বিস্ফোরণ ছাড়াই যে ‘গোপন অস্ত্রে’ জাওয়াহিরিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র

10
আফগানিস্তানের কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। রোববার ড্রোনের মাধ্যমে ওই হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। কাবুলে আল কায়দা প্রধানের বাড়িতে হামলার কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, যে ঘরে আয়মান আল-জাওয়াহিরি ছিলেন, তার জানালা উড়ে গেছে। কিন্তু বাকি সব ঘর, পারিপার্শ্বিক এলাকা— কোথাও হামলার কোনও চিহ্নই নেই! এই হামলায় কোনো শব্দ হয়নি। এমনকি, আল কায়দা প্রধান ছাড়া কারও গায়ে আঁচড়ও পড়েনি বলে দাবি করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের দাবি, ড্রোন হামলায় জাওয়াহিরি ছাড়া আর কেউই আহত বা নিহত হননি। এমন কি তার পরিবারের সদস্যরাও অক্ষত রয়েছেন। শুধু একটি জানালা ভেঙে গেছে। বাড়িটির বাকি সব জানালাও অক্ষত রয়েছে। আয়মান আল-জাওয়াহিরি হত্যায় ঠিক কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে, তা এখনও জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃতি ইঙ্গিত করছে, আল কায়দার শীর্ষনেতাকে হত্যা করতে ব্যবহার হয়েছে ‘ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্স’। এই ‘ওয়ারহেড-লেস মিসাইল’-এর বৈশিষ্ট্য হল লক্ষ্যবস্তুকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে। কিন্তু বিস্ফোরণ হবে না। কোনো শব্দ হবে না। এ নিয়ে পেন্টাগন বা সিআইএ— কেউই প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেয়নি। তবে এর আগেও বেশ কয়েক জন মুসলিম নেতাকে এই একই অস্ত্রে হত্যা করেছে আমেরিকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম ব্যবহার হয় ২০১৭ সালে। তখন এক আল কায়দা নেতাকে হত্যার ছক কষে যুক্তরাষ্ট্র। সিরিয়ায় গাড়ি নিয়ে ঘুরছিলেন আল কায়দার অন্যতম শীর্ষনেতা আবু আল-খায়ের আল-মাসরি। কোনও শব্দ হল না। আচমকা গাড়ির ছাদ ফেটে মৃত্যু হল তার। সেটাও নাকি এই ‘ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্স’-এর কল্যাণে। সে সময়ের ছবিগুলোতে গাড়ির ছাদে একটি বড় গর্ত দেখা যায় এবং এর অভ্যন্তরীণ সব কিছু এবং ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা মুহূর্তেই টুকরা টুকরা হয়ে যায়। কিন্তু গাড়ির সামনে ও পেছনে অক্ষত থাকে। গাড়ির ছবিগুলিতে গাড়ির ধাতুসহ ছাদ দিয়ে একটি বড় গর্ত দেখা গেছে এবং এর অভ্যন্তরীণ সব অংশ, যার মধ্যে থাকা ব্যক্তিরা শারীরিকভাবে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে৷ কিন্তু গাড়ির সামনে ও পেছনে সম্পূর্ণ অক্ষত দেখা গেছে। ধারণা করা হয় এটি এমন এক মিসাইল যার ওয়ারহেডে লাগানো থাকে ছয়টি ধারালো ব্লেড, যার আঘাতে বিস্ফোরণ হয় না, কিন্তু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু টুকরা টুকরা হয়ে যায়। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে কাবু করার সক্ষমতা থাকায় এটিকে নিনজা মিসাইল বলেও ডাকা হয়। বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এড়িয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করতে পেন্টাগন ও সিআইএর প্রিয় অস্ত্র হয়ে উঠেছে নিনজা হেল ফায়ার।

নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। রোববার ড্রোনের মাধ্যমে ওই হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ।

কাবুলে আল কায়দা প্রধানের বাড়িতে হামলার কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, যে ঘরে আয়মান আল-জাওয়াহিরি ছিলেন, তার জানালা উড়ে গেছে। কিন্তু বাকি সব ঘর, পারিপার্শ্বিক এলাকা— কোথাও হামলার কোনও চিহ্নই নেই! এই হামলায় কোনো শব্দ হয়নি। এমনকি, আল কায়দা প্রধান ছাড়া কারও গায়ে আঁচড়ও পড়েনি বলে দাবি করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের দাবি, ড্রোন হামলায় জাওয়াহিরি ছাড়া আর কেউই আহত বা নিহত হননি। এমন কি তার পরিবারের সদস্যরাও অক্ষত রয়েছেন। শুধু একটি জানালা ভেঙে গেছে। বাড়িটির বাকি সব জানালাও অক্ষত রয়েছে।

আয়মান আল-জাওয়াহিরি হত্যায় ঠিক কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে, তা এখনও জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃতি ইঙ্গিত করছে, আল কায়দার শীর্ষনেতাকে হত্যা করতে ব্যবহার হয়েছে ‘ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্স’।

এই ‘ওয়ারহেড-লেস মিসাইল’-এর বৈশিষ্ট্য হল লক্ষ্যবস্তুকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে। কিন্তু বিস্ফোরণ হবে না। কোনো শব্দ হবে না।

এ নিয়ে পেন্টাগন বা সিআইএ— কেউই প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দেয়নি। তবে এর আগেও বেশ কয়েক জন মুসলিম নেতাকে এই একই অস্ত্রে হত্যা করেছে আমেরিকা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম ব্যবহার হয় ২০১৭ সালে। তখন এক আল কায়দা নেতাকে হত্যার ছক কষে যুক্তরাষ্ট্র। সিরিয়ায় গাড়ি নিয়ে ঘুরছিলেন আল কায়দার অন্যতম শীর্ষনেতা আবু আল-খায়ের আল-মাসরি। কোনও শব্দ হল না। আচমকা গাড়ির ছাদ ফেটে মৃত্যু হল তার। সেটাও নাকি এই ‘ম্যাকাব্রে হেলফায়ার আরএনএক্স’-এর কল্যাণে।

সে সময়ের ছবিগুলোতে গাড়ির ছাদে একটি বড় গর্ত দেখা যায় এবং এর অভ্যন্তরীণ সব কিছু এবং ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা মুহূর্তেই টুকরা টুকরা হয়ে যায়। কিন্তু গাড়ির সামনে ও পেছনে অক্ষত থাকে।

গাড়ির ছবিগুলিতে গাড়ির ধাতুসহ ছাদ দিয়ে একটি বড় গর্ত দেখা গেছে এবং এর অভ্যন্তরীণ সব অংশ, যার মধ্যে থাকা ব্যক্তিরা শারীরিকভাবে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে৷ কিন্তু গাড়ির সামনে ও পেছনে সম্পূর্ণ অক্ষত দেখা গেছে।

ধারণা করা হয় এটি এমন এক মিসাইল যার ওয়ারহেডে লাগানো থাকে ছয়টি ধারালো ব্লেড, যার আঘাতে বিস্ফোরণ হয় না, কিন্তু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু টুকরা টুকরা হয়ে যায়।

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে কাবু করার সক্ষমতা থাকায় এটিকে নিনজা মিসাইল বলেও ডাকা হয়। বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এড়িয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করতে পেন্টাগন ও সিআইএর প্রিয় অস্ত্র হয়ে উঠেছে নিনজা হেল ফায়ার।

সূত্র: যুগান্তর