স্বামী হত্যার দায়ে ইরানে একদিনে ৩ নারীর ফাঁসি

9
স্বামী হত্যার দায়ে ইরানের পৃথক কারাগারে ২৭ জুলাই তিন নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার তিন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা জানায় আইএইচআর (ইরান হিউম্যান রাইটস)। ইরানে নারীদের ফাঁসি দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে। খবর আল-আরাবিয়ার। নরওয়েভিত্তিক আইএইচআর বলছে, ২৭ জুলাই তিন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে এ বছরে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। এর আগে তেহরানের বাইরে একটি কারাগারে আফগান নাগরিক সেনোবার জালালিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের সানানদাজ শহরে একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয় সোহেলি আবেদি নামের এক নারীকে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে সোহেলির বিয়ে হয়। বিয়ের ১০ বছর পর তিনি স্বামীকে হত্যা করেন। ২০১৫ সালে এ ঘটনায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ফারানাক বেহেস্তি নামের এক নারী। তাকে উর্মিয়া শহরের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলের একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়। ইরানের আইনে চাইলেই নারীরা দেশটিতে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারেন না। এমনকি নির্যাতনের শিকার হলেও নারীরা বিচ্ছেদ চাইতে পারেন না। গত বছর অক্টোবরে আইএইচআরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলছে, ২০১০ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত কমপক্ষে ১৬৪ নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আইএইচআরের হিসেবে এ বছরই ইরানে কমপক্ষে ৩০৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাবেক বিচারপতি ইব্রাহিম রাইসি ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ইরানে মৃত্যুদণ্ড বাড়ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

নিউজ ডেস্ক: স্বামী হত্যার দায়ে ইরানের পৃথক কারাগারে ২৭ জুলাই তিন নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার তিন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা জানায় আইএইচআর (ইরান হিউম্যান রাইটস)। ইরানে নারীদের ফাঁসি দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে। খবর আল-আরাবিয়ার।

নরওয়েভিত্তিক আইএইচআর বলছে, ২৭ জুলাই তিন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে এ বছরে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো।

এর আগে তেহরানের বাইরে একটি কারাগারে আফগান নাগরিক সেনোবার জালালিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের সানানদাজ শহরে একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয় সোহেলি আবেদি নামের এক নারীকে।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে সোহেলির বিয়ে হয়। বিয়ের ১০ বছর পর তিনি স্বামীকে হত্যা করেন। ২০১৫ সালে এ ঘটনায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ফারানাক বেহেস্তি নামের এক নারী। তাকে উর্মিয়া শহরের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলের একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়।

ইরানের আইনে চাইলেই নারীরা দেশটিতে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারেন না। এমনকি নির্যাতনের শিকার হলেও নারীরা বিচ্ছেদ চাইতে পারেন না। গত বছর অক্টোবরে আইএইচআরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলছে, ২০১০ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত কমপক্ষে ১৬৪ নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আইএইচআরের হিসেবে এ বছরই ইরানে কমপক্ষে ৩০৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাবেক বিচারপতি ইব্রাহিম রাইসি ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে ইরানে মৃত্যুদণ্ড বাড়ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

সূত্র: যুগান্তর