‘অর্থ পাচারকারীদের তথ্য দেয় না বিভিন্ন দেশ, এটা তাদের মজ্জাগত সমস্যা’

8
‘যেসব দেশে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয় সেসব দেশের কাছে পাচারকারীদের তথ্য চাইলে তারা সহজে দিতে চান না; এটা তাদের মজ্জাগত সমস্যা। তবে সরকার তথ্য পেতে নানাভাবে দেন দরবার করছে।’ শুক্রবার সকালে সিলেটে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি বিষয়ক এক সভা শেষে তিনি সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মিডিয়াতে দেখলাম যে সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূত বলেছেন- বাংলাদেশের সরকার সুইজারল্যান্ডে টাকা পাচারকারীদের তথ্য চায়নি; কিন্তু আমি জানি যখন সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা আছে বলে যখন খবর পাওয়া গেল তখনই বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য চেয়ে তাদের চিঠি দিয়েছে। তারপর তারা নাম নির্দিষ্ট করে তথ্য চাওয়ার আহবান জানান এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ৬৭ জনের নাম উল্লেখ করে তথ্য চায়। কিন্তু পরবর্তীতে তারা শুধু একজনের তথ্য দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারপরও বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে কিন্তু তারা দেয়নি। তা সত্ত্বেও তাদের রাষ্ট্রদূত কিভাবে বলে বাংলাদেশ তথ্য চাইনি। তিনি হয়তো নতুন যোগ দিয়েছেন তাই তার এসব বিষয় জানা নেই। তিনি জানেন না, না জেনে একখানা বলে ফেলেছেন; তারপরই মিডিয়া এটা নিয়ে হইচই শুরু করেছে। মন্ত্রী বলেন, গভর্নর ও অর্থ সচিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে তারা আমাকে সব কাগজপত্র পাঠিয়েছেন, কবে কখন তথ্য চাওয়া হয়েছে সব বিষয় আমাকে জানিয়েছেন। এছাড়া উচ্চ আদালত যেহেতু বিষয়টি জানতে চেয়েছেন তাই তারা আদালতের জন্যই কাগজপত্র তৈরি করছেন। মন্ত্রী বলেন, সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র, কিন্তু এভাবে তথ্যের বিভ্রাট করা ঠিক না। এ সময় তিনি আরও বলেন, শুধু সুইজারল্যান্ড নয় যারা বাংলাদেশকে অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করেন সেসব দেশেও পাচার হয় কিন্তু তারাও সহজে তথ্য দিতে চায় না। এটা তাদের মজ্জাগত সমস্যা। সকালে দুই দিনের সফরে সিলেট আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠকে বসেন তিনি। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী, সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

নিউজ ডেস্ক: ‘যেসব দেশে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয় সেসব দেশের কাছে পাচারকারীদের তথ্য চাইলে তারা সহজে দিতে চান না; এটা তাদের মজ্জাগত সমস্যা। তবে সরকার তথ্য পেতে নানাভাবে দেন দরবার করছে।’

শুক্রবার সকালে সিলেটে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি বিষয়ক এক সভা শেষে তিনি সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মিডিয়াতে দেখলাম যে সুইজারল্যান্ড রাষ্ট্রদূত বলেছেন- বাংলাদেশের সরকার সুইজারল্যান্ডে টাকা পাচারকারীদের তথ্য চায়নি; কিন্তু আমি জানি যখন সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা আছে বলে যখন খবর পাওয়া গেল তখনই বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য চেয়ে তাদের চিঠি দিয়েছে। তারপর তারা নাম নির্দিষ্ট করে তথ্য চাওয়ার আহবান জানান এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ৬৭ জনের নাম উল্লেখ করে তথ্য চায়। কিন্তু পরবর্তীতে তারা শুধু একজনের তথ্য দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারপরও বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে কিন্তু তারা দেয়নি। তা সত্ত্বেও তাদের রাষ্ট্রদূত কিভাবে বলে বাংলাদেশ তথ্য চাইনি। তিনি হয়তো নতুন যোগ দিয়েছেন তাই তার এসব বিষয় জানা নেই। তিনি জানেন না, না জেনে একখানা বলে ফেলেছেন; তারপরই মিডিয়া এটা নিয়ে হইচই শুরু করেছে।

মন্ত্রী বলেন, গভর্নর ও অর্থ সচিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে তারা আমাকে সব কাগজপত্র পাঠিয়েছেন, কবে কখন তথ্য চাওয়া হয়েছে সব বিষয় আমাকে জানিয়েছেন। এছাড়া উচ্চ আদালত যেহেতু বিষয়টি জানতে চেয়েছেন তাই তারা আদালতের জন্যই কাগজপত্র তৈরি করছেন।

মন্ত্রী বলেন, সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র, কিন্তু এভাবে তথ্যের বিভ্রাট করা ঠিক না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, শুধু সুইজারল্যান্ড নয় যারা বাংলাদেশকে অর্থপাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করেন সেসব দেশেও পাচার হয় কিন্তু তারাও সহজে তথ্য দিতে চায় না। এটা তাদের মজ্জাগত সমস্যা।

সকালে দুই দিনের সফরে সিলেট আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। সকাল ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠকে বসেন তিনি।

এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী, সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

সূত্র: যুগান্তর