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরের প্রথম দিন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিল্লিতে বাংলাদেশ সরকারের দূতাবাস কার্যালয়ে হচ্ছে এ বৈঠক।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এএনআই এক টুইটবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে চারদিনের সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১২টায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় ছয় থেকে সাত সদস্যের একটি সাংস্কৃতিক দল নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে স্বাগত জানান।

সফরসূচি অনুযায়ী, বৈঠক শেষে দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ জিয়ারত করতে যাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, সেখান থেকে ফেরার পর বৈঠক করবেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানির সঙ্গে।

প্রধানমন্ত্রীর চারদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, অভিন্ন নদ-নদীর পানি বণ্টন ও রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে সহযোগিতা আলোচ্যসূচিতে  থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সফরের এজেন্ডার শীর্ষে উভয় দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও উন্নত করা, আঞ্চলিক সংযোগের উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করার বিষয়টিও রয়েছে বলে জানিয়েছে এএনআই।

সূত্র: যুগান্তর
https://youtu.be/29PHB9Cc1Lo