যে কারণে এশিয়া কাপে সাব্বির

10
এশিয়া কাপে জন্য ১৭ সদস্যের দলে চমক হিসেবে নাম এসেছে সাব্বির রহমান রুম্মনের। যদিও গত কয়েক দিন ধরে স্টাইলিশ ব্যাটার সৌম্য সরকারের নাম শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলে ঠাঁই হয়নি সৌম্যের। অথচ কোথাও পারফর্ম না করে সুযোগ পেয়ে গেলেন সাব্বির। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যর্থ হলে দলে জায়গা হারান সাব্বির। পরে ব্যক্তিগত নানা বিতর্কিত কাণ্ডে আরও পিছিয়ে পড়েন রাজশাহীর এ ক্রিকেটার। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর টি-টোয়েন্টিতে চারটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে খুঁজেও পাওয়া যায়নি তাকে। গত বছর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে ১২ ইনিংস খেলেও ফিফটির দেখা পাননি সাব্বির। সবশেষ বিপিএলে ভালো পারফর্ম করতে না পারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলেই জায়গা হারান। ৬ ম্যাচে ১৮.১৬ গড়ে রান করেন মাত্র ১০৯। তার পরও কেন সাব্বির রহমানকে ফেরানো হলো দলে? সাংবাদিকদের প্রশ্নে সাব্বিরকে দলে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তিনি বলেন, ‘সাব্বির অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখেছি আমরা, টি-টোয়েন্টিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা আছে ওর। এসব চিন্তা-ভাবনা থেকেই দলে নেওয়া হয়েছে। আমরা টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে সাব্বিরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ’ প্রধান নির্বাচক আরও বলেন, ‘কিছু জায়গায় কিছু খেলোয়াড়কে এভাবে চিন্তা করতে হয়, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখতে হয়। যেহেতু এবার আমাদের ইনজুরি সংখ্যা বেশি, সেদিক থেকে একজন বাড়তি মিডল অর্ডার ব্যাটার দরকার। ’ তাই বলে দীর্ঘসময় ধরে খেলায় না থাকা ক্রিকেটারকে এমন মেগা আসরে সিলেক্ট করতে হবে? মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানালেন, সাব্বির পুরোপুরি ফিট আছেন। বাংলাদেশ টাইগার্সের ক্যাম্পে অনুশীলন করে নিজের ফিটনেস ও স্কিল ঝালাই করে নিয়েছেন তিনি। আর সেখানেই তার উন্নতির ঝলক দেখা গেছে বলে দাবি করলেন প্রধান নির্বাচক। প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘সাব্বির ডিপিএলে খুব একটা খারাপ খেলেনি। সে নার্সিংয়ে আছে। কিছু ক্রিকেটারকে দুটি জায়গায় নার্সি করা হচ্ছে। এইচপি স্কোয়াড ও টাইগার্সের ক্যাম্প চলছে, সেখানে তাদের ডেভেলপমেন্ট আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। যেহেতু এখন ঘরোয়া ক্রিকেট নেই, ওই ক্যাম্পে আমরা দেখছি। সেখানেও সাব্বিরকে দেখে আমরা নিয়েছি।’ তবে এশিয়া কাপের আগে বিদেশি দলের বিপক্ষে সাব্বির খেলবেন বলেও জানালেন নান্নু। বললেন, ‘এ জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজে ‘এ’ দলের হয়ে আমরা ওকে পাঠিয়েছি। সেখানে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো অভিজ্ঞতা পাবে। আশা করছি, ওই অভিজ্ঞতা সে কাজে লাগাবে।’ বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে এখনো সীমিত ওভারের সিরিজ শুরুই হয়নি। তাই সাব্বির কেমন ফর্মে আছেন তা জানার সুযোগ মেলেনি এখনো। একসময় বাংলাদেশ দলের নিয়মিত পারফরমার ছিলেন সাব্বির। টি-টোয়েন্টির জন্য তাকে মনে করা হতো দেশের সবচেয়ে উপযুক্ত ক্রিকেটারদের একজন। দারুণ কিছু পারফরম্যান্সও উপহার দিয়েছেন এই সংস্করণে। জাতীয় দলের হার্ডহিটার বলা হতো তাকে। তবে তার ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা ছিল না কখনোই।

নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপে জন্য ১৭ সদস্যের দলে চমক হিসেবে নাম এসেছে সাব্বির রহমান রুম্মনের।

যদিও গত কয়েক দিন ধরে স্টাইলিশ ব্যাটার সৌম্য সরকারের নাম শোনা যাচ্ছিল।  শেষ পর্যন্ত দলে ঠাঁই হয়নি সৌম্যের। অথচ কোথাও পারফর্ম না করে সুযোগ পেয়ে গেলেন সাব্বির।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যর্থ হলে দলে জায়গা হারান সাব্বির। পরে ব্যক্তিগত নানা বিতর্কিত কাণ্ডে আরও পিছিয়ে পড়েন রাজশাহীর এ ক্রিকেটার।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর টি-টোয়েন্টিতে চারটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে খুঁজেও পাওয়া যায়নি তাকে।

গত বছর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে ১২ ইনিংস খেলেও ফিফটির দেখা পাননি সাব্বির। সবশেষ বিপিএলে ভালো পারফর্ম করতে না পারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলেই জায়গা হারান। ৬ ম্যাচে ১৮.১৬ গড়ে রান করেন মাত্র ১০৯।

তার পরও কেন সাব্বির রহমানকে ফেরানো হলো দলে?

সাংবাদিকদের প্রশ্নে সাব্বিরকে দলে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

তিনি বলেন, ‘সাব্বির অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখেছি আমরা, টি-টোয়েন্টিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা আছে ওর। এসব চিন্তা-ভাবনা থেকেই দলে নেওয়া হয়েছে। আমরা টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে সাব্বিরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ’

প্রধান নির্বাচক আরও বলেন, ‘কিছু জায়গায় কিছু খেলোয়াড়কে এভাবে চিন্তা করতে হয়, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখতে হয়। যেহেতু এবার আমাদের ইনজুরি সংখ্যা বেশি, সেদিক থেকে একজন বাড়তি মিডল অর্ডার ব্যাটার দরকার। ’

তাই বলে দীর্ঘসময় ধরে খেলায় না থাকা ক্রিকেটারকে এমন মেগা আসরে সিলেক্ট করতে হবে?

মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানালেন, সাব্বির পুরোপুরি ফিট আছেন। বাংলাদেশ টাইগার্সের ক্যাম্পে অনুশীলন করে নিজের ফিটনেস ও স্কিল ঝালাই করে নিয়েছেন তিনি।

আর সেখানেই তার উন্নতির ঝলক দেখা গেছে বলে দাবি করলেন প্রধান নির্বাচক।

প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘সাব্বির ডিপিএলে খুব একটা খারাপ খেলেনি। সে নার্সিংয়ে আছে। কিছু ক্রিকেটারকে দুটি জায়গায় নার্সি করা হচ্ছে। এইচপি স্কোয়াড ও টাইগার্সের ক্যাম্প চলছে, সেখানে তাদের ডেভেলপমেন্ট আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। যেহেতু এখন ঘরোয়া ক্রিকেট নেই, ওই ক্যাম্পে আমরা দেখছি। সেখানেও সাব্বিরকে দেখে আমরা নিয়েছি।’

তবে এশিয়া কাপের আগে বিদেশি দলের বিপক্ষে সাব্বির খেলবেন বলেও জানালেন নান্নু।

বললেন, ‘এ জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজে ‘এ’ দলের হয়ে আমরা ওকে পাঠিয়েছি। সেখানে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো অভিজ্ঞতা পাবে। আশা করছি, ওই অভিজ্ঞতা সে কাজে লাগাবে।’

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে এখনো সীমিত ওভারের সিরিজ শুরুই হয়নি। তাই সাব্বির কেমন ফর্মে আছেন তা জানার সুযোগ মেলেনি এখনো।

একসময় বাংলাদেশ দলের নিয়মিত পারফরমার ছিলেন সাব্বির। টি-টোয়েন্টির জন্য তাকে মনে করা হতো দেশের সবচেয়ে উপযুক্ত ক্রিকেটারদের একজন। দারুণ কিছু পারফরম্যান্সও উপহার দিয়েছেন এই সংস্করণে। জাতীয় দলের হার্ডহিটার বলা হতো তাকে। তবে তার ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা ছিল না কখনোই। \

সূত্র: যুগান্তর