হাইড্রোক্যাফালাস রোগে আক্রান্ত জান্নাতুল বাঁচতে চায়

6
পাবনার সাঁথিয়ায় করোনা মহামারির সময় জন্ম নেওয়া শিশু জান্নাতুল ফেরদাউস বাঁচতে চায়। হাইড্রোক্যাফালাস রোগে আক্রান্ত এই শিশুর মাথা দিনের পর দিন শরীরের গঠনের চেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে দিশেহারা শিশুটির বাবা-মা। জান্নাতুলের বয়স আড়াই বছর। বাবা দারিদ্র কৃষক, মা গৃহিনী। তার শরীরের গঠন অনুযায়ী মাথার আকৃতি অনেক বড় হওয়ায় হাঁটাচলা করতে পারে না। জন্মের পর থেকেই বিছানায় শুয়ে দুচোখ দিয়ে শুধু ফ্যালফ্যালিয়ে তাকিয়ে থাকে। উন্নত চিকিৎসার অভাবে শিশুটি বাড়িতে বিছানায় কাতরাচ্ছে। উপজেলার গৌরীগ্রামের আব্দুল কাদের ও নাজমা খাতুন দাম্পতির তিন সন্তান। তিনটি সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তান নাবিল (১০) জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোট মেয়ে জান্নাতুল জন্ম থেকেই রোগে আক্রান্ত। সাধারণ মাথার চেয়ে তার মাথার মাথার আকৃতি বেশ কয়েক গুণ বড়। মস্তিষ্কে পানি জমে দেহের তুলনায় মাথা বড় হচ্ছে দিন দিন। সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেয় শিশুটি। হতদরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান জান্নাতুলের বয়স দুই বছর ৬ মাস হলেও এখনও অন্যান্য শিশুদের মতো হাঁটাচলা করতে পারে না। টাকার অভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী বড় দুই সন্তানকেও উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছেন না কাদের-নাজমা দম্পতি। তার পর ছোট শিশুটির মাথার আকৃতি দিনদিন বড় হতে চলেছে। বাবা কৃষক আব্দুল কাদের তার শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করেছেন। দুই প্রতিবন্ধী শিশুর আর্থিক খরচ বহন করার মত ক্ষমতা তাদের নেই। বড় ছেলে নাবিলকে নিয়মিত ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়েছিলেন সিআরপির ডাক্তারা। অর্থের অভাবে ঔষুধ কিনতে পারছে না। জান্নাতুলের বাবা গরিব কৃষক আব্দুল কাদের তার সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিত্তবানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

নিউজ ডেস্ক: পাবনার সাঁথিয়ায় করোনা মহামারির সময় জন্ম নেওয়া শিশু জান্নাতুল ফেরদাউস বাঁচতে চায়। হাইড্রোক্যাফালাস রোগে আক্রান্ত এই শিশুর মাথা দিনের পর দিন শরীরের গঠনের চেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে দিশেহারা শিশুটির বাবা-মা।

জান্নাতুলের বয়স আড়াই বছর। বাবা দারিদ্র কৃষক, মা গৃহিনী।

তার শরীরের গঠন অনুযায়ী মাথার আকৃতি অনেক বড় হওয়ায় হাঁটাচলা করতে পারে না। জন্মের পর থেকেই বিছানায় শুয়ে দুচোখ দিয়ে শুধু ফ্যালফ্যালিয়ে তাকিয়ে থাকে। উন্নত চিকিৎসার অভাবে শিশুটি বাড়িতে বিছানায় কাতরাচ্ছে।

উপজেলার গৌরীগ্রামের আব্দুল কাদের ও নাজমা খাতুন দাম্পতির তিন সন্তান। তিনটি সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তান নাবিল (১০) জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোট মেয়ে জান্নাতুল জন্ম থেকেই রোগে আক্রান্ত। সাধারণ মাথার চেয়ে তার মাথার মাথার আকৃতি বেশ কয়েক গুণ বড়।  মস্তিষ্কে পানি জমে দেহের তুলনায় মাথা বড় হচ্ছে দিন দিন। সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেয় শিশুটি। হতদরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান জান্নাতুলের বয়স দুই বছর ৬ মাস হলেও এখনও অন্যান্য শিশুদের মতো হাঁটাচলা করতে পারে না।

টাকার অভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী বড় দুই সন্তানকেও উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছেন না কাদের-নাজমা দম্পতি। তার পর ছোট শিশুটির মাথার আকৃতি দিনদিন বড় হতে চলেছে। বাবা কৃষক আব্দুল কাদের তার শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করেছেন। দুই প্রতিবন্ধী শিশুর আর্থিক খরচ বহন করার মত ক্ষমতা তাদের নেই। বড় ছেলে নাবিলকে নিয়মিত ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়েছিলেন সিআরপির ডাক্তারা। অর্থের অভাবে ঔষুধ কিনতে পারছে না।

জান্নাতুলের বাবা গরিব কৃষক আব্দুল কাদের তার সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিত্তবানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর