যতদিন বেঁচে আছি, বাচ্চাটাকে দেখাশোনা করব: বর্ষা

7
ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে জন্ম নেওয়া শিশুকে আর্থিক সহায়তা করেছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা। দিন: দ্য ডের নায়িকা জানিয়েছেন, শিশুটি যতদিন বেঁচে থাকবেন, তার খোঁজখবর রাখবেন তিনি। শনিবার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টারে ড্রিম ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশনের শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আয়োজিত ‘দিন দ্য ডে’-এর বিশেষ শোয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বর্ষা। এ চিত্রনায়িকা বলেন, ‘ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় গর্ভবতী মায়ের পেট ফেটে বাচ্চা বের হওয়ার খবরটি শুনে খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, বাচ্চাটি যেন আমারই। আমার যদি কোনো দিন মেয়ে হয় এমনি হবে। বিষয়টি দেখার পর ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাচ্চাটির খবর নিই। সে কেমন আছে, তার কোনো কিছু লাগবে কিনা তা জানতে পারি। ডিসি জানান, বাচ্চাটি ভালো আছে এবং বাচ্চাটির জন্য একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খুলেছেন তিনি। বাচ্চাটার ভালো চিকিৎসার জন্য তখন সহায়তা করি।’ সময় পেলেই শিশুটিকে দেখতে যাবেন জানিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘ নিউজে দেখলাম— বাচ্চাটাকে ঢাকার আজিমপুরে নিয়ে আসছে। আমি সেখানে যাব, সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলব। যতদিন আমি বর্ষা বেঁচে আছি, বাচ্চাটাকে দেখাশোনা করব, দূর থেকেও হলেও...।’ উল্লেখ্য, শিশুটিকে প্রথমে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কথা থাকলেও তাদের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় তাকে আজিমপুরে অবস্থিত ‘ছোটমণি নিবাসে’ পাঠানো হয়েছে। শিশুটির বর্তমান অবস্থার কথা জানান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিশুটি জন্ডিস থেকে সেরে উঠেছে। শ্বাসকষ্ট, বুক ও ডান হাতের ফ্র্যাকচার পুরোপুরি ভালো হয়েছে। এদিকে শিশুটির নাম ফাতেমা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নবজাতকের দাদা মোস্তাফিজুর রহমান। প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ট্রাকচাপায় প্রাণ হারান শিশুটির বাবা জাহাঙ্গীর আলম, মা রত্না বেগম ও বোন সানজিদা আক্তার। এ সময় অন্তঃসত্ত্বা রত্নার পেট চিরে ভূমিষ্ঠ হয় গর্ভে থাকা কন্যাশিশুটি।

নিউজ ডেস্ক: ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে জন্ম নেওয়া শিশুকে আর্থিক সহায়তা করেছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা।

দিন: দ্য ডের নায়িকা জানিয়েছেন, শিশুটি যতদিন বেঁচে থাকবেন, তার খোঁজখবর রাখবেন তিনি।

শনিবার রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টারে ড্রিম ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশনের শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আয়োজিত ‘দিন দ্য ডে’-এর বিশেষ শোয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বর্ষা।

এ চিত্রনায়িকা বলেন, ‘ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় গর্ভবতী মায়ের পেট ফেটে বাচ্চা বের হওয়ার খবরটি শুনে খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, বাচ্চাটি যেন আমারই। আমার যদি কোনো দিন মেয়ে হয় এমনি হবে। বিষয়টি দেখার পর ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাচ্চাটির খবর নিই। সে কেমন আছে, তার কোনো কিছু লাগবে কিনা তা জানতে পারি।  ডিসি জানান, বাচ্চাটি ভালো আছে এবং বাচ্চাটির জন্য একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খুলেছেন তিনি। বাচ্চাটার ভালো চিকিৎসার জন্য তখন সহায়তা করি।’

সময় পেলেই শিশুটিকে দেখতে যাবেন জানিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘ নিউজে দেখলাম— বাচ্চাটাকে ঢাকার আজিমপুরে নিয়ে আসছে। আমি সেখানে যাব, সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলব। যতদিন আমি বর্ষা বেঁচে আছি, বাচ্চাটাকে দেখাশোনা করব, দূর থেকেও হলেও…।’

উল্লেখ্য, শিশুটিকে প্রথমে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কথা থাকলেও তাদের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় তাকে আজিমপুরে অবস্থিত ‘ছোটমণি নিবাসে’ পাঠানো হয়েছে।

শিশুটির বর্তমান অবস্থার কথা জানান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, শিশুটি জন্ডিস থেকে সেরে উঠেছে। শ্বাসকষ্ট, বুক ও ডান হাতের ফ্র্যাকচার পুরোপুরি ভালো হয়েছে।

এদিকে শিশুটির নাম ফাতেমা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নবজাতকের দাদা মোস্তাফিজুর রহমান।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ট্রাকচাপায় প্রাণ হারান শিশুটির বাবা জাহাঙ্গীর আলম, মা রত্না বেগম ও বোন সানজিদা আক্তার। এ সময় অন্তঃসত্ত্বা রত্নার পেট চিরে ভূমিষ্ঠ হয় গর্ভে থাকা কন্যাশিশুটি।

সূত্র: যুগান্তর