ব্রয়লার মুরগি ২শ টাকা কেজি পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরি

8
রাজধানীর খুচরা বাজারে আরেক দফা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২৫-৩০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ৪২-৪৩ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া কেজিতে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বেড়ে পেঁয়াজ ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, আটা-ময়দা ও চিনি বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরানবাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজরের খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। এ ছাড়া এ সব পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার পণ্য মূল্য তালিকায় দেখা গেছে। রাজধানীর কাওরান বাজারের আল মদিন রাইস এজেন্সির মালিক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ডলারের দাম বৃদ্ধি, আমদানি করা চালের দাম বেশি-এমন অজুহাতে দুই সপ্তাহ আগে মিলাররা সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়েছে। এর মধ্যে আবার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহণ খরচ বেড়েছে। তাই খুচরা বাজারে চালের দাম কেজিতে ৪ টাকা বেড়েছে। তিনি জানান, বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৭০-৭২ টাকায় বিক্রি হয়েছে-যা সাত দিন আগে ৬৬-৬৮ টাকায় বিক্রি হয়। শুক্রবার বিআর ২৮ জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ৫৮ টাকায়, যা আগে ছিল ৫৪ টাকা। এ ছাড়া মোটা জাতের চালের মধ্যে স্বর্ণা চাল বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৪ টাকা, যা আগে ছিল ৪৬-৪৮ টাকা। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছুটির দিনে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, যা সাত দিন আগে ছিল ৪২ টাকা। প্রতি কেজি খোলা ময়দা বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকা, যা গত সপ্তাহে ৫৮ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, যা সাত দিন আগেও ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৪০ টাকা। প্রতি কেজি চিনি ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা আগে ছিল ৮২ টাকা। নয়াবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. তুহিন বলেন, পরিবহণ খরচ বাড়ায় পাইকারি পর্যায়ে পণ্যের দাম বেড়েছে। বেশি দামে এনে আমাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। যে হারে দাম বাড়ছে, তাতে ক্রেতারা পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ দিন শেষে আমি নিজেও ক্রেতা।

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর খুচরা বাজারে আরেক দফা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২৫-৩০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ৪২-৪৩ টাকায় বিক্রি হয়।

এ ছাড়া কেজিতে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বেড়ে পেঁয়াজ ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, আটা-ময়দা ও চিনি বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরানবাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজরের খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

এ ছাড়া এ সব পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার পণ্য মূল্য তালিকায় দেখা গেছে। রাজধানীর কাওরান বাজারের আল মদিন রাইস এজেন্সির মালিক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ডলারের দাম বৃদ্ধি, আমদানি করা চালের দাম বেশি-এমন অজুহাতে দুই সপ্তাহ আগে মিলাররা সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়েছে।

এর মধ্যে আবার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহণ খরচ বেড়েছে। তাই খুচরা বাজারে চালের দাম কেজিতে ৪ টাকা বেড়েছে। তিনি জানান, বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৭০-৭২ টাকায় বিক্রি হয়েছে-যা সাত দিন আগে ৬৬-৬৮ টাকায় বিক্রি হয়। শুক্রবার বিআর ২৮ জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ৫৮ টাকায়, যা আগে ছিল ৫৪ টাকা। এ ছাড়া মোটা জাতের চালের মধ্যে স্বর্ণা চাল বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৪ টাকা, যা আগে ছিল ৪৬-৪৮ টাকা।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছুটির দিনে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, যা সাত দিন আগে ছিল ৪২ টাকা। প্রতি কেজি খোলা ময়দা বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকা, যা গত সপ্তাহে ৫৮ টাকায় বিক্রি হয়।

এ ছাড়া প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, যা সাত দিন আগেও ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৪০ টাকা। প্রতি কেজি চিনি ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা আগে ছিল ৮২ টাকা।

নয়াবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. তুহিন বলেন, পরিবহণ খরচ বাড়ায় পাইকারি পর্যায়ে পণ্যের দাম বেড়েছে। বেশি দামে এনে আমাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। যে হারে দাম বাড়ছে, তাতে ক্রেতারা পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ দিন শেষে আমি নিজেও ক্রেতা।

সূত্র: যুগান্তর