সাংবাদিক শিরিনকে হত্যা করে ইসরাইলি স্নাইপার: ফিলিস্তিন

2
ফিলিস্তিনের একটি তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে পরিকল্পিতভাবে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক স্নাইপার। তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে ফিলিস্তিনের অ্যাটর্নি জেনারেল আকরাম আল-খতিব বলেন, সাংবাদিক শিরিনকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথায় গুলি করেছে দখলদার বাহিনী। খবর বিবিসির। তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এটি একটি 'পরিষ্কার মিথ্যা' তদন্ত প্রতিবেদন। পশ্চিমতীরের রামাল্লাহ শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিনের অ্যাটর্নি জেনারেল আকরাম আল-খতিব বলেছেন, যে বুলেট দিয়ে শিরিন আবু আকলেহকে হত্যা করা হয়েছে সেটি ৫.৫৬ এমএম এবং এর চারপাশ স্টিলের আবরণ দিয়ে ঢাকা। সাধারণত ন্যাটো বাহিনী এ ধরণের বুলেট ব্যবহার করে। ফিলিস্তিনের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তাদের তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ যখন দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন এক ইসরাইলি সেনা তাকে সরাসরি গুলি করে, যেটি তার কপালে লাগে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাংবাদিক শিরিন আবু আকলে যে জায়গাটিতে গুলিবিদ্ধ হন, সেখানে কোন গোলাগুলি হয়নি কিংবা কোন পাথর ছোঁড়ার ঘটনা ঘটেনি। এই গুলি ইসরাইলি বাহিনীর দিক থেকে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফিলিস্তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, শিরিন যে জায়গাটিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সেখানে একটি গাছেও গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। গুলি যে উচ্চতায় আঘাত করেছে সেটি দেখে বোঝা যাচ্ছে আবু আকলের দেহের উপরের অংশে টার্গেট করেছিল বন্দুকধারী। তবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই রিপোর্ট প্রত্যখ্যান করেছেন। ইসরাইলের সেনাবাহিনীও সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে। তারা বলছে, ফিলিস্তিনি জঙ্গিরা হয়তো তাকে গুলি করেছে। গত ১১ই মে ইসরাইলের দখলকৃত পশ্চিমতীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর একটি অভিযানে সংবাদ সংগ্রহের সময় ৫১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক শিরীন আবু আকলেহ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এই ঘটনার পর বিশ্বব্যাপী ব্যাপক নিন্দার ঝড় ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ইসরাইলি বাহিনী এই গুলি চালিয়েছে, যদিও ইসরাইল সেটি অস্বীকার করছে। ইসরায়েল বলছে, এই বুলেট কোথা থেকে এসেছে সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ, যে গুলিতে শিরিন আবু আকলে নিহত হয়েছেন, সেটি পরীক্ষা করতে চাইলে ফিলিস্তিনিরা সেটি করতে দেয়নি কিংবা তারা যৌথ তদন্তেও রাজি হয়নি।

নিউজ ডেস্ক: ফিলিস্তিনের একটি তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহকে পরিকল্পিতভাবে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক স্নাইপার।

তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে ফিলিস্তিনের অ্যাটর্নি জেনারেল আকরাম আল-খতিব বলেন, সাংবাদিক শিরিনকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথায় গুলি করেছে দখলদার বাহিনী। খবর বিবিসির।

তবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এটি একটি ‘পরিষ্কার মিথ্যা’ তদন্ত প্রতিবেদন।

পশ্চিমতীরের রামাল্লাহ শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিনের অ্যাটর্নি জেনারেল আকরাম আল-খতিব বলেছেন, যে বুলেট দিয়ে শিরিন আবু আকলেহকে হত্যা করা হয়েছে সেটি ৫.৫৬ এমএম এবং এর চারপাশ স্টিলের আবরণ দিয়ে ঢাকা। সাধারণত ন্যাটো বাহিনী এ ধরণের বুলেট ব্যবহার করে।

ফিলিস্তিনের অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তাদের তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ যখন দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছিলেন তখন এক ইসরাইলি সেনা তাকে সরাসরি গুলি করে, যেটি তার কপালে লাগে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সাংবাদিক শিরিন আবু আকলে যে জায়গাটিতে গুলিবিদ্ধ হন, সেখানে কোন গোলাগুলি হয়নি কিংবা কোন পাথর ছোঁড়ার ঘটনা ঘটেনি। এই গুলি ইসরাইলি বাহিনীর দিক থেকে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফিলিস্তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, শিরিন যে জায়গাটিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সেখানে একটি গাছেও গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। গুলি যে উচ্চতায় আঘাত করেছে সেটি দেখে বোঝা যাচ্ছে আবু আকলের দেহের উপরের অংশে টার্গেট করেছিল বন্দুকধারী।

তবে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই রিপোর্ট প্রত্যখ্যান করেছেন। ইসরাইলের সেনাবাহিনীও সাংবাদিক শিরিন আবু আকলেহ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে। তারা বলছে, ফিলিস্তিনি জঙ্গিরা হয়তো তাকে গুলি করেছে।

গত ১১ই মে ইসরাইলের দখলকৃত পশ্চিমতীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর একটি অভিযানে সংবাদ সংগ্রহের সময় ৫১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক শিরীন আবু আকলেহ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

এই ঘটনার পর বিশ্বব্যাপী ব্যাপক নিন্দার ঝড় ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ইসরাইলি বাহিনী এই গুলি চালিয়েছে, যদিও ইসরাইল সেটি অস্বীকার করছে।

ইসরায়েল বলছে, এই বুলেট কোথা থেকে এসেছে সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ, যে গুলিতে শিরিন আবু আকলে নিহত হয়েছেন, সেটি পরীক্ষা করতে চাইলে ফিলিস্তিনিরা সেটি করতে দেয়নি কিংবা তারা যৌথ তদন্তেও রাজি হয়নি।

সূত্র: যুগান্তর