ইডির অভিযোগ নিয়ে এবার মুখ খুললেন জ্যাকুলিন

3
সম্প্রতি ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ২০০ কোটি রুপি প্রতারণার মামলার চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের নাম উল্লেখ করেছেন। প্রমাণ হিসেবে তার একাধিক ফিক্সড ডিপোজিটের তথ্যও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে জ্যাকুলিনকে। তিনি ইডির কাছে ওইসব বিনিয়োগের অর্থ নিজের উপার্জনের বলে দাবি করেছেন। প্রতারণার মামলাটির মূল আসামি সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে এই অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি। প্রিভেনশন অব মানিলন্ডারিংয়ের দায়িত্বে থাকা সংস্থাটিকে জ্যাকুলিন জানান, ওই ফিক্সড ডিপোজিটের সব টাকা তার ব্যক্তিগত। অপরাধমূলকভাবে সংগ্রহীত কোনো টাকা নয়। সেই বিনিয়োগগুলো সুকেশ চন্দ্রশেখরকে চেনার আগের। ফিক্সড ডিপোজিটের সময় তার জানাও ছিল না এই নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব রয়েছে। এদিকে চার্জশিটের পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে জ্যাকুলিনকে ফাঁসানো হয়েছে। ১৭ আগস্ট দিল্লি হাইকোর্টে দাখিল করা অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে, জেলবন্দি জালিয়াত সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের প্রতারণা করে নেওয়া প্রায় ১০ কোটি রুপির টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে সাত কোটিরও বেশি সম্পত্তি ইতোমধ্যে বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ২০০ কোটি রুপি প্রতারণার মামলার চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের নাম উল্লেখ করেছেন। প্রমাণ হিসেবে তার একাধিক ফিক্সড ডিপোজিটের তথ্যও দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে জ্যাকুলিনকে। তিনি ইডির কাছে ওইসব বিনিয়োগের অর্থ নিজের উপার্জনের বলে দাবি করেছেন। প্রতারণার মামলাটির মূল আসামি সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে এই অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।

প্রিভেনশন অব মানিলন্ডারিংয়ের দায়িত্বে থাকা সংস্থাটিকে জ্যাকুলিন জানান, ওই ফিক্সড ডিপোজিটের সব টাকা তার ব্যক্তিগত। অপরাধমূলকভাবে সংগ্রহীত কোনো টাকা নয়। সেই বিনিয়োগগুলো সুকেশ চন্দ্রশেখরকে চেনার আগের। ফিক্সড ডিপোজিটের সময় তার জানাও ছিল না এই নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব রয়েছে।

এদিকে চার্জশিটের পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে জ্যাকুলিনকে ফাঁসানো হয়েছে।

১৭ আগস্ট দিল্লি হাইকোর্টে দাখিল করা অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে, জেলবন্দি জালিয়াত সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের প্রতারণা করে নেওয়া প্রায় ১০ কোটি রুপির টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে সাত কোটিরও বেশি সম্পত্তি ইতোমধ্যে বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

সূত্র: যুগান্তর