অর্থনীতির ওপর আরও একটি বই লিখছেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

5
খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অর্থনীতির ওপর আরও একটি বই লিখছেন। এর প্রচ্ছদও তিনি নিজেই আঁকার কথা ভাবছেন। রোববার রাতে তার ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সংগীতে কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া এবং সংগীতের ব্যাকরণের বিন্দুমাত্র জ্ঞান ছাড়া জনসম্মুখে গান গাওয়া, বিশেষত রবীন্দ্রসংগীত গাওয়া অন্যায় বা অপরাধ কিনা এ নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে দেখলাম। একইভাবে প্রশ্ন ওঠে— চিত্রশিল্পের কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া ছবি এঁকে প্রদর্শন করা (সেটি আমার ক্ষেত্রে iPad-এর হলেও) সঙ্গত কিনা। সত্যিকার গায়ক ও শিল্পীদের সাধনা, অর্জন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠার প্রতি কোনোমাত্র অশ্রদ্ধা না করে বরং তাদের গুণমুগ্ধ শ্রোতা এবং দর্শক হিসেবেই এমনটি করা অন্যায় কিনা তাও আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। কারণ ইতোমধ্যে আমি আমার প্রিয়ভাজন এবং ছাত্রীতুল্য রুবাইয়া মোর্শেদের অনুরোধে তার Nobody’s Children (ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০২২) বইটির পেছনের কভারের ছবি এঁকেছি। আমি অর্থনীতির যে বইটি এখন লিখছি তার প্রচ্ছদের ডিজাইনও নিজে করব ভাবছি, অবশ্য প্রকাশকের ঘোরতর আপত্তি না থাকলে। সম্প্রতি হিরো আলমের ররীন্দ্রসংগীত গাওয়া নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এটি নিয়ে অনেকেই আলোচনা-সমালোচনা করছেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এ নিয়ে মন্তব্য করার পর এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এর মধ্যে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ফজুলুল মন্তব্য করেছেন— পুলিশের কাজ আইনের সীমা অতিক্রমকে নিরুৎসাহিত করা। ছেলেটা হয়তো অনেকের রুচির মানদণ্ড স্পর্শ করেনি, তবে নিশ্চিতভাবে কিছুটা বেসুরোভাবে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে আইনের সীমা অতিক্রম করেনি। বরং আমি মনে করি তার এ প্রচেষ্টায় রবীন্দ্রনাথের গানের এখনো বহুজনকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতাই প্রকাশ পেয়েছে। মো. শাহাবুদ্দিন লিখেছেন— স্যার, গানের ব্যাকরণ না মেনেই আপনি যখন গান ধরেন, তখন অসংখ্য প্রশংসামূলক বাক্য বা মন্তব্য আপনার ওপর বর্ষিত হয়। কিন্তু আমি যখন গান ধরি অথবা প্রেম বা ভালোবাসা নিয়ে আমার হৃদয়ের আকুতি প্রকাশ করি, তখন আমি কারও কারও দ্বারা নির্দয়ভাবে নিন্দিত হই। এর কারণ কী? যদিও আমি পরিষ্কারভাবে জানি ও স্বীকার করি যে কোনো বিষয়েই আপনার সঙ্গে আমার পার্থক্যটা পরিমাপযোগ্য নয়। সেটি তো গুণ ও জ্ঞানের ক্ষেত্রে, প্রেম ও ভালোবাসার মহাত্ম প্রকাশের বেলায়ও কি একই পার্থক্য বিদ্যমান? যদি তাই হয়, তা হলে আমার মতো অগণিত সাধারণ মানুষের ভালোবাসা মূল্যায়িত হবে কীভাবে? তাই তো যখন মনোবেদনা সহ্যকে অতিক্রম করে তখনই গলায় দড়ি বেঁধে মৃত্যুর পথ খুঁজি।

নিউজ ডেস্ক: খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অর্থনীতির ওপর আরও একটি বই লিখছেন। এর প্রচ্ছদও তিনি নিজেই আঁকার কথা ভাবছেন।

রোববার রাতে তার ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, সংগীতে কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া এবং সংগীতের ব্যাকরণের বিন্দুমাত্র জ্ঞান ছাড়া জনসম্মুখে গান গাওয়া, বিশেষত রবীন্দ্রসংগীত গাওয়া অন্যায় বা অপরাধ কিনা এ নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে দেখলাম। একইভাবে প্রশ্ন ওঠে— চিত্রশিল্পের কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া ছবি এঁকে প্রদর্শন করা (সেটি আমার ক্ষেত্রে iPad-এর হলেও) সঙ্গত কিনা। সত্যিকার গায়ক ও শিল্পীদের সাধনা, অর্জন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠার প্রতি কোনোমাত্র অশ্রদ্ধা না করে বরং তাদের গুণমুগ্ধ শ্রোতা এবং দর্শক হিসেবেই এমনটি করা অন্যায় কিনা তাও আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। কারণ ইতোমধ্যে আমি আমার প্রিয়ভাজন এবং ছাত্রীতুল্য রুবাইয়া মোর্শেদের অনুরোধে তার Nobody’s Children (ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০২২) বইটির পেছনের কভারের ছবি এঁকেছি। আমি অর্থনীতির যে বইটি এখন লিখছি তার প্রচ্ছদের ডিজাইনও নিজে করব ভাবছি, অবশ্য প্রকাশকের ঘোরতর আপত্তি না থাকলে।

সম্প্রতি হিরো আলমের ররীন্দ্রসংগীত গাওয়া নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এটি নিয়ে অনেকেই আলোচনা-সমালোচনা করছেন।

প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এ নিয়ে মন্তব্য করার পর এর পক্ষে-বিপক্ষে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এর মধ্যে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ফজুলুল মন্তব্য করেছেন— পুলিশের কাজ আইনের সীমা অতিক্রমকে নিরুৎসাহিত করা। ছেলেটা হয়তো অনেকের রুচির মানদণ্ড স্পর্শ করেনি, তবে নিশ্চিতভাবে কিছুটা বেসুরোভাবে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে আইনের সীমা অতিক্রম করেনি। বরং আমি মনে করি তার এ প্রচেষ্টায় রবীন্দ্রনাথের গানের এখনো বহুজনকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতাই প্রকাশ পেয়েছে।

মো. শাহাবুদ্দিন লিখেছেন— স্যার, গানের ব্যাকরণ না মেনেই আপনি যখন গান ধরেন, তখন অসংখ্য প্রশংসামূলক বাক্য বা মন্তব্য আপনার ওপর বর্ষিত হয়। কিন্তু আমি যখন গান ধরি অথবা প্রেম বা ভালোবাসা নিয়ে আমার হৃদয়ের আকুতি প্রকাশ করি, তখন আমি কারও কারও দ্বারা নির্দয়ভাবে নিন্দিত হই। এর কারণ কী? যদিও আমি পরিষ্কারভাবে জানি ও স্বীকার করি যে কোনো বিষয়েই আপনার সঙ্গে আমার পার্থক্যটা পরিমাপযোগ্য নয়। সেটি তো গুণ ও জ্ঞানের ক্ষেত্রে, প্রেম ও ভালোবাসার মহাত্ম প্রকাশের বেলায়ও কি একই পার্থক্য বিদ্যমান? যদি তাই হয়, তা হলে আমার মতো অগণিত সাধারণ মানুষের ভালোবাসা মূল্যায়িত হবে কীভাবে? তাই তো যখন মনোবেদনা সহ্যকে অতিক্রম করে তখনই গলায় দড়ি বেঁধে মৃত্যুর পথ খুঁজি।

সূত্র: যুগান্তর