আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণাধীন ঘরে দুর্বৃত্তদের আগুন

8
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘরে রাতের আঁধারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় শনিবার রাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) এসএম মেশকাতুল ইসলাম বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে অর্ধশত নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতদের নামে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। আগুনের খবর পেয়ে শনিবার নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদা বেগম, সহকারি পুলিশ সুপার জুনাইদ আফ্রাদ ও ওসি আলী হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অগ্নিকাণ্ডের প্রতিবাদে ওইদিন বিকালে বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মাঠ সংরক্ষণের দাবিতে খেলার মাঠে মানববন্ধন হয়। শনিবার বিকালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউএনও মাহমুদা বেগম বলেন, বলাইশিমুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণকাজের শুরু থেকেই একশ্রেণির দুষ্কৃতকারী লোকজন বিরোধিতা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৩ আগস্ট রাত সাড়ে ৪টার দিকে পাটকাঠি ও পাট দিয়ে ২টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। কর্তব্যরত পুলিশ আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। তিনি আরও বলেন, খেলার মাঠের জন্য জায়গা রাখার পরও তারা কেন আন্দোলন করছেন? তারা মাঠকে ইস্যু করে স্বার্থান্নেষী কিছু লোক সরকার বিরোধী আন্দোলন করছেন। জানা যায়, বলাইশিমুল গ্রামের হাওড়ে ১ একর ৮৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে একটি অব্যবহৃত খেলার মাঠ রয়েছে। অনেকদিন যাবত খেলার মাঠের পাশের ৭৬ শতাংশ জায়গা দখল করে রেখেছিল এলাকার প্রভাবশালী ও পাশের জমির মালিকগণ। এসব অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে ৭৬ শতাংশ ভূমি উদ্ধার করে ২৪ শতাংশ জায়গায় আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। খেলার মাঠের জন্য ১ একর ৬১ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে। ২৪ শতাংশ জায়গাতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১২টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপকারভোগীদের মাঝে নির্মিত ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২ জুন রাতে দুর্বৃত্তরা এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে এসে পাহারারত গ্রামপুলিশদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্মাণাধীন ঘর ভাঙচুর করেছিল। ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা চলমান।

নিউজ ডেস্ক: নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘরে রাতের আঁধারে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) এসএম মেশকাতুল ইসলাম বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে অর্ধশত নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতদের নামে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন।

আগুনের খবর পেয়ে শনিবার নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদা বেগম, সহকারি পুলিশ সুপার জুনাইদ আফ্রাদ ও ওসি আলী হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

অগ্নিকাণ্ডের প্রতিবাদে ওইদিন বিকালে বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মাঠ সংরক্ষণের দাবিতে খেলার মাঠে মানববন্ধন হয়।

শনিবার বিকালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে ইউএনও মাহমুদা বেগম বলেন, বলাইশিমুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণকাজের শুরু থেকেই একশ্রেণির দুষ্কৃতকারী লোকজন বিরোধিতা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৩ আগস্ট রাত সাড়ে ৪টার দিকে পাটকাঠি ও পাট দিয়ে ২টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। কর্তব্যরত পুলিশ আগুন নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও বলেন, খেলার মাঠের জন্য জায়গা রাখার পরও তারা কেন আন্দোলন করছেন? তারা মাঠকে ইস্যু করে স্বার্থান্নেষী কিছু লোক সরকার বিরোধী আন্দোলন করছেন।

জানা যায়, বলাইশিমুল গ্রামের হাওড়ে ১ একর ৮৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে একটি অব্যবহৃত খেলার মাঠ রয়েছে। অনেকদিন যাবত খেলার মাঠের পাশের ৭৬ শতাংশ জায়গা দখল করে রেখেছিল এলাকার প্রভাবশালী ও পাশের জমির মালিকগণ। এসব অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে ৭৬ শতাংশ ভূমি উদ্ধার করে ২৪ শতাংশ জায়গায় আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

খেলার মাঠের জন্য ১ একর ৬১ শতাংশ জায়গা রাখা হয়েছে। ২৪ শতাংশ জায়গাতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১২টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপকারভোগীদের মাঝে নির্মিত ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও ২ জুন রাতে দুর্বৃত্তরা এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে এসে পাহারারত গ্রামপুলিশদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্মাণাধীন ঘর ভাঙচুর করেছিল। ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা চলমান।

সূত্র: যুগান্তর