স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান অভাবনীয় ও অভূতপূর্ব

4
বঙ্গবন্ধুর শাসনামল ছিল অতি অল্প সময়, কিন্তু এই অল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু জাতির জন্য যে অবদান রেখে গেছেন তা অভাবনীয় ও অভূতপূর্ব। তিনি রাজধানী ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলকে হাসপাতালে রূপান্তর করে সেখানে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির কারখানা হিসেবে গড়ে তুলেন। আর চিকিৎসকদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিয়ে দেশের চিকিৎসাখাতকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা অন্য উচ্চতায় চলে যেত। যুগান্তরকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন স্বাধীনতাপদকপ্রাপ্ত দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা এম ইউ কবীর চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যখন শাসনভার হাতে নিলেন, এই শাসনভার হাতে নিয়ে চিন্তা করলেন- একটি সুস্থ জাতির প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজন উন্নত স্বাস্থ্যসেবা। ওই স্বাস্থ্যসেবা ঠিক করার জন্য প্রথমেই ঠিক করলেন মানুষের পুষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি পুষ্টি ইনস্টিটিউশন স্থাপন করলেন। স্বাস্থ্য সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শুরু করলেন নানা পদক্ষেপ। তখনকার থানা পর্যায়ের হাসপাতালকে একটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করেন। যেখানে এমবিবিএস ডাক্তারসহ কনসালটেন্ট যাবে এরকম একটি ব্যবস্থা করেন। ওই চিন্তাধারার কারণে পরবর্তীতে এখন পর্যন্ত এটা আস্তে আস্তে উন্নতি লাভ করছে। অধ্যাপক ডা এম ইউ কবীর চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু চিন্তা করেন-এই দেশের মানুষের শুধু এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে চলবে না বঙ্গবন্ধু চিন্তা করেন কী করা যায়? তখন ঢাকার একটি পাঁচতারকা মানের শাহবাগ হোটেলকে তিনি হাসপাতালে রূপান্তর করেন। বঙ্গবন্ধু তখন বলেছিলেন, ‘এই দেশে এত হোটেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একটি ভালো হাসপাতাল’। তখন ওই হোটেলকে তিনি হাসপাতালে রূপান্তর করেন যা পিজি হাসপাতাল নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই হাসপাতালের মাধ্যমে চিকিৎসকদের পোস্ট গ্রাজুয়েশন করার সুযোগ তৈরি হয়। আজকের বর্তমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বেশিরভাগই ওই হাসপাতাল থেকে পাস করা। ►পুরো সাক্ষাৎকারটি দেখতে ক্লিক করুন

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধুর শাসনামল ছিল অতি অল্প সময়, কিন্তু এই অল্প সময়ে বঙ্গবন্ধু জাতির জন্য যে অবদান রেখে গেছেন তা অভাবনীয় ও অভূতপূর্ব।

তিনি রাজধানী ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলকে হাসপাতালে রূপান্তর করে সেখানে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির কারখানা হিসেবে গড়ে তুলেন। আর চিকিৎসকদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিয়ে দেশের চিকিৎসাখাতকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা অন্য উচ্চতায় চলে যেত।

যুগান্তরকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন স্বাধীনতাপদকপ্রাপ্ত দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা এম ইউ কবীর চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যখন শাসনভার হাতে নিলেন, এই শাসনভার হাতে নিয়ে চিন্তা করলেন- একটি সুস্থ জাতির প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজন উন্নত স্বাস্থ্যসেবা। ওই স্বাস্থ্যসেবা ঠিক করার জন্য প্রথমেই ঠিক করলেন মানুষের পুষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে।  তিনি পুষ্টি ইনস্টিটিউশন স্থাপন করলেন।  স্বাস্থ্য সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শুরু করলেন নানা পদক্ষেপ।  তখনকার থানা পর্যায়ের হাসপাতালকে একটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করেন।  যেখানে এমবিবিএস ডাক্তারসহ কনসালটেন্ট যাবে এরকম একটি ব্যবস্থা করেন।  ওই চিন্তাধারার কারণে পরবর্তীতে এখন পর্যন্ত এটা আস্তে আস্তে উন্নতি লাভ করছে।

অধ্যাপক ডা এম ইউ কবীর চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু চিন্তা করেন-এই দেশের মানুষের শুধু এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে চলবে না বঙ্গবন্ধু চিন্তা করেন কী করা যায়? তখন ঢাকার একটি পাঁচতারকা মানের শাহবাগ হোটেলকে তিনি হাসপাতালে রূপান্তর করেন। বঙ্গবন্ধু তখন বলেছিলেন, ‘এই দেশে এত হোটেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একটি ভালো হাসপাতাল’।  তখন ওই হোটেলকে তিনি হাসপাতালে রূপান্তর করেন যা পিজি হাসপাতাল নামে পরিচিত ছিল।  বর্তমানে এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।  ওই হাসপাতালের মাধ্যমে চিকিৎসকদের পোস্ট গ্রাজুয়েশন করার সুযোগ তৈরি হয়।  আজকের বর্তমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বেশিরভাগই ওই হাসপাতাল থেকে পাস করা।

►পুরো সাক্ষাৎকারটি দেখতে ক্লিক করুন

সূত্র: যুগান্তর
https://youtu.be/29PHB9Cc1Lo