স্বপ্নীল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে পোলাক-রয়ার আবৃত্তিতে মুগ্ধতা

12
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের নন্দিত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী স্বপ্নীল সজীবের নিজস্ব উদ্যোগে গঠিত ‘স্বপ্নীল ফাউন্ডেশনে’র উদ্যোগে রাজধানীর গুলশান ক্লাবের একটি হলে সম্প্রতি বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী সামিউল ইসলাম পোলাক ও রয়া চৌধুরীর আবৃত্তি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। এরই মধ্যে ফাউন্ডেশনটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ফাউন্ডেশনের পাঁচ বছর উদযাপন করেছে। যে কারণে আগামীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার বিবেচনায় পোলাক ও রয়ার আবৃত্তি সন্ধ্যা সবাইকে উপহার দিয়েছে। অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে। আর এর পর বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শোকের মাসে শ্রদ্ধা রেখে নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষানবিস অর্ধশতাধিক ছাত্রছাত্রী রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের অন্তর মম বিকশিত করো কবিতা আবৃত্তি করেন। আবৃত্তিশিল্পী রয়া চৌধুরীর কণ্ঠের বিশিষ্টতা, কাব্যরুচি ও বোধবুদ্ধি প্রকাশ পায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণ, অভ্র ভট্টাচার্য্য ও সুবোধ সরকারের কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে। অপরদিকে দুই বাংলার নন্দিতশিল্পী পোলাকের কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার আবৃত্তি ছিল প্রেম, প্রজ্ঞাপ্রসূত অনুভবে সুষমাময় ও অর্থময়। কবি সাবরিনা রুবিনের কবিতা আবৃত্তির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন শাওন ও ক্যারল। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তির অনুভবে চিত্রাঙ্কন করেন উপমহাদেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী রোকেয়া সুলতানা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বিশেষ অতিথি ছিলেন কসোভোর রাষ্ট্রদূত গুনের উরেয়া, সংসদ সদস্য এরোমা দত্ত। অনুষ্ঠানটি মূলত পোলাক ও রয়ার আবৃত্তিকে ঘিরেই ছিল। অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে স্বপ্নীল সজীব বলেন, অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। সবাই বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে বিশেষত দুই আবৃত্তিশিল্পী রয়া আপা ও পোলাকের আবৃত্তি উপভোগ করেছেন, তাদের অনুপ্রাণিত করেছেন- এটিই ছিল এই অনুষ্ঠানের সার্থকতা। দুজন শিল্পীই সবার ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। তাদের আবৃত্তি সবার মাঝে মুগ্ধতা ছড়াতে পেরেছে, এটিই ভালোলাগার।

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের নন্দিত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী স্বপ্নীল সজীবের নিজস্ব উদ্যোগে গঠিত ‘স্বপ্নীল ফাউন্ডেশনে’র উদ্যোগে রাজধানীর গুলশান ক্লাবের একটি হলে সম্প্রতি বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী সামিউল ইসলাম পোলাক ও রয়া চৌধুরীর আবৃত্তি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। এরই মধ্যে ফাউন্ডেশনটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ফাউন্ডেশনের পাঁচ বছর উদযাপন করেছে। যে কারণে আগামীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার বিবেচনায় পোলাক ও রয়ার আবৃত্তি সন্ধ্যা সবাইকে উপহার দিয়েছে।

অনুষ্ঠান শুরু হয় প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে। আর এর পর বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শোকের মাসে শ্রদ্ধা রেখে নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষানবিস অর্ধশতাধিক ছাত্রছাত্রী রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের অন্তর মম বিকশিত করো কবিতা আবৃত্তি করেন। আবৃত্তিশিল্পী রয়া চৌধুরীর কণ্ঠের বিশিষ্টতা, কাব্যরুচি ও বোধবুদ্ধি প্রকাশ পায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণ, অভ্র ভট্টাচার্য্য ও সুবোধ সরকারের কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে।

অপরদিকে দুই বাংলার নন্দিতশিল্পী পোলাকের কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার আবৃত্তি ছিল প্রেম, প্রজ্ঞাপ্রসূত অনুভবে সুষমাময় ও অর্থময়। কবি সাবরিনা রুবিনের কবিতা আবৃত্তির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন শাওন ও ক্যারল। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তির অনুভবে চিত্রাঙ্কন করেন উপমহাদেশের বরেণ্য চিত্রশিল্পী রোকেয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বিশেষ অতিথি ছিলেন কসোভোর রাষ্ট্রদূত গুনের উরেয়া, সংসদ সদস্য এরোমা দত্ত। অনুষ্ঠানটি মূলত পোলাক ও রয়ার আবৃত্তিকে ঘিরেই ছিল।

অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে স্বপ্নীল সজীব বলেন, অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। সবাই বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে বিশেষত দুই আবৃত্তিশিল্পী রয়া আপা ও পোলাকের আবৃত্তি উপভোগ করেছেন, তাদের অনুপ্রাণিত করেছেন- এটিই ছিল এই অনুষ্ঠানের সার্থকতা। দুজন শিল্পীই সবার ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন। তাদের আবৃত্তি সবার মাঝে মুগ্ধতা ছড়াতে পেরেছে, এটিই ভালোলাগার।

সূত্র: যুগান্তর