কালোবাজারে বিক্রির জন্য নেওয়া সার জব্দ, ডিলারসহ আটক ২

5
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় রাতের অন্ধকারে সরকারি বিএডিসির ইউরিয়া সার কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে পাচার করার সময় ডিলারসহ দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফলহারি গ্রামের মৃত খুরশিদ আলমের ছেলে ডিলার দেলোয়ার হোসেন মিলন (৪৫) ও একই গ্রামের পিকআপ চালক গিয়াস উদ্দিন (১৯)। শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মাওলানা বাজার এলাকা থেকে পিকআপভর্তি ২ হাজার ২৫০ কেজি (২ মেট্রিক টন) বিডিএস ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। নরোত্তমপুর ইউনিয়নের করম বক্স বাজারের সারের সাব ডিলার শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ডিলার মিলন বরাদ্দ অনুসারে সার উত্তোলন করে বাহিরে বিক্রি করে দেয়। তার নামে বরাদ্দ দেওয়া সার থেকে ২ হাজার ২৫০ কেজি সার অবৈধভাবে বিক্রির জন্য রাতের অন্ধকারে নরোত্তমপুর ইউনিয়নের করম বক্স বাজারের গুদাম থেকে পাচার করে বেগমগঞ্জ উপজেলার মুন্সিরহাট বাজারে নেওয়ার পথে সারগুলো মাওলানা বাজারে আটক করা হয়। তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে পুলিশ তাকে সারসহ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নরোত্তমপুর ইউনিয়নে ৯ জন সারের সাব ডিলার থাকার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৭ জন সাব ডিলার রয়েছে। নিয়মিত সার নেয় ৩ জন ডিলার। ডিলারের সাব ডিলারের কাছে সার বিক্রির কথা থাকলেও তিনি বেশি দামে বাহিরে সার বিক্রি করে দেন। সারের দাম বাড়ার আগে ৩০০ বস্তা সার নিয়ে আসে ডিলার মিলন। এরপর আমি ২০ বস্তা সার চাইলে তিনি বলেন সার নেই। পরে কৃষি কর্মকর্তা জরিপ দেখে তার গোডাউনে ১৫০ বস্তা সার রয়েছে। সে বেশি দামে সাধারণ মানুষের কাছে এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার মুন্সিরহাট বাজারে সার বিক্রি করে ও মেমো ছাড়া সাব ডিলারদের কাছে সার বিক্রি করে। পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার ১নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের সারের ডিলার মিলন বিএডিসির ইউরিয়া সার কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মুন্সিরহাটের অজ্ঞাত সার ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মিনি পিকআপযোগে নেওয়ার পথে মাওলানা বাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজন আটক করে। সংবাদ পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডিলার মিলন ও চালক গিয়াস উদ্দিন পুলিশ হেফাজতে নেয়। বর্তমানে আটককৃতরা কবিরহাট থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপভর্তি সারসহ ২ জনকে আটক করে থানায় এনে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ ডেস্ক: নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় রাতের অন্ধকারে সরকারি বিএডিসির ইউরিয়া সার কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে পাচার করার সময় ডিলারসহ দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।

আটককৃতরা হলেন- উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফলহারি গ্রামের মৃত খুরশিদ আলমের ছেলে ডিলার দেলোয়ার হোসেন মিলন (৪৫) ও একই গ্রামের পিকআপ চালক গিয়াস উদ্দিন (১৯)।

শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মাওলানা বাজার এলাকা থেকে পিকআপভর্তি ২ হাজার ২৫০ কেজি (২ মেট্রিক টন) বিডিএস ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।

নরোত্তমপুর ইউনিয়নের করম বক্স বাজারের সারের সাব ডিলার শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ডিলার মিলন বরাদ্দ অনুসারে সার উত্তোলন করে বাহিরে বিক্রি করে দেয়। তার নামে বরাদ্দ দেওয়া সার থেকে ২ হাজার ২৫০ কেজি সার অবৈধভাবে বিক্রির জন্য রাতের অন্ধকারে নরোত্তমপুর ইউনিয়নের করম বক্স বাজারের গুদাম থেকে পাচার করে বেগমগঞ্জ উপজেলার মুন্সিরহাট বাজারে নেওয়ার পথে সারগুলো মাওলানা বাজারে আটক করা হয়। তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে পুলিশ তাকে সারসহ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নরোত্তমপুর ইউনিয়নে ৯ জন সারের সাব ডিলার থাকার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৭ জন সাব ডিলার রয়েছে। নিয়মিত সার নেয় ৩ জন ডিলার। ডিলারের সাব ডিলারের কাছে সার বিক্রির কথা থাকলেও তিনি বেশি দামে বাহিরে সার বিক্রি করে দেন। সারের দাম বাড়ার আগে ৩০০ বস্তা সার নিয়ে আসে ডিলার মিলন। এরপর আমি ২০ বস্তা সার চাইলে তিনি বলেন সার নেই। পরে কৃষি কর্মকর্তা জরিপ দেখে তার গোডাউনে ১৫০ বস্তা সার রয়েছে। সে বেশি দামে সাধারণ মানুষের কাছে এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার মুন্সিরহাট বাজারে সার বিক্রি করে ও মেমো ছাড়া সাব ডিলারদের কাছে সার বিক্রি করে।

পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার ১নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের সারের ডিলার মিলন বিএডিসির ইউরিয়া সার কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মুন্সিরহাটের অজ্ঞাত সার ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মিনি পিকআপযোগে নেওয়ার পথে মাওলানা বাজার এলাকায় স্থানীয় লোকজন আটক করে। সংবাদ পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডিলার মিলন ও চালক গিয়াস উদ্দিন পুলিশ হেফাজতে নেয়। বর্তমানে আটককৃতরা কবিরহাট থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পিকআপভর্তি সারসহ ২ জনকে আটক করে থানায় এনে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: যুগান্তর