রাশিয়ার সদস্যপদ কেড়ে নিল আইসিসি

1
রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। ‍রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার সদস্যপাদ কেড়ে নিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ২০২১ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় রাশিয়ার ক্রিকেট সংস্থার উপর প্রতিবন্ধকতা জারি করেছিল আইসিসি। এখনও সেই সমস্যার সমাধান করতে না পারায় রাশিয়ার সদস্যপদ কেড়ে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি। গতবছরের সাধারণ সভায় রাশিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে প্রয়োজনীয় শর্তপূরণের জন্য এক বছরের সময় দিয়েছিল আইসিসি। এক বছরের মধ্যে আইসিসির বেধে দেওয়া যোগ্যতামান পূরণ করতে পারলে তারা সদস্যপদ ফিরে পেত। তবে ১২ মাসের সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেনি রাশিয়ার ক্রিকেট সংস্থা। গঠনতন্ত্র স্থির করা তো দূরের কথা, নিজেদের কোনও স্থায়ী ক্রিকেট মাঠেরই বন্দবস্ত করতে পারেনি তারা। অন্যদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল। সেদেশে ক্রিকেটের গতিবিধি পুনরায় সচল না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনকে সহযোগী সদস্যের তালিকায় রাখতে নারাজ আইসিসি। বার্মিংহ্যামের বার্ষিক কনফারেন্সে আইসিসি এবছর তিনটি দেশকে সহযোগী সদস্যের মর্যাদা দেয়। আফ্রিকার আইভরি কোস্ট এশিয়ার কম্বোডিয়া ও উজবেকিস্তান সদস্যপদ পায়। ৩টি নতুন দেশে মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৮টি। এদের মধ্যে সহযোগী সদস্যপদ রয়েছে ৯৬টি দেশের কাছে। আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস রয়েছে সব মিলিয়ে ১২টি দেশের হাতে।

নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও।  ‍রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার সদস্যপাদ কেড়ে নিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

২০২১ সালের বার্ষিক সাধারণ সভায় রাশিয়ার ক্রিকেট সংস্থার উপর প্রতিবন্ধকতা জারি করেছিল আইসিসি। এখনও সেই সমস্যার সমাধান করতে না পারায় রাশিয়ার সদস্যপদ কেড়ে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি।

গতবছরের সাধারণ সভায় রাশিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে প্রয়োজনীয় শর্তপূরণের জন্য এক বছরের সময় দিয়েছিল আইসিসি।

এক বছরের মধ্যে আইসিসির বেধে দেওয়া যোগ্যতামান পূরণ করতে পারলে তারা সদস্যপদ ফিরে পেত। তবে ১২ মাসের সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেনি রাশিয়ার ক্রিকেট সংস্থা। গঠনতন্ত্র স্থির করা তো দূরের কথা, নিজেদের কোনও স্থায়ী ক্রিকেট মাঠেরই বন্দবস্ত করতে পারেনি তারা।

অন্যদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল। সেদেশে ক্রিকেটের গতিবিধি পুনরায় সচল না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনকে সহযোগী সদস্যের তালিকায় রাখতে নারাজ আইসিসি।

বার্মিংহ্যামের বার্ষিক কনফারেন্সে আইসিসি এবছর তিনটি দেশকে সহযোগী সদস্যের মর্যাদা দেয়। আফ্রিকার আইভরি কোস্ট এশিয়ার কম্বোডিয়া ও উজবেকিস্তান সদস্যপদ পায়।

৩টি নতুন দেশে মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৮টি। এদের মধ্যে সহযোগী সদস্যপদ রয়েছে ৯৬টি দেশের কাছে। আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস রয়েছে সব মিলিয়ে ১২টি দেশের হাতে।

সূত্র: যুগান্তর