বুস্টার ডোজ নেওয়া শতভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি

3
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোডিড-১৯ ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ নিয়ে পরিচালিত ‘Antibody Titre Six Months after Third Dose of Vaccination against SARS-CoV-2’ শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুস্টার গ্রহণের এক মাস পরে শতভাগ অংশগ্রহণকারীর শরীরেই অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে বলে গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে গবেষণার ফল ঘোষণা করেন গবেষণার প্রধান পৃষ্ঠপোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়, বুস্টার গ্রহণের এক মাস পরে শতভাগ অংশগ্রহণকারীর শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে এবং প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির মাত্রা ফের বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২০৮৭৮ AU/ml। তবে বুস্টার গ্রহণের ৬ মাস পরেও শতভাগ অংশগ্রহণকারীদের দেহেই অ্যান্টিবডি পাওয়া যায় কিন্তু প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির মাত্রা কমে গড় অ্যান্টিবডির মাত্রা দাঁড়িয়েছে ১০৬৭৫.৭ AU/ml। এর মধ্যে যাদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। রক্তের প্যারামিটার গুলোতে (হিমোগ্লোবিন, প্লেটলেট সহ অন্যান্য) উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে জানানো হয়, অ্যান্টিবডির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় বুস্টার ডোজ গ্রহণকারীদের চতুর্থ ডোজ নিতে হবে কি না সে সিদ্ধান্ত নিবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, বেসিক সাইন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শিরিন তরফদার, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ডা. মো. হারিসুল হক, হেমাটোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহউদ্দীন শাহ প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোভিড-১৯ মাহামারিতে বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ৬০ কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত ৬৪ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২০ লাখের বেশি কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়েছে এবং এই রোগে ২৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। কোভিড-১৯ বিপর্যয় প্রতিরোধের লক্ষ্যে সারা বিশ্বব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম চলমান আছে। তিনি আরও বলেন, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত এবং ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট প্রস্তুত করা কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দিয়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয় এবং পরবর্তীতে ফাইজার, মডার্না সিনোভ্যাকসহ বিভিন্ন টিকা এ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ কোটি মানুষ ডোজ এবং ১২ কোটিরও বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, মানবদেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী করা টিকাদানের উদ্দেশ্য। টিকা গ্রহীতার দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার এবং আক্রান্ত হলে রোগের তীব্রতার সম্ভাবনা সাধারণত কমে যায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হেমাটোলজি বিভাগে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। এ গবেষণায় বুস্টার ডোজ গ্রহণের ছয়মাস পর শরীরে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি অ্যান্টিবডি এর মাত্রা পরিমাপ করা হয়। তিনি জানান, এর আগে পরিচালিত গবেষণায় কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের একমাস পরে ২২৩ জনের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল। যারা আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছিল। টিকা গ্রহণের ৬ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০ জন টিকা গ্রহীতার ক্ষেত্রে দেখা যায়, ৭৩ শতাংশের অ্যান্টিবডির মাত্রা হ্রাস পেয়ে গড় অ্যান্টিবডির মাত্রা ৬৭৯২ AU/ml থেকে ৩৯৬৩ AU/ml তে নেমে এসেছিল। এ সময় ২ জন টাকা গ্রহীতার দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়নি। উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারিতা এবং সময়ের সাথে অ্যান্টিবডি কমে যাবার প্রমাণ এ গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যে পাওয়া যায়। যারা বয়স্ক বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অধিকারী তাদের ক্ষেত্রে এবং সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে পুনরায় ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিধির যথাযথ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। ফলাফল প্রকাশ শেষে বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি)র উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু কর্নারে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। এসব বই মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের হাতে তুলে দেন পিআইবির মহাপরিচালক বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক জাফর ওয়াজেদ।

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোডিড-১৯ ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ নিয়ে পরিচালিত ‘Antibody Titre Six Months after Third Dose of Vaccination against SARS-CoV-2’ শীর্ষক গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

বুস্টার গ্রহণের এক মাস পরে শতভাগ অংশগ্রহণকারীর শরীরেই অ্যান্টিবডি পাওয়া  গেছে বলে গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে গবেষণার ফল ঘোষণা করেন গবেষণার প্রধান পৃষ্ঠপোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়, বুস্টার গ্রহণের এক মাস পরে শতভাগ অংশগ্রহণকারীর শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া  গেছে এবং প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির মাত্রা ফের বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২০৮৭৮ AU/ml।

তবে বুস্টার গ্রহণের ৬ মাস পরেও শতভাগ অংশগ্রহণকারীদের দেহেই অ্যান্টিবডি পাওয়া যায় কিন্তু প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির মাত্রা কমে গড় অ্যান্টিবডির মাত্রা দাঁড়িয়েছে ১০৬৭৫.৭ AU/ml।

এর মধ্যে যাদের কোভিড আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। রক্তের প্যারামিটার গুলোতে (হিমোগ্লোবিন, প্লেটলেট সহ অন্যান্য) উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে জানানো হয়, অ্যান্টিবডির পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় বুস্টার ডোজ গ্রহণকারীদের চতুর্থ ডোজ নিতে হবে কি না সে সিদ্ধান্ত নিবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য  (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন,  বেসিক সাইন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শিরিন তরফদার,  প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ডা. মো. হারিসুল হক,  হেমাটোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহউদ্দীন শাহ প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোভিড-১৯ মাহামারিতে বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ৬০ কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত ৬৪ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২০ লাখের বেশি কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়েছে এবং এই রোগে ২৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। কোভিড-১৯ বিপর্যয় প্রতিরোধের লক্ষ্যে সারা বিশ্বব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি আরও বলেন, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত এবং ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট প্রস্তুত করা কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দিয়ে টিকা কার্যক্রম শুরু হয় এবং পরবর্তীতে ফাইজার, মডার্না সিনোভ্যাকসহ বিভিন্ন টিকা এ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ কোটি মানুষ ডোজ এবং ১২ কোটিরও বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ এবং ৪ কোটিরও বেশি মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, মানবদেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী করা টিকাদানের উদ্দেশ্য। টিকা গ্রহীতার দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার এবং আক্রান্ত হলে রোগের তীব্রতার সম্ভাবনা সাধারণত কমে যায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হেমাটোলজি বিভাগে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। এ গবেষণায় বুস্টার ডোজ গ্রহণের ছয়মাস পর শরীরে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি অ্যান্টিবডি এর মাত্রা পরিমাপ করা হয়।

তিনি জানান, এর আগে পরিচালিত গবেষণায় কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের একমাস পরে ২২৩ জনের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল। যারা আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছিল। টিকা গ্রহণের ৬ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবডির পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে।  তাদের মধ্যে ৩০ জন টিকা গ্রহীতার ক্ষেত্রে দেখা যায়, ৭৩ শতাংশের অ্যান্টিবডির মাত্রা হ্রাস পেয়ে গড় অ্যান্টিবডির মাত্রা ৬৭৯২ AU/ml থেকে ৩৯৬৩ AU/ml তে নেমে এসেছিল। এ সময় ২ জন টাকা গ্রহীতার দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়নি।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারিতা এবং সময়ের সাথে অ্যান্টিবডি কমে যাবার প্রমাণ এ গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যে পাওয়া যায়। যারা বয়স্ক বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অধিকারী তাদের ক্ষেত্রে এবং সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে পুনরায় ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এই ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিধির যথাযথ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।

ফলাফল প্রকাশ শেষে বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি)র উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু কর্নারে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।  এসব বই মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের হাতে তুলে দেন পিআইবির মহাপরিচালক বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক জাফর ওয়াজেদ।

সূত্র: যুগান্তর