পিকে হালদারের দুই নারী সহযোগী গ্রেফতার

8
বাংলাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচারে জড়িত পিকে (প্রশান্ত কুমার) হালদারের দুই নারী সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। দেশ ত্যাগের সময় এই দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বুধবার সকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আল আমিন। তিনি বলেন, পিএলএফএসএল কোম্পানির প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎকারী পিকে হালদার ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার আছেন। তার দুই নারী সহযোগী বাংলাদেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওপর র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি চলছিল। এরই ভিত্তিতে পিকে হালদারের দুই নারী সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে গ্রেফতারদের নাম প্রকাশ না করা হলেও এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে কারওয়ানবাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ জালিয়াত পিকে হালদারের (প্রশান্ত কুমার হালদার) ১৫ বান্ধবী ও ঘনিষ্ঠ নারীদের ব্যাংক হিসাবে অন্তত ৮৬৭ কোটি টাকার সন্ধান পাওয়া গেছে। উপহার, গাড়ি ও ফ্ল্যাট কিনে দেওয়া, দেশে-বিদেশে ভ্রমণসহ বিভিন্ন অজুহাতে ঋণের নামে তাদের এ অর্থ দেওয়া হয়। পিপলস লিজিংসহ চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অঙ্কের এ অর্থ নারীদের নামে-বেনামের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। আরও জানা গেছে— কখনো ঋণের নামে, কখনো বিনোদন ভাতার নামে আবার কখনো অবৈধ টাকা আড়াল করতে পিকে হালদার এসব কাজ করেন। কোনো কোনো বান্ধবীর নামে ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর ছাড়াও ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি কিনে দিয়েছেন। আবার কাউকে দেশে-বিদেশে পাঁচতারকা হোটেলে নিয়ে আনন্দ-ফূর্তিও করেছেন তিনি। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলে পিকে হালদারের এক বান্ধবী দেশ ছেড়ে কানাডায় পালিয়ে যান। তিনি এখন পিকে হালদারের নিয়ন্ত্রণেই ওই দেশে আছেন। বান্ধবীদের নামে অর্থকড়ি খরচের পাশাপাশি নিজেকে আড়ালে রাখতে আর্থিক জালিয়াতিতে পিকে হালদারের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও সহকর্মীদেরও ব্যবহার করেন। দুদকের অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. ইকবাল মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, যারা দেশের আর্র্থিক খাত লোপাট করে নিঃশেষ করে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দুদকের জোরদার কাজ চলছে। অনুসন্ধানে যাদের নাম আসবে কাউকেই ছাড়া হবে না।

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচারে জড়িত পিকে (প্রশান্ত কুমার) হালদারের দুই নারী সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। দেশ ত্যাগের সময় এই দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

বুধবার সকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আল আমিন।

তিনি বলেন, পিএলএফএসএল কোম্পানির প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎকারী পিকে হালদার ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার আছেন। তার দুই নারী সহযোগী বাংলাদেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওপর র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি চলছিল। এরই ভিত্তিতে পিকে হালদারের দুই নারী সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে গ্রেফতারদের নাম প্রকাশ না করা হলেও এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে কারওয়ানবাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ জালিয়াত পিকে হালদারের (প্রশান্ত কুমার হালদার) ১৫ বান্ধবী ও ঘনিষ্ঠ নারীদের ব্যাংক হিসাবে অন্তত ৮৬৭ কোটি টাকার সন্ধান  পাওয়া গেছে। উপহার, গাড়ি ও ফ্ল্যাট কিনে দেওয়া, দেশে-বিদেশে ভ্রমণসহ বিভিন্ন অজুহাতে ঋণের নামে তাদের এ অর্থ দেওয়া হয়। পিপলস লিজিংসহ চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অঙ্কের এ অর্থ নারীদের নামে-বেনামের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

আরও জানা গেছে— কখনো ঋণের নামে, কখনো বিনোদন ভাতার নামে আবার কখনো অবৈধ টাকা আড়াল করতে পিকে হালদার এসব কাজ করেন। কোনো কোনো বান্ধবীর নামে ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর ছাড়াও ফ্ল্যাট ও দামি গাড়ি কিনে দিয়েছেন। আবার কাউকে দেশে-বিদেশে পাঁচতারকা হোটেলে নিয়ে আনন্দ-ফূর্তিও করেছেন তিনি। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলে পিকে হালদারের এক বান্ধবী দেশ ছেড়ে কানাডায় পালিয়ে যান। তিনি এখন পিকে হালদারের নিয়ন্ত্রণেই ওই দেশে আছেন। বান্ধবীদের নামে অর্থকড়ি খরচের পাশাপাশি নিজেকে আড়ালে রাখতে আর্থিক জালিয়াতিতে পিকে হালদারের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও সহকর্মীদেরও ব্যবহার করেন।

দুদকের অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. ইকবাল মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, যারা দেশের আর্র্থিক খাত লোপাট করে নিঃশেষ করে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দুদকের জোরদার কাজ চলছে। অনুসন্ধানে যাদের নাম আসবে কাউকেই ছাড়া হবে না।

সূত্র: যুগান্তর