বরগুনায় গ্যাংওয়ে তলিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ

11
বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। টানা চার দিনের বিরামহীন বর্ষণে উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বরগুনা জেলার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। কষ্টে দিন পার করছেন নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষ। অপরদিকে পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর— এ তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বড়ইতলাসহ দুটি ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় বরগুনা-পুরাকাটা ও বরগুনা-বড়ইতলার সঙ্গে ঢাকা-বরগুনা জেলা শহরের ফেরি যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। কখন এ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে তাও বলতে পারছেন না সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এদিকে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনা পৌর শহরের কলেজ রোড, ডিকেপি রোড, ফার্মেসিপট্টি, কসমেটিকসপট্টি ও গার্মেন্টসপট্টির রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। এ বিষয়ে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম জানান, টানা বিরামহীন ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বৃষ্টি না কমা পর্যন্ত প্রত্যেক জোয়ারে পানিতে নিম্নাঞ্চল অনেক এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানান।

নিউজ ডেস্ক: বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।  টানা চার দিনের বিরামহীন বর্ষণে উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

ফলে বরগুনা জেলার হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। কষ্টে দিন পার করছেন নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষ।

অপরদিকে পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর— এ তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  ফলে বড়ইতলাসহ দুটি ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় বরগুনা-পুরাকাটা ও বরগুনা-বড়ইতলার সঙ্গে ঢাকা-বরগুনা জেলা শহরের ফেরি যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।  কখন এ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে তাও বলতে পারছেন না সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

এদিকে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরগুনা পৌর শহরের কলেজ রোড, ডিকেপি রোড, ফার্মেসিপট্টি, কসমেটিকসপট্টি ও গার্মেন্টসপট্টির রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে।  প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল।

এ বিষয়ে বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম জানান, টানা বিরামহীন ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।  বৃষ্টি না কমা পর্যন্ত প্রত্যেক জোয়ারে পানিতে নিম্নাঞ্চল অনেক এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানান।

সূত্র: যুগান্তর