জাপোরিঝিয়া পরমাণবিক প্ল্যান্টে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়ছে: মেয়র

4
ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পরমাণবিক প্ল্যান্টে প্রতিনিয়ত বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এনেরগোদার শহরের মেয়র দিমিত্রো অরলোভ। গত কয়েক দিন ধরে গোলাবর্ষণের ঘটনায় সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি। রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরকে এখানে হামলা জন্য দায়ী করে আসছে। খবর আলজাজিরার। এই প্ল্যান্টটি ইউরোপের সর্ববৃহৎ। ইউক্রেনে হামলা করার কয়েক দিন পরই রুশ সেনারা প্ল্যান্টটি দখল করেন। এর পর তাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে এটি। তবে কাজ করছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাই। এই প্ল্যান্টটিতে গোলাবর্ষণের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়েছে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা ও জাতিসংঘ। শহরের মেয়র দিমিত্রো অরলোভ রোববার বলেন, দিন দিন জাপোরিঝিয়া পরমাণবিক প্ল্যান্টের অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিস্ফোরণ হলে রেডিওঅ্যাকটিভের মেঘের কারণে হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নিতে হবে। মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাবে। যদি প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিকিরণ হয়, তা হলে এর প্রভাব কয়েক বছর পর টের পাওয়া যাবে। এর পর বিষাক্ত মেঘের সৃষ্টি হবে। যদিও এই মেঘ খালি চোখে দেখা যাবে না। বিস্ফোরণের কারণে বিকিরণ বিষক্রিয়া অথবা ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ারি দিয়েছেন, বিকিরণ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে যেতে পারে। এদিকে জাপোরিঝিয়া প্ল্যান্টে হামলার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে রাশিয়া-ইউক্রেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সংবেদনশীল হওয়ার জন্য দুপক্ষকেই আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পরমাণবিক প্ল্যান্টে প্রতিনিয়ত বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এনেরগোদার শহরের মেয়র দিমিত্রো অরলোভ।

গত কয়েক দিন ধরে গোলাবর্ষণের ঘটনায় সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি।

রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরকে এখানে হামলা জন্য দায়ী করে আসছে। খবর আলজাজিরার।

এই প্ল্যান্টটি ইউরোপের সর্ববৃহৎ। ইউক্রেনে হামলা করার কয়েক দিন পরই রুশ সেনারা প্ল্যান্টটি দখল করেন।

এর পর তাদের নিয়ন্ত্রণে চলছে এটি। তবে কাজ করছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাই।

এই প্ল্যান্টটিতে গোলাবর্ষণের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়েছে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা ও জাতিসংঘ।

শহরের মেয়র দিমিত্রো অরলোভ রোববার বলেন, দিন দিন জাপোরিঝিয়া পরমাণবিক প্ল্যান্টের অবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

বিস্ফোরণ হলে রেডিওঅ্যাকটিভের মেঘের কারণে হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নিতে হবে। মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাবে।

যদি প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিকিরণ হয়, তা হলে এর প্রভাব কয়েক বছর পর টের পাওয়া যাবে।

এর পর বিষাক্ত মেঘের সৃষ্টি হবে। যদিও এই মেঘ খালি চোখে দেখা যাবে না। বিস্ফোরণের কারণে বিকিরণ বিষক্রিয়া অথবা ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ।

বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ারি দিয়েছেন, বিকিরণ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে যেতে পারে।

এদিকে জাপোরিঝিয়া প্ল্যান্টে হামলার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে রাশিয়া-ইউক্রেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সংবেদনশীল হওয়ার জন্য দুপক্ষকেই আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

সূত্র: যুগান্তর