ইসরাইলি সেনার গুলিতে ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত

5
এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরকে ইসরাইলি সেনারা পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়। ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লার মুঘায়ের গ্রামে ওই কিশোরকে হত্যা করা হয়। শুক্রবার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। খবর আলজাজিরার। প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে ওই কিশোরের নাম আমজাদ নাশাত আবু আলিয়া। ওই কিশোরের বুকে গুলি করে ইসরাইলি সেনারা। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে রামাল্লা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই এলাকায় ইসরাইলি সেনা এবং অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভের সময় ওই কিশোরকে হত্যা করা হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ইসরাইল বিরোধী গোষ্ঠী এবং ইসরাইলি দেয়াল এবং বসতি স্থাপন বিরোধী ফিলিস্তিনি কমিটি এই প্রতিবাদ বিক্ষোভের ডাক দেয়। স্থানীয় সাংবাদিক হাদি সাবারনেহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে বেশ কয়েক দল ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী ঘটনাস্থলে আসে। এদের মধ্যে একজনের হাতে এম–১৬ রাইফেলও ছিল। তিনি বলেন, ‘সেনা এবং ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী উভয় দলই ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি ছোড়ে। বিক্ষোভের সময় ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলিদের দিকে পাথর ছুড়েছিল। সেই সময়ই এক ফিলিস্তিনি কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।’ আমজাদ নাশাত আবু আলিয়ার চাচাতো ভাই নাসার আল–জাজিরাকে বলেন, যখন তার ভাইকে হত্যা করা হয় তখন তিনি তার কাছ থেকে মাত্র ৩০ ফুট দূরে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, ইসরাইলিরা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছিল। নাসার আরও বলেন, ‘ওরা হত্যা করার জন্যই গুলি করছিল। কোনো গুলিই মাটিতে নয় বরং কোমর উচ্চতারও ওপরে করা হচ্ছিল।’

নিউজ ডেস্ক: এক ফিলিস্তিনি কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরকে ইসরাইলি সেনারা পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়। ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লার মুঘায়ের গ্রামে ওই কিশোরকে হত্যা করা হয়।

শুক্রবার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে ওই কিশোরের নাম আমজাদ নাশাত আবু আলিয়া। ওই কিশোরের বুকে গুলি করে ইসরাইলি সেনারা। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে রামাল্লা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই এলাকায় ইসরাইলি সেনা এবং অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভের সময় ওই কিশোরকে হত্যা করা হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ইসরাইল বিরোধী গোষ্ঠী এবং ইসরাইলি দেয়াল এবং বসতি স্থাপন বিরোধী ফিলিস্তিনি কমিটি এই প্রতিবাদ বিক্ষোভের ডাক দেয়।

স্থানীয় সাংবাদিক হাদি সাবারনেহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, ‘ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে বেশ কয়েক দল ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী ঘটনাস্থলে আসে। এদের মধ্যে একজনের হাতে এম–১৬ রাইফেলও ছিল। তিনি বলেন, ‘সেনা এবং ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী উভয় দলই ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি ছোড়ে। বিক্ষোভের সময় ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলিদের দিকে পাথর ছুড়েছিল। সেই সময়ই এক ফিলিস্তিনি কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।’

আমজাদ নাশাত আবু আলিয়ার চাচাতো ভাই নাসার আল–জাজিরাকে বলেন, যখন তার ভাইকে হত্যা করা হয় তখন তিনি তার কাছ থেকে মাত্র ৩০ ফুট দূরে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, ইসরাইলিরা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছিল। নাসার আরও বলেন, ‘ওরা হত্যা করার জন্যই গুলি করছিল। কোনো গুলিই মাটিতে নয় বরং কোমর উচ্চতারও ওপরে করা হচ্ছিল।’

সূত্র: যুগান্তর