কাবা শরিফ পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নিলেন সৌদি যুবরাজ

5
নিয়মানুযায়ী প্রতি বছর দুবার কাবা শরিফ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। জমজমের পানির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে ধৌত করা হয় পবিত্র কাবাঘর। সে হিসাবে সোমবার আরবি ১৪৪৪ হিজরি সালের প্রথমবার মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে পবিত্রতম এ স্থাপনা ধৌত করা হয়। এ বছর কাবা শরিফের পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নিয়েছেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ। এতে বলা হয়, দেশটির শাসক বাদশাহ সালমানের পক্ষে পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন তার ছেলে মোহাম্মদ। খবরে বলা হয়, আল হারামাইনিশ শারিফাইনের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক শায়খ আব্দুর রহমান আস সুদাইস যুবরাজ ও তার সঙ্গীদের স্বাগত জানান। কাবা শরিফে পরিচ্ছন্নতা কাজের সময় সৌদি যুবরাজের সঙ্গে দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল ও সৌদি আরবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেওয়ার আগে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কাবা শরিফ তাওয়াফ করেন এবং সেখানে নামাজ আদায় ও প্রার্থনা করেন। প্রসঙ্গত, কাবাঘর গোসলের এ ধারাবাহিকতা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই শুরু হয়েছে। মক্কা বিজয়ের পরে কাবাঘর থেকে মূর্তি অপসারণ শেষে তিনি সর্বপ্রথম তা ধৌত করেন। পরে খোলাফায়ে রাশেদাও এই ধারা অব্যাহত রাখেন। সুন্নতের অনুসরণে বর্তমান শাসকরাও কাবাঘর ধোয়ার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন।

নিউজ ডেস্ক: নিয়মানুযায়ী প্রতি বছর দুবার কাবা শরিফ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। জমজমের পানির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে ধৌত করা হয় পবিত্র কাবাঘর।

সে হিসাবে সোমবার আরবি ১৪৪৪ হিজরি সালের প্রথমবার মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে পবিত্রতম এ স্থাপনা ধৌত করা হয়। এ বছর কাবা শরিফের পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নিয়েছেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ। এতে বলা হয়, দেশটির শাসক বাদশাহ সালমানের পক্ষে পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন তার ছেলে মোহাম্মদ।

খবরে বলা হয়, আল হারামাইনিশ শারিফাইনের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক শায়খ আব্দুর রহমান আস সুদাইস যুবরাজ ও তার সঙ্গীদের স্বাগত জানান। কাবা শরিফে পরিচ্ছন্নতা কাজের সময় সৌদি যুবরাজের সঙ্গে দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল ও সৌদি আরবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ছিলেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেওয়ার আগে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কাবা শরিফ তাওয়াফ করেন এবং সেখানে নামাজ আদায় ও প্রার্থনা করেন।

প্রসঙ্গত, কাবাঘর গোসলের এ ধারাবাহিকতা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই শুরু হয়েছে।

মক্কা বিজয়ের পরে কাবাঘর থেকে মূর্তি অপসারণ শেষে তিনি সর্বপ্রথম তা ধৌত করেন। পরে খোলাফায়ে রাশেদাও এই ধারা অব্যাহত রাখেন।

সুন্নতের অনুসরণে বর্তমান শাসকরাও কাবাঘর ধোয়ার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন।

সূত্র: যুগান্তর
https://youtu.be/29PHB9Cc1Lo