আল কায়েদার নেতৃত্বে আসছেন কে?

5
যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন আল কায়েদার প্রধান নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি। তিনি মিশরের নাগরিক ছিলেন। ২০১১ সালে আল কায়েদার তৎকালীন প্রধান নেতা ওসামা বিন লাদেন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় sনিহত হওয়ার পর গ্রুপটির আমির বা নেতা হন জাওয়াহিরি। কিন্তু প্রায় ১০ বছর বাদে তিনিও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আল কায়েদার নেতৃত্বে আসতে পারেন সাইফ আল-আদেল। মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বরাতে এনডিটিভি বলেছে, সাইল আল-আদেল মিশরের সাবেক সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ১৯৮০ সালে মক্তব আল-খিদমত নামে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীতে যুক্ত হন সাইফ। ১৯৮০ এর দশকে সাইফ আল-আদেল ওসামা বিন লাদেন এবং আয়মান আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তাদের ইজিপশিয়ান ইসলামিক জিহাদ নামক দলে যোগ দেন। তাছাড়া ১৯৮০ সালে রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে লড়াই করেন সাইফ। সাইফ আল-আদেল একটা সময় ওসামা বিন লাদেনের নিরাপত্তাপ্রধান ছিলেন। ২০০১ সাল থেকে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন। তাঁর সম্পর্কে তথ্য দিতে পারলে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা দেয় এফবিআই। সংস্থার পেজে আদেল সম্পর্কে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ড, মার্কিন নাগরিকদের হত্যা, যুক্তরাষ্ট্রের ভবন ও সম্পত্তি ধ্বংস এবং সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাঁকে খোঁজা হচ্ছে। তাছাড়া তানজানিয়া এবং কেনিয়ায় অবস্থিত আমেরিকার দূতাবাসে হামলা এবং সোমালিয়া কুখ্যাত ব্ল্যাক হক ডাউন মিশনে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্ল্যাক হক ডাউন মিশনে ১৮ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন আল কায়েদার প্রধান নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি। তিনি মিশরের নাগরিক ছিলেন।

২০১১ সালে আল কায়েদার তৎকালীন প্রধান নেতা ওসামা বিন লাদেন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় sনিহত হওয়ার পর গ্রুপটির আমির বা নেতা হন জাওয়াহিরি। কিন্তু প্রায় ১০ বছর বাদে তিনিও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আল কায়েদার নেতৃত্বে আসতে পারেন সাইফ আল-আদেল।

মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বরাতে এনডিটিভি বলেছে, সাইল আল-আদেল মিশরের সাবেক সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ১৯৮০ সালে মক্তব আল-খিদমত নামে একটি জঙ্গি গোষ্ঠীতে যুক্ত হন সাইফ।

১৯৮০ এর দশকে সাইফ আল-আদেল ওসামা বিন লাদেন এবং আয়মান আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তাদের ইজিপশিয়ান ইসলামিক জিহাদ নামক দলে যোগ দেন। তাছাড়া ১৯৮০ সালে রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে লড়াই করেন সাইফ।

সাইফ আল-আদেল একটা সময় ওসামা বিন লাদেনের নিরাপত্তাপ্রধান ছিলেন। ২০০১ সাল থেকে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন।

তাঁর সম্পর্কে তথ্য দিতে পারলে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা দেয় এফবিআই। সংস্থার পেজে আদেল সম্পর্কে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ড, মার্কিন নাগরিকদের হত্যা, যুক্তরাষ্ট্রের ভবন ও সম্পত্তি ধ্বংস এবং সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাঁকে খোঁজা হচ্ছে।

তাছাড়া তানজানিয়া এবং কেনিয়ায় অবস্থিত আমেরিকার দূতাবাসে হামলা এবং সোমালিয়া কুখ্যাত ব্ল্যাক হক ডাউন মিশনে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্ল্যাক হক ডাউন মিশনে ১৮ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

সূত্র: যুগান্তর