কম্পিউটারের দোকানে জমা হয় কলেজে ভর্তির টাকা!

0
3

নিউজ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ সরকারি কলেজ, সুজা মেমোরিয়াল কলেজে একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রশিদে টাকার খাত উল্লেখ না থাকলেও বিভিন্ন খাতের নামে টাকা আদায় করছে কলেজ কতৃপক্ষ। আবার এই টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে কলেজের সামনের একটি দোকানে।

শিক্ষা বোর্ডের জারি করা ভর্তি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে, সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১০০০ টাকার বেশি হবে না। কিন্তু শিক্ষা বোর্ডের নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত ভর্তি ফি গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে ওই কলেজের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের রশিদে টাকা আদায়ের খাত না দেখিয়ে মোট টাকা আদায় দেখানো হচ্ছে।

ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, উপজেলা সদরের কমলগঞ্জ সরকারি গণমহাবিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর থেকে অনলাইন প্রসেসিং ফি, ভর্তি ফি, ভর্তিকরণ নামে এক সাথে দুই হাজার ৯০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। অথচ বোর্ড নির্দেশনায় বলা আছে অতিরিক্ত ফি আদায় করা যাবে না। গরীব, অসহায়, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তির ক্ষেত্রেও কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, এ টাকা অনলাইনে যাবে। তাদের কিছু করার নেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, কমলগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে মা কম্পিউটারে শিক্ষার্থীদের ভিড়। সেখানে শিওর ক্যাশে টাকা পরিশোধ করে টাকার রশিদ কলেজে  জমা দিলে ভর্তি নেওয়া হয়। দোকানের মালিক নাসির আহমদকে শিওর ক্যাশের টাকা কথা জিজ্ঞাস করলে তিনি জানান, এ টাকা কলেজের অ্যাকাউন্টে যাবে। ওই দোকানদারও টাকার খাত বলতে পারেননি।

কমলগঞ্জ সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী অভিভাবক মোস্তাক আহমেদ জানান, আমাদের কাছ থেকে ভর্তি বাবদ রশিদ মূল্য দুই হাজার ৭০০ টাকা নিয়েছে। কোন খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে তা উল্লেখ নেই।

কমলগঞ্জ সরকারি গণমহাবিদ্যালয় অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মিয়া, আমাদের প্রতিষ্ঠান সরকারি হলেও আগের সিদ্বান্ত মোতাবেক ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া বোর্ডের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ভর্তির টাকা নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত কোনো টাকা আদায় করা হচ্ছে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here