যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট, যে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে জাপান

3
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে জাপানও। কিন্তু দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ইঙ্গিত দিল জাপান সরকার। ফুকুশিমা দুর্ঘটনার এক দশক পর এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দেশটি। বুধবার জ্বালানি নীতিবিষয়ক এক বৈঠকে এ ইঙ্গিত দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী বেড়েছে জ্বালানির দাম। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নতুনভাবে নির্মাণ এবং বন্ধ রিঅ্যাক্টরগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। এর আগে ২০১১ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামিতে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ডুবে গেলে জাপানে দেখা দেয় জরুরি অবস্থা। ফুকুশিমা তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কারণে অঞ্চলটি থেকে দেড় লাখ মানুষকে সরানো হয়। আন্তর্জাতিক আণবিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুসার, জাপানের ৫০টি সক্রিয়া বিদ্যুৎ রিঅ্যাক্টর ছিল। কিন্তু, ওই দুর্ঘটনার পর ৪৬টি বাতিল করা হয়। সেই পরিস্থিতি থেকে জাপান নতুন কেন্দ্র নির্মাণের পথে হাঁটলে, সেটি হবে বির্তকিত নীতিগত পরিবর্তন। সূত্র: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে জাপানও। কিন্তু দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ইঙ্গিত দিল জাপান সরকার। ফুকুশিমা দুর্ঘটনার এক দশক পর এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দেশটি।

বুধবার জ্বালানি নীতিবিষয়ক এক বৈঠকে এ ইঙ্গিত দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা।

তিনি বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী বেড়েছে জ্বালানির দাম। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নতুনভাবে নির্মাণ এবং বন্ধ রিঅ্যাক্টরগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

এর আগে ২০১১ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামিতে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ডুবে গেলে জাপানে দেখা দেয় জরুরি অবস্থা। ফুকুশিমা তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কারণে অঞ্চলটি থেকে দেড় লাখ মানুষকে সরানো হয়। আন্তর্জাতিক আণবিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুসার, জাপানের ৫০টি সক্রিয়া বিদ্যুৎ রিঅ্যাক্টর ছিল। কিন্তু, ওই দুর্ঘটনার পর ৪৬টি বাতিল করা হয়। সেই পরিস্থিতি থেকে জাপান নতুন কেন্দ্র নির্মাণের পথে হাঁটলে, সেটি হবে বির্তকিত নীতিগত পরিবর্তন।

সূত্র: রয়টার্স

সূত্র: যুগান্তর