গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কালজয়ী সব গান

6
হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার। রোববার ভোরে ঘুম থেকে উঠে শৌচকাজে যাওয়ার সময় পড়ে আহত হন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এভাবেই জীবনাবসান হলো ২০ হাজারের বেশি গানের রচয়িতার। দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বেতার, টেলিভিশন, সিনেমাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এসব গান রচনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। এসব গানে তার কালজয়ী গানও অসংখ্য। বিবিসি বাংলার তৈরি করা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০ বাংলা গানের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা তিনটি। গানে অবদান রাখার জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন এ গীতিকার। গত বছর পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক। এছাড়া পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ার প্রথম গান লেখেন ১৯৬২ সালে। ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’। তবে পেশাদার গীতিকার হিসেবে জীবন শুরু হয় তার এর দুবছর পরেই। ১৯৬৪ সালে রেডিও পাকিস্তানে গান লিখে ৫০ টাকা আয় করেন। এর পর থেকে আর কলম থামাননি। লিখে গেছেন একের পর এক হৃদয় রাঙানো গান। তার গানে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, প্রকৃতি, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, স্নেহ ও অনুভূতির কথা। বাংলা চলচ্চিত্রে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের রচিত প্রথম গান শোনা যায় সুভাষ দত্তের ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ সিনেমায়। গানটি হলো ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’। প্রথম গানেই বাজিমাত করেন মাজহারুল আনোয়ার। এরপর থেকে একের পর এক কালজয়ী গান উপহার দিতে থাকেন এ গীতিকার। তার লেখা তার লেখা কিছু কালজয়ী গান হলো-‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’, ‘আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘গানের খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’, ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘ও পাখি তোর যন্ত্রণা’, ‘ইশারায় শীষ দিয়ে’, ‘চোখের নজর এমনি কইরা’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘চলে আমার সাইকেল হাওয়ার বেগে’ প্রভৃতি। একজন সফল চলচ্চিত্র পরিচালক, কাহিনিকার ও প্রযোজকও অসংখ্য গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ার পর গাজী মাজহারুল আনোয়ার চিত্রনাট্য, গান, সংলাপ ও কাহিনি রচনা শুরু করেন। জনপ্রিয় বেশ কিছু ঢাকাই সিনেমার পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন তিনি। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দেশ চিত্রকথা থেকে ‘শাস্তি’, ‘স্বাধীন’, ‘শর্ত’, ‘সমর’, ‘শ্রদ্ধা’, ‘ক্ষুধা’, ‘স্নেহ’, ‘তপস্যা’, ‘উল্কা’, ‘আম্মা’, ‘পরাধীন’, ‘আর্তনাদ’, ‘পাষাণের প্রেম’, ‘এই যে দুনিয়া’ নামের চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছে।

নিউজ ডেস্ক: হঠাৎ করেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন কিংবদন্তি গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার।

রোববার ভোরে ঘুম থেকে উঠে শৌচকাজে যাওয়ার সময় পড়ে আহত হন তিনি।  হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এভাবেই জীবনাবসান হলো ২০ হাজারের বেশি গানের রচয়িতার।

দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে বেতার, টেলিভিশন, সিনেমাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এসব গান রচনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।  এসব গানে তার কালজয়ী গানও অসংখ্য।

বিবিসি বাংলার তৈরি করা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০ বাংলা গানের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা তিনটি।

গানে অবদান রাখার জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন এ গীতিকার।  গত বছর পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক। এছাড়া পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার প্রথম গান লেখেন ১৯৬২ সালে। ‘বুঝেছি মনের বনে রং লেগেছে’।  তবে পেশাদার গীতিকার হিসেবে জীবন শুরু হয় তার এর দুবছর পরেই।  ১৯৬৪ সালে রেডিও পাকিস্তানে গান লিখে ৫০ টাকা আয় করেন।  এর পর থেকে আর কলম থামাননি।

লিখে গেছেন একের পর এক হৃদয় রাঙানো গান।  তার গানে উঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম, প্রকৃতি, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, স্নেহ ও অনুভূতির কথা।

বাংলা চলচ্চিত্রে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের রচিত প্রথম গান শোনা যায় সুভাষ দত্তের ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ সিনেমায়।  গানটি হলো ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’।  প্রথম গানেই বাজিমাত করেন মাজহারুল আনোয়ার।

এরপর থেকে একের পর এক কালজয়ী গান উপহার দিতে থাকেন এ গীতিকার।  তার লেখা তার লেখা কিছু কালজয়ী গান হলো-‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’, ‘আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘গানের খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল’, ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘ও পাখি তোর যন্ত্রণা’, ‘ইশারায় শীষ দিয়ে’, ‘চোখের নজর এমনি কইরা’, ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘চলে আমার সাইকেল হাওয়ার বেগে’ প্রভৃতি।

একজন সফল চলচ্চিত্র পরিচালক, কাহিনিকার ও প্রযোজকও অসংখ্য গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ১৯৬৫ সালে চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ার পর গাজী মাজহারুল আনোয়ার চিত্রনাট্য, গান, সংলাপ ও কাহিনি রচনা শুরু করেন।

জনপ্রিয় বেশ কিছু ঢাকাই সিনেমার পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন তিনি। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দেশ চিত্রকথা থেকে ‘শাস্তি’, ‘স্বাধীন’, ‘শর্ত’, ‘সমর’, ‘শ্রদ্ধা’, ‘ক্ষুধা’, ‘স্নেহ’, ‘তপস্যা’, ‘উল্কা’, ‘আম্মা’, ‘পরাধীন’, ‘আর্তনাদ’, ‘পাষাণের প্রেম’, ‘এই যে দুনিয়া’ নামের চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছে।

সূত্র: যুগান্তর