সু চির সঙ্গে আলোচনায় বসবে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান

8
ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গৃহবন্দি থাকা মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। শুক্রবার এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান একথা জানান। খবর এএফপির। তিনি বলেন, জান্তাচালিত আদালতে সু চির বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর চলমান সংকটের অবসান ঘটাতে তার (সু চি) সঙ্গে আলোচনার জন্য জান্তার দ্বার উন্মুক্ত। মিন অং হ্লাইং বলেন, আইন অনুসারে সু চির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আমরা তার প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে (আলোচনার বিষয়টি) বিবেচনা করতে যাচ্ছি। ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে জাতীয় ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে। এএফপি বলছে, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন অভিযোগে অং সান সু চিকে এখন পর্যন্ত ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে সু চির বিরুদ্ধে আরও কয়েক দশকের কারাদণ্ড ঘোষণা করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, ক্ষমতা দখলের পর থেকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানে দুই হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গৃহবন্দি থাকা মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান একথা জানান। খবর এএফপির।

তিনি বলেন, জান্তাচালিত আদালতে সু চির বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর চলমান সংকটের অবসান ঘটাতে তার (সু চি) সঙ্গে আলোচনার জন্য জান্তার দ্বার উন্মুক্ত।

মিন অং হ্লাইং বলেন, আইন অনুসারে সু চির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আমরা তার প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে (আলোচনার বিষয়টি) বিবেচনা করতে যাচ্ছি।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে জাতীয় ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে।

এএফপি বলছে, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভিন্ন অভিযোগে অং সান সু চিকে এখন পর্যন্ত ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে সু চির বিরুদ্ধে আরও কয়েক দশকের কারাদণ্ড ঘোষণা করা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ক্ষমতা দখলের পর থেকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানে দুই হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

সূত্র: যুগান্তর